শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০১১

পেনড্রাইভ ফরমেট না হলে যা করবেন

পেনড্রাইভ ফরমেট না হলে যা করবেন

কমপিউটারে ভাইরাস আক্রমণ করলে অনেক সময় পেনড্রাইভ ফরমেট হয় না। তখন পেনড্রাইভ ফরমেট করতে চাইলে Start থেকে Control Panel-এ গিয়ে Administrative Tools-এ ডাবল ক্লিক করুন। তারপর Computer Management-এ ডাবল ক্লিক করুন। এখন বাম পাশ থেকে Disk Management-এ ক্লিক করলে ডান পাশে পেনড্রাইভসহ সব ড্রাইভের লিস্ট আসবে। সেখান থেকে পেনড্রাইভের উপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে ফরমেট করলে পেনড্রাইভ ফরমেট হবে।

ঘোলা ছবি পরিস্কার করুন এক সেকেন্ডে

ঘোলা ছবি পরিস্কার করুন এক সেকেন্ডে (আকর্ষনীয় সব নতুন ফিচার)

আমরা প্রয়োজনে বা অপ্রয়োজনে অনেক ছবি তুলে থাকি। অনেক সময় দেখা যায় ছবি ঘোলা আসে বা মোবাইলে ছবি তোলার কারনে ছবিটা অত পরিস্কার না। আর এই ঘোলা ছবিকে অপটিমাইজ করে পরিস্কার ও আরও আকর্ষনীয় করে তুলতে পারে Ashampoo Photo Optimizer। ছবি লোড করে শুধু optimize বাটনে ক্লিক করুন আর দেখুন যাদু!
জেনে নিন আর কি কি করা যায় । ।
* অনেক সময় ভুলভাবে ছবি তোলার কারনে চোখে লাল একটা আলো পড়ে। এই Red eyes সমস্যা সমাধান করুন নিমিষেই!
* দিন না নিজের মধুর একটা ছবিতে মজার পুরাতন ইফেক্ট
* করে রাখুন বন্ধ ফ্রেমে আবদ্ধ!
* মজার মজার কালার ইফেক্টও দিতে পারেন
* আপনার ছবি দিয়ে খালি ফেক আইডি তৈরি হয়? তাহলে দিয়ে দিন watermark করে আপনার নাম। ছবি থেকে এই নাম কখনই মোছা সম্ভব না।
* কি মনে হচ্ছে ফিচার শুধু এগুলাই? মোটেও না। আসলে এত ফিচার বলে শেষ করা যাবে না। তাই বাকিগুলো আপনি নিজেই ব্যবহার করে আবিস্কার করুন।

ডাউনলোডঃ
https://www.ashampoo.com/en/usd/dld/0557/Ashampoo-Photo-Optimizer-4/

আর ফুল ভার্শন করতে রেজিঃফাইল ডাউনলোড করুন এখান থেকে
http://www.mediafire.com/?ptmd954za053bm7

ইন্সটল করার পর Reg ফাইলটা আনজিপ করে ফাইলটাতে ডাবল ক্লিক করে ok দিলেই ফুল ভার্শন হয়ে যাবে।

SEE THE PIC


আপনি Cyber Cafe তে অথবা অন্য কোথাও CPU এর পেছনে কী-বোর্ড এর সাথে (...PS2/USB) কোন Converter দেখতে পান, দয়া করে Personal কাজে সেই PC ব্যাবহার করবেন না। এটি এক ধরনের শক্তিশালী Hardware Key-logger যা Keyboard এ Input করা সকল তথ্য জমা করে রাখে এবং যা Online Privacy এর জন্য বিশাল হুমকির কারন হতে পারে। হ্যাক হয়ে যেতে পারে গুরুত্বপূর্ণ Account (E-mail/Credit Card/etc). একটু সাবধানতাই বড় কোন হয়রানি থেকে বাঁচাতে পারে।
 
আজ আপানাদের সামনে চরম, জটিল, দারুন সফটওয়্যারের টিপস নিয়ে হাজির হয়েছি।
ইন্টারনেট,গেমস সহ কম্পিউটারে বিভিন্ন কাজ করতে করতে যখন আপনার পিসি ধীর গতি হয়ে যায় তখনই এই সফটওয়্যারটি যাদুর মত কাজ করবে। আপনার কম্পিউটারকে করবে গতি সম্পন্ন। ইন্সটল করার পর কিভাবে এটি ব্যবহার করবেন তা দেখে নেয়া যাক। প্রথমে ডেস্কটপ থেকে Glary Utilities এর আইকনে ডাবল ক্লিক করে ওপেন করুন টিক চিহ্ন দিন Registry Cleaner, Temporary Files Cleaner, Shortcuts Fixer, Tracks Eraser, Startup Manager ও Spyware Remover এ। এবার স্কান করুন। স্কান শেষ হলে কোন কিছুতে প্রবলেম থাকলে লাল লেখায় তা দেখা যাবে এবং এবার রিপেয়ার করুন দেখুন প্রবলেম গুলি solve হয়ে গেছে। দারুন ব্যাপারটা হল Spyware থাকলে তা remove করা যাবে। এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করে আপনি আপনার কম্পিউটারের হারানো গতিকে ফিরে পেতে পারেন।

Modules এ ক্লিক করলে উপরের চিত্রের মত আসবে, আপনি এখান থেকে Clean Up & Repair এ ক্লিক করলে Disk Cleaner, Registry Cleaner, Shortcuts Fixer ও Uninstall Manager পাবেন। আপনি এখান থেকে ডিস্ক ক্লিন করতে পারেন ও সাথে অন্যান্য অপশন গুলি ব্যবহার করতে পারেন। মজার ব্যাপার হল আপনি এখান থেকে যে প্রোগ্রাম গুলি আনইন্সটল করতে পারেন না তা Uninstall Manager দিয়ে তা করতে পারেন।

Optimize & Improve এখান থেকে আপনি Startup Manager এ নতুন কোন প্রোগ্রাম যোগ বা বিয়োগ করতে পারেন। Memory Optimizer diye CPU তে মেমোরি কিভাবে কাজ করছে তা দেখতে পারেন।

এবার Privacy & Security তে ক্লিক করলে পাবেন Traks Eraser, File Shredder, File Undelete ও File Encrypter and Decrypter বিশেষ প্রয়োজনে এগুলি ব্যবহার করতে পারেন।

Files & folders এ ক্লিক দিলে পাবেন Disk Analysis, Duplicate Files Finder, Empty Folders finder ও File Splitter and Joiner. আপনি Disk Analysis দিয়ে ডিস্ক চেক করে নিতে পারেন, Duplicate Files Finder দিয়ে কতটি একি ধরনের ফাইল আছে তা দেখতে পারেন এবং রিমুভ করে দিতে পারেন, Empty Folders finder দিয়ে কোন ফাইল টি খালি রয়েছে তা দেখে নিতে পারেন।

System Tools ক্লিক করলে এখানে পাবেন Process Manager, Internet Explorer Assistent ও Windows Standard Tools.

তাহলে দেরী না করে এখান থেকে ডাউনলোড করুন, সিরিয়াল কী সহ আছে।
=> http://www.mediafire.com/?1qmgus6nmtucu09

পিকচার রিসাইজ জিনিয়াস নামের সফট দিয়ে ছবি রিসাইজ সহ টেক্সট ইফেক্ট দিন

যারা খুব দ্রুত ছবিকে রিসাইজ করতে চান, তাদের জন্য নিয়ে এলাম পিকচার রিসাইজ জিনিয়াস নামের দারুণ এক সফটওয়্যার। যা দিয়ে আপনি ছবিকে ছোট কিংবা বড় করতে পারেন। এই সফট দিয়ে আপনি শধু ছবিকে ছোট বা বড়ই করতে পারবেন তা শুধু নয়। আমরা যারা বিভিন্ন ওয়েব সাইট বা ব্লগে লিখি তাদের জন্য এটি খুব দরকার বলেই আজ শেয়ার করতে এলাম। লেখার মাঝে আমরা টিউটেরিয়াল বা ছবি কিংবা ইমেজ শেয়ার করি। সেই ছবিতে আপনি ওয়াটার মার্ক হিসেবে ছবির উপর টেক্সট ইফেক্ট ও লোগো ব্যবহার করতে পারেন। কেননা দেখা গেছে, অনেক লেখা আপনি লিখেছেন বিভিন্ন সাইটে, কিন্তু আপনার অজান্তেই লেখাটি চুরি হয়ে যায়, ছবি সহ। আর যারা চুরি করে, তারা লেখা ও ছবি দুটোই চুরি করে। তাই বন্ধুরা আপনি যখন ছবি শেয়ার করবেন তখন খুব সহজে সে ছবিতে টেক্সট ইফেক্ট দিয়ে দিতে পারেন, আর চুরি করা সেই আপনার লেখাতে জ্বল জ্বল করে উঠবে আপনার দেয়া টেক্সট ইফেক্ট। তাহলে বন্ধুরা কথা না বাড়িয়ে (http://www.mediafire.com/?oqkzccwysdtj6yb) এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন Picture Resize Genius v2.9.4 নামের সফটটি মাত্র ৩.২৯ মেগাবাইট। ডাউনলোড করার পর rar ফাইলটিকে Extract করলে আপনি সেট আপ ফাইল সহ ক্র্যাক ফাইল পাবেন। ইন্সটল শেষে ক্র্যাক ফাইলটিকে কপি করে নিন এবং C ড্রাইভ এ ঢুকে প্রোগ্রাম ফাইলে যান এবং Picture Resize Genius v2.9.4 ফাইল ওপেন করে পেস্ট করুন, ইন্সটল পর্ব শেষ।

Ram এর গতি বাড়িয়ে নিন

► জনপ্রিয় মুক্ত সফটওয়্যার মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহার করার সময় লেখাকে (টেক্সট) কথায় রূপান্তর করা যায়। এ জন্য ‘স্পিক ইট’ নামের অ্যাড অন ইনস্টল করতে হবে। ১০ কিলোবাইটের এই প্রোগ্রামhttps://addons.mozilla.org/en-US/firefox/addon/3552 ঠিকানা থেকে নামিয়ে নিন (ডাউনলোড)। ইনস্টলের করে ফায়ারফক্স পুনরায় চালু (রিস্টার্ট) করুন। এবার পছন্দমতো টেক্সট নির্বাচন করে এবং মাউসে ডান ক্লিক দিয়ে পপআপ মেনুর নিচে Say It অপশনে ক্লিক করলেই টেক্সট শোনা যাবে।

►সংযুক্তি ছাড়াই ছবি পাঠান
বিনামূল্যে ই-মেইল সুবিধা প্রদানকারী জিমেইলে সাধারণত ছবি অথবা কোনো ফাইল পাঠাতে সংযুক্তি (অ্যাটাচ) করে পাঠাতে হয়। ইচ্ছে করলে পাঠানো মেইলের মাধ্যমে ছবি যোগ করে মেইল করা যায়। এ জন্য প্রথমে আপনার জিমেইল অ্যাকাউন্টে ঢুকে (লগ-ইন) করে Settings থেকে Labs অপশনে ক্লিক করুন। এখান থেকে Inserting Images অপশন Enable করুন এবং সেটিংস সেভ করে বের হয়ে আসুুন। খেয়াল করুন, কম্পোজ বক্সে Inserting Images অপশনের আইকন চলে এসেছে। এই আইকনে ক্লিক করে পছন্দের কোনো ছবি বা ছবির ওয়েব লিংক লেখার মাঝখানে যোগ করতে পারবেন।

►Ram এর গতি বাড়িয়ে নিন
উইন্ডোজ ব্যবহারের সময় অনেক Page File তৈরি হয়, Page File ভার্চুয়াল মেমোরি হিসেবে কাজ করে। কিন্তু এই Page File কম্পিউটারে জমা হয়ে RAM-এর গতি কমিয়ে দেয়। কম্পিউটার বন্ধ করার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ফাইলগুলো আপনি মুছে ফেলতে পারেন। এ জন্য Start থেকে control panel-এ যান। এখান থেকে Administrative Tools/Local Security Policy/Security Settings/Local Policies/Security Options ঠিকানায় যান। ডানপাশের Shutdown : Clear virtual memory page file অপশনে দুই ক্লিক করুন এবং অপশনটি Enable করে OK দিয়ে বের হয়ে আসুন। এখন কম্পিউটার বন্ধের সময় virtual memory page file স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাবে। এ ছাড়া Start/run-এ গিয়ে Tree লিখে Enter চাপলে Ram-এর গতি কিছুটা বাড়বে। এই কাজটি মাঝেমধ্যে করলে আপনার কম্পিউটার গতিশীল থাকবে।

Facebook account recover

আজ আমি আপনাদের দেখাব কি ভাবে hacked হওয়া Facebook account recover করতে হয়। এমন কি আপনার email id ও যদি hack হয় তাও Facebook এর account recover করা যাবে।
এই link এ যান। http://www.facebook.com/hacked
"My Account Is Compromised" button এ click করুন।
email address অথবা facebook username অথবা বন্ধুর নাম দিয়ে আপনার Facebook এর account খুজে বের করুন।
আপনার account খুজে পেলে This is my account এ click করুন।
তারপর আপনার নুতুন অথবা পুরাতন যে কোন একটি password দিয়ে continue এ click করুন।
আপনার Facebook account recover হয়ে গেলো।
* নভোথিয়েটারের স্থপতি কে?
উঃ আলী ইমাম
* বাংলা সনের প্রবর্তক কে?
উঃ সম্রাট আকবর
* বাংলাদেশে কোন উপজাতির
সংখ্যা সবচেয়ে বেশি? উঃ চাকমা
* সেনেগাল কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?
উঃ ফ্রান্স
* পশ্চিম তীর কোন নদীর
তীরে অবস্থিত? উঃ জর্ডান নদী
* নিউইয়র্কের ওয়াল স্ট্রীট কিসের
জন্য বিখ্যাত? উঃ বাণিজ্য কেন্দ্র
* বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত
নিরাপত্তা বাহিনীর নাম কি?
উঃ পিজিআর

বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী দিবস ২১
নভেম্বর
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গঠিত হয় ১২
জুলাই ১৯৭১
বিমানবাহিনীর কার্যক্রম শুরু হয় ২৮
সেপ্টেম্বর ১৯৭৩
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রথম এয়ার
ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠা ৯
নভেম্বর ১৯৭১
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর
গোয়েন্দা সংস্থার নাম - Office of
Air Intelligence
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থার
নাম - Directorate of Neval
Intelligence

# বেলুনে চড়ে প্রথম বিশ্ব ভ্রমনে বের হনঃ স্টিভ ফসেট (US, 2001)
# প্রথম বিশ্ব ভ্রমনে বের হওয়া বেলুনের নামঃ সলো স্পিরিট
# বিশ্বের প্রথম ক্লোন বিড়ালের নামঃ সিসি (যুক্ররাষ্ট্রে 2001 সালে জন্ম গ্রহণ করে)
# বিশ্বের প্রথম ক্লোন স্তন্যপায়ী প্রাণীর নামঃ ডলি নামের একটি ভেড়া
# ডলি 1996 সালে জন্ম নেয় এবং 2003 সালে আর্থাইটিস রোগে মারা যায়।
# জাতিসংঘের নারী বিষয়ক সংস্থা UN-Women এর যাত্রা শুরুঃ 1 জানুয়ারি, 2011
# সবচেয়ে বেশি বয়সে এভারেষ্ট বিজয়ীর নাম কি? উঃ বাহাদুর শেরচান (নেপাল)
# বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংবিধানঃ ভারতের, সবচেয়ে ছোটঃ যুক্ররাষ্ট্রের।



* দেশের সিটি করপোরেশনের প্রথম নারী মেয়রঃ ডা. সেলিনা হায়াত আইভী
* দেশের প্রথম নারী ওসিঃ হোসনে আরা বেগম।
* দেশের প্রথম নারী সচিবঃ জাকিয়া আকতার।
* জাতীয় সংসদের প্রথম নারী হুইপ : সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি
* বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ১নং আসন কোনটি? উঃ পঞ্চগড়
* বানিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটারঃ UNIVAC
* ব্রিটেন টাওয়ার হেমলেটসে প্রথম বাংলাদেসশী মেয়র নির্বাচিন হনঃ লুৎফর রহমান।
* কোন সেক্টর কমান্ডারের সাংকেতিক নাম ছিল ‘টাইগার লিডার? উঃ মীর শওকত আলী।

‎* মহাশূন্য থেকে পৃথিবীতে আগত রশ্মির কনাকে বলেঃ কসমিক রশ্মি
* উদ্ভিদের পাতার রঙ হলুদ হয়ে যায় "নাইট্রোজেন" এর অভাবে।
* মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণেয়ের যন্ত্রঃ স্ফিগমোম্যামোমিটার
* HP-এর পুর্ণ নামঃ হিউলেট-প্যাকার্ড কোম্পানি
* HP-র প্রতিষ্ঠাতাঃ উইলিয়াম হিউলেট এবং ডেভিড প্যাকার্ড।
* HP-র প্রথম কম্পিউটারের নামঃ HP-2116A (1966 সাল)
* পৃথিবীর সর্বকনিষ্ঠ বিলিয়নিয়ারঃ মার্ক ইলিয়ট জুকারবার্গ।
* ক্রোমোজোমকে ঘিরে যে পাতলা আবরন থাকে তার নামঃ পেলিকল।


* নভোথিয়েটারের স্থপতি কে?


উঃ আলী ইমাম


* বাংলা সনের প্রবর্তক কে?


উঃ সম্রাট আকবর


* বাংলাদেশে কোন উপজাতির


সংখ্যা সবচেয়ে বেশি? উঃ চাকমা
* সেনেগাল কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?
উঃ ফ্রান্স
* পশ্চিম তীর কোন নদীর
তীরে অবস্থিত? উঃ জর্ডান নদী
* নিউইয়র্কের ওয়াল স্ট্রীট কিসের
জন্য বিখ্যাত? উঃ বাণিজ্য কেন্দ্র
* বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত
নিরাপত্তা বাহিনীর নাম কি?
উঃ পিজিআর

ওশেনিয়া মহাদেশ
বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ : ওশেনিয়া।
ওশেনিয়া মহাদেশের আয়তন : ৮৪ লাখ ৮৪ হাজার ৬২০ বর্গকিমি।
ওশেনিয়া মহাদেশ পৃথিবীর মোট আয়তনের ৫.৮ অংশ।
ওশেনিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ বিন্দু : পুঁসাক জায়া।
ওশেনিয়া মহাদেশের সর্বনিম্ন বিন্দু : লেক আয়ার।
আয়তনে ওশেনিয়া মহাদেশের বৃহত্তম দেশ : অষ্ট্রেলিয়া, আয়তন ৭৬ লাখ ৮৬হাজার ৮৫ বর্গকিমি।
জনসংখ্যায় ওশেনিয়া মহাদেশের বৃহত্তম দেশ : অষ্ট্রেলিয়া; ২ কোটি ১৩ লাখ।
আয়তনে ওশেনিয়া মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশ : নাউরু।
জনসংখ্যায় ওশেনিয়া মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশ : টুভ্যালু।
ওশেনিয়া মহাদেশের স্বাধীন দেশ : ১৪টি।
ওশেনিয়া মহাদেশের দীর্ঘতম নদীর নাম : মারে ডার্লিং (অষ্ট্রেলিয়া)।
ওশেনিয়া মহাদেশের বৃহত্তম হ্রদ : আয়ার।
ওশেনিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ : পাটজক জাজা (ইরিয়ান)।
ওশেনিয়া মহাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ : নিউগিনি।
এন্টার্কটিকা মহাদেশ :
এন্টার্কটিকা মহাদেশের আয়তন : ১ কোটি ৩২ লাখ ৯ হাজার বর্গকিমি।
এন্টার্কটিকা মহাদেশের আয়তন পৃথিবীর মোট আয়তনের : ৮.৯% শতাংশ।
এন্টার্কটিকা মহাদেশের সক্রিয় আগ্নেয়গিরি : মাউন্ড ইরেবাস।
এন্টার্কটিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ বিন্দু : ভিন্সন ম্যাসিফ; ৫১৪০ মিটার।
এন্টার্কটিকা মহাদেশের সর্বনিম্ন বিন্দু : বেন্টলে সাবগ্ল্যাসিয়াল ট্রেঞ্চ, -২৫৫৫ মিটার।
এন্টার্কটিকা মহাদেশের জীবজন্তু সমূহ : এন্টার্কটিকার প্রাণীদের মধ্যে পেঙ্গুইন, তিমি ওসীল মাছ অন্যতম।
এন্টার্কটিকা মহাদেশের প্রধান সম্পদ : প্রধান সম্পদ সামুদ্রিক পাথর।
এন্টার্কটিকা মহাদেশের জলবায়ু : শৈত্যপ্রবাহ, তুষার ঝড়, মেঘময় ও কুয়াশায়মেরুদেশীয় আবহাওয়া। বড় বড় বরফখণ্ড বা আইসবার্গ উপকূল অঞ্চলকে ঘিরেরেখেছে।

পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ : আফ্রিকা।

আফ্রিকা মহাদেশের আয়তন : ৩ কোটি ৬৫ হাজার বর্গকিমি।
আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশ পৃথিবীর মোট : ২০ শতাংশ।
আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশ : সুদান।

আয়তন ও জনসংখ্যা আফ্রিকা মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশের নাম : সিচেলেস।
জনসংখ্যায় আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশের নাম : নাইজেরিয়া
আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ বিন্দু : কিলিমাঞ্জারো (তাঞ্জানিয়া)।
আফ্রিকা মহাদেশের সর্বনিম্ন বিন্দু : লেক আসাল (জিবুতি)।
আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম মরুভূমির নাম : সাহারা।
আফ্রিকা মহাদেশের দীর্ঘতম নদীর নাম : নীলনদ।
আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ : মাদাগাস্কার।
আফ্রিকা মহাদেশের স্বাধীন দেশ : ৫৩টি।
উত্তর আমেরিকা মহাদেশ :
পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ : উত্তর আমেরিকা।
উত্তর আমেরিকা মহাদেশের আয়তন : ২ কোটি ৪৪ লাখ ৭৪ হাজার বর্গ কিমি।
আয়তনে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশ : কানাডা।

জনসংখ্যায় উত্তর আমেরিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশের নাম : যুক্তরাষ্ট্র
আয়তনে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশ : সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস।
জনসংখ্যায় উত্তর আমেরিকা মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশ : সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস।
উত্তর আমেরিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ বিন্দু : ম্যাককিনলি (যুক্তরাষ্ট্র)।
উত্তর আমেরিকা মহাদেশের সর্বনিম্ন বিন্দু : ডেথ ভ্যালি (যুক্তরাষ্ট্র)।
উত্তর আমেরিকা মহাদেশের বৃহত্তম হ্রদ : সুপিরিয়র।
উত্তর আমেরিকা মহাদেশের দীর্ঘতম নদীর নাম : মিসিসিপি।
উত্তর আমেরিকা মহাদেশের উষ্ণতম স্থান : ডেথ ভ্যালি (ক্যালিফোর্নিয়া)।
উত্তর আমেরিকা মহাদেশের গভীরতম গিরিখাত : গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন।
উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা বিচ্ছিন্নকারী খালের নাম : পানামা খাল।
আয়তনে উত্তর আমেরিকা মহাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাতের নাম : নায়াগ্রা।
উত্তর আমেরিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরি : মেক্সিকোর পোপোক্যাটপেল।
উত্তর আমেরিকা মহাদেশের বৃহত্তম পার্ক : কানাডার উড বাফেলো।
উত্তর আমেরিকা মহাদেশের স্বাধীন দেশ : ২৩টি।

দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ :
দক্ষিণ আমেরিকার আয়তন : ১ কোটি ৭৮ লাখ ১৯ হাজার বর্গকিমি।
দক্ষিণ আমেরিকা পৃথিবীর মোট আয়তনের শতাংশ : ১২ শতাংশ।
দক্ষিণ আমেরিকার উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য : ২৭ হাজার ৭০০ কিলোমিটার।
দক্ষিণ আমেরিকার সর্বোচ্চ পর্বতমালার নাম : আন্দিজ পর্বতমালা।
দক্ষিণ আমেরিকার বনভূমি এর মোট আয়তনের অংশ : মোট আয়তনের ৫২ শতাংশ।
উচ্চতা অনুযায়ী দক্ষিণ আমেরিকার উচ্চতম জলপ্রপাতের নাম : এঞ্জেল ফলস(ভেনিজুয়েলা)।
দক্ষিণ আমেরিকার সর্বোচ্চ বিন্দু : একাঙ্কাগুয়া (আর্জেন্টিনা)।
দক্ষিণ আমেরিকার সর্বনিম্ন বিন্দু : পেনিনসুলা (আর্জেন্টিনা)।
দক্ষিণ আমেরিকার দীর্ঘতম নদী : আমাজান।
দক্ষিণ আমেরিকার উচ্চতম (পানির পরিমাণ অনুযায়ী) জলপ্রপাত : গুয়ারিয়া (ব্রাজিল);১৩০০ কিউবিক/ সেকেন্ড।
জনসংখ্যার দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম দেশ : ব্রাজিল
আয়তনে দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম দেশ : ব্রাজিল।
জনসংখ্যায় দক্ষিণ আমেরিকার ক্ষুদ্রতম দেশের নাম : সুরিনাম
আয়তনে দক্ষিণ আমেরিকার ক্ষুদ্রতম দেশ : সুরিনাম।
দক্ষিণ আমেরিকার চির বসনে-র দেশের নাম : ইকুয়েডর।
দক্ষিণ আমেরিকা তথা পৃথিবীর উচ্চতম রাজধানীর নাম : লাপাজ (বলিভিয়া)।
দক্ষিণ আমেরিকায় প্রথম উপনিবেশ স্থাপন করে : স্পেন দেশ।
দক্ষিণ আমেরিকার স্বাধীন দেশ : ১২টি।

বাঙ্গালী জাতি

বাঙ্গালী জাতির পরিচয় কি?
উঃ শংকর জাতি হিসেবে।
বাংলা ভুমি খন্ডের প্রাচীন জনপদগুলোর নাম কি কি?
উঃ গৌড় -(পুণ্ড্র, বরেন্দ্রীয়, রাঢ়), সুহ্ম-(তাম্র, লিপ্পি, সমতট), বঙ্গ-(বঙ্গাল, হরিকেল)
রাজা শশাঙ্কের শাসনামলের পর বঙ্গ দেশ কয়টি জনপদে বিভিক্ত ছিল?
উঃ ৩টি । যথাঃ পুণ্ড্র, গৌড়, বঙ্গ।
প্রাচীন জনপদ পুণ্ড্রের রাজধানীর ধ্বংশাবশেষ বর্তমান বাংলাদেশের কোথায় পাওয়া যায়?
উঃ বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে।

দেশবাচক নাম হিসেবে বাংলা শব্দের ব্যবহার কখন প্রয়োগ হয় ?
উঃ মুসলিম শাসনামলের প্রথম দিকে।
সম্রাট আকবরের আমলে সমগ্র বঙ্গদেশ কি নামে পরিচিতি ছিল ?
উঃ সুবহ-ই-বাঙ্গালাহ নামে।
ইবহমষধ এবং ইবহমধষ কোন শব্দের রুপান্তর?
উঃ ফারসী ‘বাঙ্গালহ্‌’ শব্দের।
কোন গ্রন্থে বাংলা শব্দের প্রথম ব্যবহার হয়েছে?
উঃ আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে।
সমগ্র বাংলাদেশ ‘বঙ্গ’ নামে ঐক্যবদ্ধ হয় কোন আমলে?
উঃ পাঠান আমলে।
প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ বলতে কোন অঞ্চলকে বুঝায়?
উঃ আধুনিক মুর্শিদাবাদ জেলার রাঙামাটি গ্রামকে।
আর্যগণ কবে বাংলাদেশে আগমন করে?
উঃ ২০০০ খ্রিঃ পূর্বাব্দে।
আর্যগণ আগমনের পূর্বে এ দেশে কাদের বসবাস ছিল?
উঃ অনার্যদের ।
চীনা পরিব্রাজক হিউ-এন-স্যঙ কবে বাংলায় আগমন করেন ?
উঃ সপ্তম দশকে।
বাংলার শাসন পদ্ধতি সুষ্পষ্ট বিবরণ পাওয়া যায় কোন যুগে ?
উঃ গুপ্ত যুগে।
কোন সম্রাটের আমলে এ দেশে বৌদ্ধ ধর্মের প্রসার ঘটে ?
উঃ সম্রাট অশোকের আমলে।
প্রাচীন সভ্যতার অভ্যুদয় ঘটে কোথায়?
উঃ এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশ।
প্রাচীন বাংলাদেশে কয়টি জনপদ বিভক্ত ছিল ?
উঃ তিনটি জনপদে।
আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম কি ?
উঃ বেদ।
বৈদিক যুগের শিক্ষার ভাষা কি ছিল ?
উঃ অষ্ট্রিক।
বাংলার আদি জনগোষ্ঠীর কোন ভাষাভাষা ছিল ?
উঃ সংস্কৃত।
সিন্ধু সভ্যতা কোন যুগের?
উঃ তাম্র যুগের।
সিন্ধু সভ্যতা কখন আবিস্কার হয়?
উঃ ১৯২২ সালে।

SAARC (সার্ক):

SAARC (সার্ক):
> SAARC-এর পূর্ণরূপ : South Asian Association for Regional Co-operation.
> সার্ক আনুষ্ঠানিককালে গঠিত হয় : ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫।
> সার্ক সচিবালয় অবস্থিত : কাঠমান্ডু, নেপাল।
> ২০০৪ সালে প্রথম সার্ক পদক লাভ করেন : শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
> সার্কের রূপকার ছিলেন : বাংলাদেশের শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
> ২০০৪ সালে প্রথম সার্ক পদক লাভ করেন : শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
> ২০০৪ সালে প্রথম সার্ক পদক লাভ করেন : শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
> সার্কের বর্তমান বা নবম মহাসচিবের নাম : শীলকান- শর্মা (ভারত)।
> সার্কের বর্তমান চেয়ারপার্সন : জিগমে থিনলে, ভুটান (২৮ এপ্রিল২০১০-বর্তমান)।
> সার্কভূক্ত দেশ : ৮টি। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপও আফগানিস্তান।
> সার্কের সর্বশেষ বা অষ্টম সদস্য দেশ : আফগানিস্তান (৩ এপ্রিল ২০০৭)।
> সার্কের পর্যবেক্ষকের মর্যাদা দেয়া হয়েছে কোন কোন দেশ ও সংস্থাকে : চীন,জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, দ. কোরিয়া, ইরান, মরিশাস, মিয়ানমার, অষ্ট্রেলিয়া ও ইউরোপীয়ইউনিয়নকে।
> কোন দেশ সার্কপোল গঠনের প্রস্তাব করে : নেপাল (২০০৭ সালে)

মহাদেশ

ইউরোপ মহাদেশের বৃহত্তম উপদ্বীপ : স্ক্যান্ডিনেভিয়া।
ইউরোপ মহাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ : গ্রিনল্যান্ড।
ইউরোপ মহাদেশের সর্বোচ্চ বিন্দু : মাউন্ট এলব্রাস।
ইউরোপ মহাদেশের সর্বনিম্ন বিন্দু : কাষ্পিয়ান সাগর।
ইউরোপ মহাদেশের বৃহত্তম সাগরের নাম : ভূমধ্যসাগর।
ইউরোপ মহাদেশের বৃহত্তম হ্রদ : লাডোগা হ্রদ।
ইউরোপ মহাদেশের দীর্ঘতম পর্বতমালা : আল্পস।
ইউরোপ মহাদেশের দীর্ঘতম নদীর নাম : ভলগা।
ইউরোপ মহাদেশের বৃহত্তম সমভূমি : মধ্য ইউরোপের বিস্তীর্ণ সমভূমি।
ইউরোপের দ্বার বলা হয় শহরকে : ভিয়েনা।
ইউরোপের বৃহত্তম সুড়ঙ্গপথের নাম : চ্যানেল টানেল।
ইউরোপের ককপিট বলা হয় বেলজিয়াম দেশকে।
ইউরোপ মহাদেশের স্বাধী দেশ : ৪৮টি।



পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ

পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ : এশিয়া।
এশিয়ার ভৌগোলিক অবস্থান : ১০ডিগ্রী দক্ষিণ থেকে ৭৮ডিগ্রী উত্তর অক্ষাংশ এবং২৫ ডিগ্রী পূর্ব থেকে ১৭০ডিগ্রী পশ্চিম দ্রাঘিমা পর্যন্ত-বিস্তৃত।
মহাদেশ দুটিকে একসাথে ইউরেশিয়া বলা হয় : এশিয়া ও ইউরোপ
এশিয়া ও ইউরোপকে ইউরেশিয়া বলা হয় : ইউরোপ মহাদেশের সাথে স্থল দ্বারাএশিয়া মহাদেশ যুক্ত হওয়ায়।
এশিয়া মহাদেশ অন্যান্য মহাদেশের চেয়ে বড় : আফ্রিকার প্রায় ১.৫, উত্তরআমেরিকার ১.৮২, দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ২.৪, ইউরোপের প্রায় ৪.১৯, অষ্ট্রেলিয়ার৫.৭৩ এবং এন্টার্কটিকা ৩.১২ গুণ বড়।
এশিয়া মহাদেমেশর আয়তন : ৪ কোটি ৪৫ লাখ ৭৯ হাজার বর্গ কিলোমিটার।
এশিয়া মহাদেশের আয়তন পৃথিবীর মোট আয়তনের শতাংশ : ৩০ শতাংশ।
এশিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ বিন্দু : মাউন্ট এভারেষ্ট।
এশিয়া মহাদেশের সর্বনিম্ন বিন্দু : মৃত সাগর।
এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম উপদ্বীপ : আরব উপদ্বীপ।
এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ : বোর্নিও।
এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম সাগর : দক্ষিণ চীন সাগর।
এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম হ্রদের নাম : কাস্পিয়ান। উল্লেখ্য, এটি এশিয়া এবং ইউরোপমহাদেশে অবস্থিত।
এশিয়া মহাদেশের গভীরতম হ্রদের নাম : বৈকাল হ্রদ।
এশিয়া মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ : মাউন্ট এভারেষ্ট; অবস্থান চীন-নেপাল সীমান্ত।
এশিয়া মহাদেশের দীর্ঘতম নদীর নাম : ইয়াংসিকিয়াং (চীন)।
এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম মরুভূমি : গোবি মরুভূমি, অবস্থান চীন-মঙ্গোলিয়া।
এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম সমভূমির নাম : পশ্চিম সাইবেরীয় সমভূমি।
আয়তনে এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম দেশ : চীন।এশিয়া মহাদেশের সর্ব পশ্চিমের বিন্দুর নাম : বেবা অন্তরীপ।
এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম অরণ্য : তৈগা।
এশিয়া মহাদেশের স্বাধীন দেশ : ৪৪টি।
এশিয়া মহাদেশের ৪৪তম স্বাধীন দেশ : পূর্ব তিমুর।
এশিয়ার সর্ব উত্তরের বিন্দু : চেলিউসকিন অন্তরীপ ।

বিশ্বের প্রথম:

বিশ্বের প্রথম:
> মহাকাশচারী : ইউরি গ্যাগারিন (রাশিয়া)
> মহাশূন্যে বিয়ে : রাশিয়ার নভোচারী ইউরি মালেনচেষ্কা ও মার্কিন নারীইয়েকাতেনিয়া দিমিত্রিয়েভ
> চলচ্চিত্র : ১৮৯৫ সালে
> চলচ্চিত্র নির্মাণকারী : লুমিয়ার ব্রাদার্স
> বাংলা চলচ্চিত্র : বিশ্ব মঙ্গল
> টেষ্ট ক্রিকেটে ব্যাটসম্যান : চার্লস ব্যানারম্যান (অষ্ট্রেলিয়া)
> টেষ্ট ক্রিকেটে সেঞ্চুরি : চার্লস ব্যানারম্যান (অষ্ট্রেলিয়া)
> টেষ্ট ক্রিকেটে ১০ উইকেট (ইনিংসে) শিকারী : জিম লেকার (ইংল্যান্ড)
> টেষ্ট ক্রিকেটে ষ্ট্যাম্প আউট : আলফ্রেড শ (ইংল্যান্ড)
> টেষ্ট ক্রিকেটে ষ্টাম্পিং : ম্যাকার্থি ব্লাকহ্যাম (অষ্ট্রেলিয়া)
> টেষ্ট ক্রিকেটে হ্যান্ডলিং দ্য বল আউট : রাসেল এন্ডিন (দ. আফ্রিকা)
> টেষ্ট ক্রিকেটে যমজ টেষ্ট খেলোয়াড় : ষ্টিভ ওয়াহ ও মার্ক ওয়াহ (অষ্ট্রেলিয়া)
> টেষ্ট ক্রিকেটে অবষ্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড আউট : লেন হাটন (ইংল্যান্ড)
> টেষ্ট ক্রিকেটের ভেন্যু : মেলবোর্ন (অষ্ট্রেলিয়া)
> টেষ্ট ক্রিকেটের অংশগ্রহণকারী দল : অষ্ট্রেলিয়া বনাম ইংল্যান্ড
> বিশ্বকাপ ক্রিকেট অনুষ্ঠিত : ১৯৭৫ সালে, ইংল্যান্ডে
> বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত : উরুগুয়ে (১৯৩০)
> মহিলা বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত : যুক্তরাষ্ট্র (১৯৯১)
> আধুনিক অলিম্পিক অনুষ্ঠিত : ১৮৯৬ সালে (গ্রিসে)
> কৃত্রিম উপগ্রহ : স্পুটনিক-১
> কার্বনমুক্ত শহর : মাসদার (সংযুক্ত আরব আমিরাত)
> সংবাদপত্র ফোন চালু : সুইডেন
> বিশ্বের সরকারি পত্রিকা : দ্য বোষ্টন নিউজলেটার (১৭০৪)
> বিশ্বে রঙিন টেলিভিশন চালু : ৩ জুলাই ১৯২৮
> টেস্টটিউব বেবী : লুইস ব্রাউন
> জিনোম ডিকোড করা জীব : সি এলিগ্যান্স নামক পোকা
> জিন পৃথকীকরণ : ১৯৬৯ সালে
> কৃত্রিম উপায়ে জিন তৈরি : ১৯৭০ সালে
> মানব জিনের ক্লোন : ১৯৭৮ সালে
> বহুকোষী জীবের জিনোম ডিকোড : ১৯৯৮ সালে
> ক্লোন ঘোড়া : প্রমিতিয়া
> ক্লোন বিড়াল : কার্বন কপি (সিসি)
> ক্লোন বানর শাবক : টেট্রা
> ক্লোন ভেড়া : ডলি
> টেষ্টটিউব হরিণ শাবক : মিলৌ
> ক্লোন মানব শিশু : ইভ (২৬ ডিসেম্বর ২০০২)
> পারমাণবিক বোমা তৈরি করে : যুক্তরাষ্ট্র
> পারমাণবিক বোমা হামলা : হিরোশিমা (৬ আগষ্ট ১৯৪৫)
> টেষ্ট ক্রিকেট বোলার : আলফ্রেওশ (ইংল্যান্ড)
> যাত্রীবাহী সুপারসনিক বিমান চালু : ১৯৬৯ সালের ৯ এপ্রিল
> কোলকাতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ : ১৭ এপ্রিল ১৮৯৯
> লন্ডন ও রোমের মধ্যে জেট বিমান চলাচল শুরু : ১৯৫২ সালের ২১ এপ্রিল
> চিড়িয়াখানা : চীনে প্রতিষ্ঠিত
> ডাকটিকিটের নাম : পেনিব্ল্যাক (ইংল্যান্ড)
> আবহাওয়া উপগ্রহ উৎক্ষেপণ : ১৯৬০ সালের ১ এপ্রিল (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)

পৃথিবীতে মহাসাগর

পৃথিবীতে মহাসাগর : পাঁচটি।
> প্যাসিফিক শব্দের অর্থ : শান্ত।
> আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম মহাসাগর : প্রশান- মহাসাগর।
> মহাসাগর, সাগর, উপসাগর, হ্রদ প্রভৃতি নিয়ে গঠিত : বারিমণ্ডল।
> উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ পানিরাশিকে বলে : মহাসাগর (Ocean )।
> পৃথিবীর মহাসাগরগুলোর নাম : প্রশান- মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, ভারতমহাসাগর, উত্তর মহাসাগর ও দক্ষিণ মহাসাগর।
> প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য দ্বীপরাষ্ট্রের নাম : ফিলিপাইন, পাপুয়ানিউগিনি, পালাউ, নাউরু, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি।
> আটলান্টিক মহাসাগরের উল্লেখযোগ্য দ্বীপরাষ্ট্রগুলো : যুক্তরাজ্য, বাহামা, বারমুডা,ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, গ্রীনল্যান্ড, কিউবা ইত্যাদি।
> আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান : ন্যায়ার্স (পুয়ের্তোরিকা)।
> আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দেয়া প্রথম নারী : জেনিফার ফিগে, যুক্তরাষ্ট্র (১২জানুয়ারি-৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯)।
> প্রশান্ত মহাসাগরের নাম দেন ‘প্যাসিফিক’ : পর্তুগিজ অভিযাত্রী ফার্দিনান্দ ম্যাজেলান।
> প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরতম স্থানের নাম : মারিয়ানা ট্রেঞ্চ।
> ভারত মহাসাগরে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য দ্বীপগুলো : সিসিলি, মরিশাস, দিয়াগো,গার্সিয়া, মালদ্বীপ ও মালাগাসি।
> পৃথিবীর গভীরতম মহাসাগর : প্রশান্ত মহাসাগর।
> ভূ-মধ্যসাগরের গভীরতম স্থানের নাম : মাতাপ্যান।
> দক্ষিণ মহাসাগরের অন্য নাম : কুমেরু মহাসাগর।
> দক্ষিণ মহাসাগর অবস্থিত : দক্ষিণ মেরুর নিকটস্থ এন্টার্কটিকা মহাদেশের চতুর্দিকেবিস্তৄত।
> আয়তনে সবচেয়ে ছোট মহাসাগর : এন্টার্কটিকা মহাসাগর (দক্ষিণ মহাসাগর)।
> আর্কটিক বা উত্তর মহাসাগরের অন্য নাম : সুমেরু মহাসাগর।
> পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রীফ অবস্থিত : প্রশান- মহাসাগরে।
> ‘টাইটানিক জাহাজ’ নিমজ্জিত হয়েছিল কোন মহাসাগরে : আটলঅন্টিক মহাসাগরে(১৫ এপ্রিল ১৯১২ সালে)।
বিশ্বের প্রথম ব্যক্তিবর্গ:
> যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট : জর্জ ওয়াশিংটন
> ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী : রবার্ট ওয়ালপল
> বিশ্বের নারী প্রধানমন্ত্রী : শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে
> মহাকাশ পর্যটক : ডেনিস টিটো (যুক্তরাষ্ট্র)
> এভারেষ্ট বিজয়ী : এডমন্ড হিলারি (নিউজিল্যান্ড) এবং তেনজিং নোরগে(নেপাল)
> জাতিসংঘের মহাসচিব : ট্রাইগভে লাই (নরওয়ে)
> মুসলিম নভোচারী : সৌদি শাহজাদা সুলতান সালমান ইবনে আবদুল আজিজ
> পুরুষ টেষ্টটিউব বেবী : এলিষ্ট(alist) ম্যাকডোনাল্ড
> পশুর ক্লোনিংকারী বিজ্ঞানী : ডা. ইয়ান উইলমুট
> পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট : ইস্কান্দার মির্জা
> নোবেল বিজয়ী মুসলমান : আনোয়ার সাদাত (মিশর)
> অক্সিজেন ছাড়া এভারেষ্টে জয়ী : পিটার হাবেলার ও রেইন হোল্ট নেসনা
> উত্তর গোলার্ধে মহিলা সমুদ্র অভিযাত্রী : ডোমিনিক আরডুইন
> সাত মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতচূড়ায় আরোহণকারী ব্যক্তি : এরিক ওয়েন মেয়র(যুক্তরাষ্ট্র)
> এশিয়ার নোবেল বিজয়ী : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
> বিশ্বের নারী প্রেসিডেন্ট : ইসাবেলা পেরন
> গণচীনের প্রেসিডেন্ট : সান ইয়াৎ সেন
> গণচীনের জনগণের চেয়ারম্যান : মাও সে তুং
> ইউরোপে চীনা পরিব্রাজক : মার্কো পোলো
> ইউরোপীয় ভারত আক্রমণকারী : আলেকজান্ডার
> বাংলাদেশে আগমনকারী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী : জেমস কালাহান
> সর্বপ্রথম আটলান্টিক পাড়ি দেয় : Benoit Lecomte, ফ্রান্স।
> চাঁদে পা রাখেন যিনি : নীল আর্মষ্ট্রং
> মহাকশে গমনকারী পুরুষ : ইউরি গ্যাগারিন
> ভারতের প্রধানমন্ত্রী : জওহরলাল নেহেরু
> ভারতের মুসলমান প্রেসিডেন্ট : ড. জাকির হোসেন
> ভারতে আগমনকারী চীনা পরিব্রাজক : ফা হিয়েন
> বিদেশী প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশে আগমন : ইন্দিরা গান্ধী
> এভারেষ্ট বিজয়ী প্রতিবন্ধী : উত্তম হোয়ে টেকার (আমেরিকা)
> বাংলাদেশে আগমনকারী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট : বিল ক্লিনটন

ইংলিশ চ্যানেল:

ইংলিশ চ্যানেল:
> ইংলিশ চ্যানেলের দৈর্ঘ্য : ৫৬০ কিলোমিটার।
> ইংলিশ চ্যানেল কোন দুটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে : আটলান্টিক মহাসাগর ওউত্তর মহাসাগর।
> ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী প্রথম নারী : গার্টেড ইউরি লে, যুক্তরাষ্ট্র (১৯২৬)।
> ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী প্রথম ব্যক্তি : ক্যাপ্টেন ম্যাথু ওয়েব, ব্রিটেন (২৫আগষ্ট ১৮৭৫)
> ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী প্রথম বাঙালি : ব্রজেন দাস, বাংলাদেশ।
> ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী প্রথম ভারতীয় : মিহির সেন, ১৯৫৮ সালে।
> ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী প্রথম বাঙালি ও এশীয় নারী : আরতি সেনগুপ্তা,ভারত।

বিশ্বের উপসাগর বা ‘বে ’(Bay):

বিশ্বের উপসাগর বা ‘বে ’(Bay):
> তিন দিক স্থলদ্বারা বেষ্টিত পানিরাশিকে বে (ইধু) বা উপসাগর বলে। স্থলভাগেরমধ্যে প্রবিষ্ট জলভাগের দৈর্ঘ্য যদি উন্মুক্ত মুখের দৈর্ঘ্য অপেক্ষা কম হয়, তাহলে তাকেবে বলে। যেমন- বে অব বেঙ্গল, হাডসন বে।
> গালফ (Gulf) : এর আভিধানিক অর্থও উপসাগর। তবে স'লভাগের মধ্যে প্রবিষ্টজলভাগের দৈর্ঘ্য যদি উন্মুক্ত মুখের দৈর্ঘ্য অপেক্ষা বেশি হয়, তবে তাকে গালফ বলাহয়। যেমন : পার্সিয়ান গালফ, গালফ অব মেক্সিকো।
> হরমুজ প্রণালী অবস্থিত : ওমান উপসাগর ও পারস্য উপসাগরের মধ্যে।
> বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর : মেক্সিকো উপসাগর (গালফ হিসেবে) ও বঙ্গোসাগরে(বে হিসেবে)।
> কোন নদীর বয়ে আনা পানির প্রভাবে উপসাগরীয় স্রোতের সৃষ্টি হয়েছে :মিসিসিপি।
> জেমস উপসাগর কোন দেশে অবস্থিত : কানাডায়।
> পারস্য উপসাগরে কোন দ্বীপ অবস্থিত : বাহরাইন দ্বীপ।
> উপসাগরীয় স্রোতের বর্ণ : গাঢ় নীল।
> ব্যাফিন উপসাগর অবস্থিত : কানাডা ও গ্রিনল্যান্ড দ্বীপের মধ্যবর্তী স্থানে।
> হাডসন উপসাগর অবস্থিত : কানাডায়।
> আলাস্কা উপসাগর কোন মহাদেশে অবস্থিত : উত্তর আমেরিকা।
> বুথিয়া উপসাগর অবস্থিত : কানাডায়।
> কয়েকটি বিখ্যাত উপসাগর
--বঙ্গোপসাগর : > আয়তন ২২,০০,০০০ ব. কিমি
--মেক্সিকো উপসাগর : > আয়তন ১৫,৪২,৯৮৫ ব. কিমি
--হাডসন উপসাগর : > আয়তন ১২,৩২,৩০০ ব. কিমি
--পারস্য উপসাগর : > আয়তন ২,৩৭,৭৬০ ব. কিমি
বিশ্বের সাগর:
> মহাসাগরের চেয়ে আয়তনে ছোট পানিরাশিকে বলে : সাগর (Sea)।
> লোহিত সাগরের প্রাচীন নাম : সাইনাস আরাবিকাস।
> UNCLOS চুক্তি কার্যকর হয় : ১৬ বেশ্বর ১৯৯৪।
> আয়তনে বিশ্বের সর্ববৃহৎ সাগর : দক্ষিণ চীন সাগর (২৯,৭৪,৬০০ বর্গ কিমি)।
> এজিয়ান সাগর অবস্থিত : গ্রিস ও তুরস্কের মধ্যবর্তী স্থানে।
> বিশ্বের সবচেয়ে গভীরতম সাগর : ক্যারিবিয়ান সাগর (৭২৩৯ মিটার)।
> যে দুই সাগরের মাঝে কোরিয়া উপদ্বীপ অবস্থিত : জাপান সাগর ও পীত সাগর।
> কোন সাগরের তীরে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক দেশ অবস্থিত : ভূমধ্যসাগরের তীরে।
> শৈবাল সাগর : উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের প্রান্ত দিয়ে বিভিন্ন স্রোত প্রবাহেরফলে মাঝামাঝি স্থান স্রোতবাহিত ডালপালা, ঘাস, শৈবাল প্রভৃতি প্রচুর পরিমাণে সঞ্চিতহয়ে যে স্রোতহীন সাগরের সৃষ্টি হয়েছে তা শৈবাল সাগর নামে পরিচিত।
> ইউনাইটেড ন্যাশন্স কনভেনশন অন দ্য ল’ অব দ্য সি (UNCLOS) স্বাক্ষরিত হয়: ১০ ডিসেম্বর ১৯৮২।

সাধারণ জ্ঞান



1. আয়তনে ইউরোপের বৃহত্তম দেশ : রাশিয়া।

2. আয়তনে ওশেনিয়ার বৃহত্তম দেশ : অষ্ট্রেলিয়া।

3. এশিয়া ও ইউরোপকে একত্রে বলা হয় : ইউরেশিয়া।

4. বিশ্বের বৃহত্তম কৃত্রিম খাল : সুয়েজ খাল। (খনন-১৮৬৯, জাতীয়করণ-১৯৫৬ সালে, দৈর্ঘ্য ১৬৪ কি.মি., অবস্থান-মিশর)।

5. মিন্দানাও দ্বীপটি অবস্থিত : ফিলিপাইনে।

6. পানামার বিমান সংস্তার নাম : কোপা।

7. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় : মিশর ও ইসরাইলের মধ্যে (১৯৭৮ সালে)।

8. ২০১২ সালে ৩০তম অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হবে : লন্ডনে।

9. অর্থনীতিতে প্রথম নোবেল দেয়া হয় : ১৯৬৯ সালে।

10. ২০১৪ সালে বিশ্বকাপ বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হবে : ব্রাজিলে।

11. বিশ্বের দীর্ঘতম রেলপথ : ট্রান্স সাইবেরিয়ান।

12. পৃথিবীর উচ্চতম রাজধানী : লাপাজ, বলিভিয়া।

13. বিশ্বের বৃহত্তম অরণ্য : তৈগা।

14. গ্রেট হল অবস্থিত : চীনে।

15. জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব : বান কি মুন (দক্ষিণ কোরিয়া)।

16. ‘দি লাষ্ট সাপার’ চিত্রটির চিত্রকর : লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি।

17. সাদা রাশিয়া বলা হয় : বেলারুশকে।

18. ‘আল-জাজিরা’ যে দেশভিত্তিক স্যাটেলাইট চ্যানেল : কাতার।

19. জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব : ট্রিগভেলি (নরওয়ে)।

20. জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় যে দেশে অবস্থিত : জাপানে।

21. পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী : নীল নদ।

22. পৃথিবীর প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় : কারুইন বিশ্ববিদ্যালয়, মরক্কো।

23. পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তরের শহর : হ্যামার ফাষ্ট।

24. হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনীর নাম ছিল : গেষ্টাপো।

25. বার্লিন প্রাচীরের পতন ঘটে : ১৯৮৯ সালে।

26. পৃথিবীর ছাদ বলা হয় : পামির মালভূমিকে।

27. ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠিত হয় : রোম চুক্তির মাধ্যমে।

28. আন্তর্জাতিক নদী বলা হয় : দানিয়ুব নদীকে।

29. পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সংবিধান : ভারতের।

30. ‘এক দেশ দুই পদ্ধতি নীতি’ চালু : চীনে।

31. ‘সিনহুয়া’ সংবাদ সংস্থাটি : চিনের

32. উত্তর আমেরিকার আদিম অধিবাসীকে বলা হয় : রেড ইন্ডিয়ান।

33. ‘UNESCO’ এর সদর দপ্তর অবস্থিত : প্যারিসে।

34. বিখ্যাত ট্রয় নগরী অবস্থিত : তুরষ্কে।

35. সমুদ্রের বধূ বলা হয় : গ্রেট ব্রিটেনকে।

36. পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা খর্বাকায় জাতি : পিগমি।

37. সাত পাহাড়ের শহর বলা হয় : রোমকে।

38. সানডে টাইমস পত্রিকাটি প্রকাশিত হয় : লন্ডন থেকে।

39. ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ নির্মাতা বলা হয় : মিশরীয়দেরকে।

40. মুসলিম বিশ্বে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী : বেনজির ভুট্টো, পাকিস্তান।

41. ‘আবু সায়াফ’ হলো : ফিলিপাইনের স্বাধীনতাকামী মুসলিম গেরিলা সংগঠন।

42. পূর্বে চীনে যে নামে পরিচিত ছিল : ক্যাথে।

43. ইরাকের পূর্ব নাম : মেসোপটেমিয়া।

44. ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় : নেপোলিয়নকে।

45. রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে যে দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধ : শাখালিন দ্বীপপুঞ্জ।

46. জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা : Archibald Macleish.

47. ‘রেড স্কোয়ার’ অবস্তিত : মস্কোয়।

48. পারস্য উপসাগরে যে দ্বীপ অবস্থিত : বাহরাইন দ্বীপ।

49. বিশ্বের বৃহত্তম লাইব্রেরি : লাইব্রেরি অব কংগ্রেস।

50. ‘রয়টার’ যে দেশের সংবাদ সংস্তা : যুক্তরাজ্য।

51. বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্রাণী : নীল তিমি।

52. ‘সিমলাইন’ হলো : ইসরাইল কর্তৃক গাজা উপত্যকায় নির্মিত বেষ্টনী।

53. WTO’ প্রতিষ্ঠিত হয় : ১ জানুয়ারি ১৯৯৫।

54. ‘পার্থ’ হলো : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের অফিস।

55. ইরান ২য় বিশ্বযুদ্ধে সমর্থন করে : জার্মানিকে।

56. চীনের রাজাকে বলা হতো : Son of God.

57. দুই কোরিয়াকে বিভক্তকারী সীমারেখার নাম : ৩৮০ অক্ষরেখা।

58. ভুটানের মুদ্রার নাম : গুলট্রাম।

59. আফগানিস্তানের প্রধান ভাষা : পশতু।

60. সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয় : জাপানকে।

61. বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ দেশ : ইন্দোনেশিয়া।

62. থাইল্যান্ডের পূর্বনাম : শ্যামদেশ।

63. ‘গণতন্ত্রই সর্বোৎকৃষ্ট শাসন ব্যবস্থা’ উক্তিটি যার : লর্ড ব্রাইস।

64. ‘The Wings of Fire’ বইটির লেখক : এ.পি.জে. আব্দুল কালাম (ভারত)।

65. ‘পানমুনজাম’ স্তানটি যে দুটি দেশের সীমান্তে অবস্থিত : উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া।

66. ইসরাইলকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম মুসলিম দেশ : মিশর।

67. গোলান মালভূমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে : ইসরাইল ও মিশর।

68. গ্রে উলফ নামে পরিচিত : কামাল আতাতুর্ক।

মোবাইল ভিডিও’র ওয়েবসাইট

মোবাইল ফোনে এখন সিনেমাও দেখা যাচ্ছে। আর গান শোনা বা ভিডিও ক্লিপিংস তো অনেক পুরনো। যদিও সিনেমার ক্লিপিংস অনেক আগে থেকেই মোবাইল ফোনে দেখা যায়। এখন মেমরি কার্ডের সম্প্রসারণের ফলে এবং ভিডিও অ্যানক্রিপশন সহজ হবার কারণে পুরো সিনেমাই মোবাইল ফোনে লোড করা যায়। যারা ঘন ঘন ভ্রমণ করেন তাদের জন্য ভ্রমণকালীন সময়ে সিনেমা দেখার খুব ভালো উপায় হচ্ছে মোবাইল ফোন। মোবাইল ফোনে ভিডিও দেখার অনেক ফরমেট আছে। এগুলোর মধ্যে এমপি৪, এএসএফ, ৩জিপি ইত্যাদি জনপ্রিয়। ইন্টারনেট থেকে এ ধরনের ভিডিও ফাইল ডাউনলোড করে মোবাইল ফোনে দেখার ব্যবস্থা করা যায়।

প্রথমেই জেনে নিতে হবে মোবাইল ফোন সেট কোন ধরনের ভিডিও ফাইল সাপোর্ট করে। জনপ্রিয় ভিডিও ফাইল এক্সটেনশনগুলো এখন সব মোবাইল ফোনেই সাপোর্ট করে। প্রত্যেক ফোনে একটি নির্দিষ্ট ফোল্ডারেই ভিডিও ফাইল রাখতে হয়। তাহলে সরাসরি প্লে লিস্ট থেকে ভিডিও চালানো যায়। এটা একেক ফোনে একেক ফোল্ডারে থাকে এবং জেনে নিতে হবে। 
মোবাইল ফোনে ভিডিও দেখার ব্যবস্থা দুভাবে করা যায়। এর মধ্যে একটি হচ্ছে ভিডিও ডাউনলোড করে তা দেখা বা পডকাস্টিং আর অন্যটি হচ্ছে স্ট্রিমিং বা ডাউনলোড হবার সময়েই দেখা। এ দুই ধরনের ভিডিও ব্যবস্থাকে মোবাইল ভিডিও কনটেন্ট বলা হয়।

ভিডিও মোবাইল কনটেন্ট হচ্ছে মোবাইল ফোনে ভিডিওর সাপোর্ট। চিত্রভিত্তিক মোবাইল ফোন কনটেন্টের হাত ধরে এখন ভিডিও মোবাইল কনটেন্টের জয়জয়কার। এখনকার বেশিরভাগ মোবাইল ফোনেই এই সুবিধা পাওয়া যায়। অনেক ধরনের মোবাইল ফোন ভিডিওর ফাইল ফরমেটের মধ্যে চারটি ফরমেট খুব জনপ্রিয়। এই ফরমেটগুলো বেশিরভাগ মোবাইল ফোন সাপোর্ট করে। এগুলো হচ্ছে থ্রিজিপি, এমপিইজি ফোর, আরটিএসপি এবং ফ্ল্যাশ লাইট। ইদানীং স্মার্ট মুভি একটি জনপ্রিয় এক্সটেনশন সিমবিয়ান অপারেটিং সিস্টেমসম্বলিত মোবাইল ফোনগুলোতে।
আর যদি পছন্দসই কোনো ভিডিও যেমন গান বা সিনেমা কমপিউটার থেকে বা ডিভিডি থেকে মোবাইল ফোনে চালানোর জন্য কনভার্ট করে নিতে হবে। এমন অনেক কনভার্সন সফটওয়্যার পাওয়া যায়। মোবাইল ফোনের জন্য এমন জনপ্রিয় কনভার্টার হচ্ছে VMD-MOVIE MAKER, জি ও এম কনভার্টার, জেট অডিও ইত্যাদি। শুধু আউটপুট ফাইল ফরমেট সিলেক্ট করে নিতে হবে এমপি৪, এএসএফ, ৩জিপি ইত্যাদিতে। সাধারণত কনভার্সনে একটু সময় লাগে। তবে কনভার্সন যত বেশি শক্তিশালী কমপিউটার ব্যবহার করা হবে তত দ্রুত কনভার্ট হবে। আর এই কনভার্সনের সময় কমপিউটার দিয়ে অন্য কোনো কাজ না করাই ভালো। এতে কোয়ালিটি নিয়ে কোনো সমস্যা হবার কথা নয়।

মোবাইল ভিডিও শুধু নয়, যেকোনো ভিডিওতে ফ্রেম রেট একটা বড় ব্যাপার। ফ্রেম রেট হচ্ছে ভিডিওর ক্ষেত্রে প্রতি মিনিটে কত ফ্রেম বা সিকোয়েন্স বা ছবি আপডেট হয় তার হার। ভিডিওর ফ্রেম রেট যত হবে সেই ভিডিওর কোয়ালিটি তত ভালো হবে। ডিভিডি বা ব্লু-রে ভিডিওতে সিকোয়েন্সের পাশাপাশি এই ফ্রেম রেটও অনেক বেশি থাকে বলে সেগুলোর কোয়ালিটি বেশ ভালো থাকে।
মোবাইল ফোনের ভিডিওর ক্ষেত্রে ভিডিওর কোয়ালিটি একটি বড় ব্যাপার। একটু সার্চ করলেই অনেক ওয়েবসাইট পাওয়া যাবে যেগুলোতে মোবাইল ভিডিও পাওয়া যাবে। কিছু কিছু ওয়েবসাইট আছে যেখানে শুধু মোবাইল ফোনের গান বা মোবাইল ফোনের জন্য সিনেমা পাওয়া যায়। এগুলো মেমরি কার্ডে বা ফোনে সেভ করা যাবে। বেশি বেশি ভিডিও বা সিনেমা মোবাইল ফোনে সেভ করতে চাইলে অন্তত চার গিগাবাইটের মেমরি কার্ড মোবাইলে সংযুক্ত করতে হবে।

স্ট্রিমিং ভিডিও

স্ট্রিমিং ভিডিও হচ্ছে অনলাইন সার্ভারে আগে থেকে আপলোড করা ভিডিও, যা ডাউনলোড হতে থাকবে আর একই সাথে চলতেও থাকবে। এজন্য দরকার হবে দ্রুতগতির ইন্টারনেট। মূলত দ্রুতগতির ইন্টারনেট বলতে বুঝানো হয় ভিডিওর বিটরেটের হারের চেয়ে ইন্টারনেটের গতি বেশি হতে হবে। তাহলেই ভিডিও দেখতে আটকাবে না। এ ধরনের স্ট্রিমিং ভিডিওর সমস্যা হচ্ছে এগুলো সরাসরি সেভ করা যায় না। অর্থাৎ ইন্টারনেটের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ভিডিও ডাটা আসতে থাকবে এবং তা প্রদর্শন হতে থাকবে। এক্ষেত্রে ইন্টারনেটের গতি যত বেশি হবে সেই ভিডিও তত ভালোভাবে চলবে। 

ভডকাস্টিং

ভিডিও পডকাস্টিংকে ভিডিও কাস্টিং বা ভডকাস্টিং বলা হয়ে থাকে। পুরো ভিডিও ডাউনলোড হবার পরে দেখা যায় এমন মিডিয়াকে ভডকাস্টিং বলে। আমরা যে এমপি৪ বা ভিডিও মোবাইল ফোনে সেভ করি সেগুলো আসলে ভডকাস্টিং। অনেক সময় এক মোবাইল ফোন থেকে আরেক মোবাইল ফোনে ভিডিও ট্রান্সফার করা হয়ে থেকে। এগুলোও ভডকাস্টিং।

স্ট্রিমিং ভিডিও দেখার জন্য সরাসরি ইন্টারনেটের কানেকশন লাগে এবং ফ্ল্যাশ প্লেয়ার প্লাগ ইনস থাকতে হবে মোবাইল ফোনে। এগুলোর সাপোর্টও বেশ কম। 

মোবাইল ভিডিও’র ওয়েবসাইট

www.mytunebd.com
www.djmusiq.us/video-songs
www.download3gpvideo.com
www.beemp3.com/
www.filestube.com
www.3gpsearch.tv
www.mytunebd.com
www.mp4point.com
www.clnkomp4.com
www.gallery.mobile9.com/c/mp4-videos
www.mp4mobi.com
www.bollywoodmp4.com
www.mobighar.com
www.dailypspmovie.com
www.mobileztotal.com
www.ipodarchive.com
www.favoritemusicvideo.com
www.moviesmobile.net
www.vuclip.com
www.loadmob.com 
www.moviearena.org,
www.moviesmobile.net
www.movies4mobile.net
www.mobi-movies.org 
www.mobilemoviezone.com 
www.o2videos.com 
www.3gpmobilemovies.net
www.avimobilemovies.com

শুধু ৬ দিয়ে গঠিত সংখ্যার বর্গ নির্ণয়

আমরা ৬-কে একাধিকবার নিয়ে ছোট-বড় অনেক সংখ্যা গড়ে তুলতে পারি। যেমন ৬-কে পাশাপাশি তিনবার বসিয়ে তৈরি করতে পারি ৬৬৬। আবার ৬-কে পাঁচবার নিয়ে তৈরি করতে পারি ৬৬৬৬৬। এভাবে ৬-এর সংখ্যা বাড়িয়ে-কমিয়ে অসংখ্য সংখ্যা লিখতে পারি। এভাবে ৬ বারবার নিয়ে তৈরি সংখ্যার বর্গ নির্ণয় করতে পারি ক্যালকুলেটরের চেয়েও দ্রুততর সময়ে। এখানে ক্যালকুলেটর ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন হয় না।

নিয়ম :

এক : প্রথমেই লক্ষ করি শুধু ৬ দিয়ে গঠিত যে সংখ্যাটির বর্গ নির্ণয় করতে হবে, তাতে কয়টি ৬ আছে।

দুই : যতগুলো ৬ আছে তার চেয়ে একটি কম ৪ নির্ণেয় বর্গফলের শুরুতেই বসবে।

তিন : এই ৪- গুলোর পর বসবে একটি ৩।

চার : আর এই ৩-এর ডানে বসবে প্রথমে যতগুলো ৪ বসানো হয়েছিল ততগুলো ৫।

পাঁচ : আর সবার ডানে বসবে একটি ৬।

এসব সংখ্যা পর পর বসালেই আমরা পেয়ে যাব আমাদের কাঙ্ক্ষিত বর্গফল। কয়টি উদাহরণ দিয়ে নিয়মটা আরো স্পষ্ট করা যাক।

উদাহরণ-১

ধরা যাক আমরা তিনটি ৬ দিয়ে গঠিত সংখ্যা ৬৬৬-এর বর্গফল কত তা জানতে চাই। এবার এ কাজটি সম্পাদনের জন্য উপরে দেয়া নিয়মের ধাপগুলো অনুসরণ করি।

এক : এ সংখ্যাটিতে ৩টি ৬ আছে।

দুই : অতএব বর্গফলের শুরুতে থাকবে দুইটি ৪, অর্থাৎ ৪৪।

তিন : এই ৪৪-এ বসবে একটি ৩। তখন সংখ্যাটি দাঁড়াবে ৪৪৩।

চার : এরপর বসবে দুইটি ৫, অর্থাৎ ৫৫। তাহলে এবার সংখ্যাটি দাঁড়াবে ৪৪৩৫৫।

পাঁচ : সবশেষে বসবে একটি ৬। তখন সংখ্যাটি হবে ৪৪৩৫৫৬। আর এটিই হচ্ছে আমাদের নির্ণেয় বর্গফল। সোজা কথায়, ৬৬৬-এর বর্গ হচ্ছে ৪৪৩৫৫৬।

উদাহরণ-২

এবার ধরা যাক পাঁচটি ৬ দিয়ে গঠিত ৬৬৬৬৬-এর বর্গফল কত, তা আমরা জানতে চাই। এবারো উপরে উল্লিখিত নিয়মের ধাপগুলো এক করে অনুসরণ করি।

এক : এ সংখ্যাটিতে আছে পাঁচটি ৬।

দুই : অতএব নির্ণেয় বর্গফলের শুরুতেই থাকবে চারটি ৪, অর্থাৎ ৪৪৪৪।

তিন : এসব ৪-এর শেষে একটি ৩ বসে সংখ্যাটি হবে ৪৪৪৪৩।

চার : এর পরপর চারটি ৫ বসে সংখ্যাটি দাঁড়াবে ৪৪৪৪৩৫৫৫৫।

পাঁচ : পাওয়া এ সংখ্যার শেষে একটি ৬ বসিয়ে পাব ৪৪৪৪৩৫৫৫৫৬।

আর সবশেষে পাওয়া সংখ্যাটিই আমাদের নির্ণেয় বর্গফল। অন্য কথায় ৬৬৬৬৬-এর বর্গ হচ্ছে ৪৪৪৪৩৫৫৫৫৬।

এই উদাহরণ দুটোতে ব্যবহার করা ধাপগুলো বুঝতে পারলে আরো বেশি সংখ্যক ৬ নিয়ে গঠিত সংখ্যার বর্গ বের করা যাবে খুবই সহজে ও দ্রুততার সাথে। যেমন-

৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬-এর বর্গ কত কেউ জানতে চাইলে আমরা ক্যালকুলেটরের চেয়ে দ্রুত সময়ে বলে দিতে পারব, নির্ণেয় বর্গফল হবে : ৪৪৪৪৪৪৪৪৪৪৪৪৩৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৬।

লক্ষণীয়, মূল সংখ্যায় ছিল ১৩টি ৬। অতএব বর্গফলের শুরুতে ৪-এর সংখ্যা একটি কম, অর্থাৎ ১২টি। তেমনি বর্গফলে নেয়া ৫-এর সংখ্যাও ১২টি। আর এই ৪-গুলো ও ৫-গুলোর মাঝে সব সময় বসবে একটি ৩ আর সবশেষে বসবে একটি ৬। ব্যস, এভাবেই আমরা সহজে ও দ্রুত পেয়ে যাব বারবার ৬ নিয়ে গঠিত সংখার বর্গফল।

শুধু ৯ দিয়ে গঠিত সংখ্যার বর্গ নির্ণয়

পাঁচটি ৯ দিয়ে গঠিত সংখ্যা হচ্ছে ৯৯৯৯৯। আর নয়টি ৯ দিয়ে গঠিত সংখ্যা হচ্ছে ৯৯৯৯৯৯৯৯৯। এভাবে শুধু ৯ দিয়ে আমরা অসংখ্য সংখ্যা তৈরি করতে পারি। ক্যালকুলেটর ব্যবহার না করে ক্যালকুলেটরের চেয়ে দ্রুত সময়ে এসব সংখ্যার বর্গ নির্ণয়ের নিয়ম এবার আমরা জানব।

নিয়ম :

এক : প্রথমেই লক্ষ করতে হবে প্রদত্ত সংখ্যাটিতে কয়টি ৯ আছে।

দুই : সংখ্যাটিতে যতটি ৯ আছে, বর্গফলের শুরুতেই থাকবে এর চেয়ে একটি ৯ কম।

তিন : এরপর বসবে একটি ৮।

চার : এরপর বসবে শুরুতে যতটি ৯ বসানো হয়েছিল ততটি শূন্য।

পাঁচ : আর একদম শেষে বসবে একটি ১। আর এই ১ বাসানোর সাথে সাথে আমরা পেয়ে যাব নির্ণেয় বর্গফল। উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি স্পষ্ট করা যাক।

উদাহরণ-১

ধরা যাক আমরা চারটি ৯ দিয়ে গঠিত সংখ্যা ৯৯৯৯-এর বর্গ কত, তা জানতে চাই। তা জানার জন্য আমরা উপরে উল্লিখিত নিয়মের ধাপগুলো অনুসরণ করি।

এক : প্রদত্ত সংখ্যাটিতে আছে চারটি ৯।

দুই : অতএব বর্গফলের শুরুতেই থাকবে তিনটি ৯ অর্থাৎ ৯৯৯।

তিন : এরপর একটি ৮ বসে সংখ্যাটি দাঁড়াবে ৯৯৯৮।

চার : এরপর তিনটি শূন্য বসে সংখ্যাটি দাঁড়াবে ৯৯৯৮০০০।

পাঁচ : সবশেষে একটি ১ বসে নির্ণেয় বর্গফল হবে ৯৯৯৮০০০১।

তাহলে আমরা ৯৯৯৯-এর বর্গ পেলাম ৯৯৯৮০০০১।

উদাহরণ-২

এবার ধরা যাক আমরা পেতে চাই ৯৯৯৯৯৯-এর বর্গ কত?

আগের মতোই ধাপগুলো অনুসরণ করে পাই-

এক : প্রদত্ত সংখ্যাটিতে আছে ছয়টি ৯।

দুই : অতএব বর্গফলের শুরুতে থাকবে পাঁচটি ৯, অর্থাৎ ৯৯৯৯৯।

তিন : এরপর বসবে একটি ৮। সংখ্যাটি তখন দাঁড়াবে ৯৯৯৯৯৮।

চার : এরপর বসবে পাঁচটি শূন্য। তখন সংখ্যাটি হবে ৯৯৯৯৯৮০০০০০।

পাঁচ : সবশেষে ১ বসিয়ে আমরা নির্ণেয় বর্গফল পাব ৯৯৯৯৯৮০০০০০১।

নিয়মটি যেমনি সহজ, তেমনি দ্রুত এর সাহায্যে বর্গফল বের করাও সম্ভব। প্রয়োজন শুধু নিয়মটা মনোযোগ দিয়ে বুঝে নিয়ে মনের মধ্যে গেঁথে রাখা
১০০-এর চেয়ে সামান্য কিছু বেশি মানের তিন অঙ্কের সংখ্যা নিয়ে এ নিয়মে কী গুণফল বের করা যাবে। এর উত্তর হবে হ্যাঁ, করা হবে। ধরা যাক, আমরা বের করতে চাই ১০৩ X ১০৪ = কত? কীভাবে তা করতে হবে লক্ষ করুন। আমরা আমাদের স্কুলে শেখা সাধারণ গুণের পদ্ধতি ব্যবহার করে গুণ করে দেখতে পাব ১০৩ X ১০৪ = ১০৭১২। আমরা এ গুণফল পাওয়ার জন্য গুণফলটাকে ঠিক দুই ভাগে ভাগ করে নিতে পারি।

প্রথমে থাকবে ১০৭ এবং শেষে থাকবে ১২।

প্রথমে থাকা ১০৭ = ১০৩ + ৪ কিংবা ১০৪ + ৩ । আর

শেষে থাকা ১২ = ৩ X ৪।

এভাবে সহজেই পাওয়া দুটি ফল একত্রে বসিয়ে আমরা পেতে পারি কাঙ্ক্ষিত ফল ১০৭১২।

অর্থাৎ ১০৩ X ১০৪ = ১০৭১২।

একইভাবে ১০৭ X ১০৬ = কত, তা বের করতে প্রথমে থাকবে ১০৭ + ৬ = ১১৩, কিংবা ১০৬ + ৭ = ১১৩।

আর শেষে থাকবে ৬ X ৭ = ৪২

 নির্ণেয় গুণফল = ১১৩৪২।

গুণফলটি অনেকটা মনে মনে করে ফেলার মতোই। একটু চর্চা করলে সহজে ও দ্রুত এ ধরনের গুণফল বের করে যেমনি সময় বাচানো যায়, তেমনি গণিত যে মজার বিষয়, তাও উপলব্ধি করা যায়।

বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১১

ধরে রাখতে চান বয়সের গতি।



ধরে রাখতে চান বয়সের গতি। কিন্তু সৃষ্টির অমোঘ বিধান লংঘন করার কোন সুযোগ নেই। বিজ্ঞানও এখানে অসহায়। তবে বয়সের গতি থামিয়ে দিতে না পারলেও আধুনিক চিকিত্সা বিজ্ঞান মানুষের জীবনকে কর্মঠ ও অ্যাকটিভ রাখার নানা প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সফলও হচ্ছে। তাই কিভাবে শরীরকে সুস্থ, সবল ও অ্যাকটিভ রাখবেন তাই নিয়ে আজকের লেখা সুস্থ সবল এ্যাকটিভ জীবনের জন্য।

এক:অন্যতম দরকার হচ্ছে নিয়মানুবর্তিতা ও শৃংখলা। তরুণ বয়স থেকেই এই শৃংখলার চর্চা করতে হবে এবং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে হবে। কোন ভোবেই নিজের ওপর অত্যাচার করা যাবেনা। পাশাপাশি ভ্রান্ত ধারণা ও কুসংস্কার পরিহার করতে হবে। বিনা প্রয়োজনে কোন ধরণের অপচিকিত্সা নেয়া যাবেনা।

দুই: যথাসম্ভব চর্বি জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে অথবা চর্বি জাতীয় খাবার কম আহার করতে হবে। পাশাপাশি সুষম খাবার যেমন, প্রচুর শাক-সবজি, প্রয়োজন মত মাছ-মাংস, ডিম ও প্রচুর ফল খেতে হবে। এছাড়া প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। পাশাপাশি কোন ধরণের ফাস্টফুড, তেলেভাজা খাবার ও সফট ড্রিংস খাওয়া চলবেনা।

তিন: প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে। প্রতিদিন নাহলেও অন্তত: সপ্তাহে ৫ দিন ব্যায়াম যেমন, হাটা চলা, জগিং করা, সুইমিং করতে হবে। মনে রাখতে হবে ব্যায়াম শরীরের রক্তচলাচলে স্বাভাবিক রাখে এবং অনেক ক্ষেত্রে শারীরিক সুস্থ সবলতার জন্য রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখা প্রয়োজন হয়।

চার: মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। মানসিক চাপ, হতাশা থেকে শারীরিক সামর্থ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মানসিক চাপ কমানোর জন্য ওষুধ নির্ভরতা কমিয়ে যে কারণে মানসিক চাপ পরিলক্ষিত হচ্ছে তা নিরসনে সচেষ্ট হতে হবে। নিজের যা আছে তাই নিয়েই সুখী থাকতে চেষ্টা করুন। বিবাহিত হলে দাম্পত্য জীবন আনন্দময় করা চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। তবে কখনও শরীরের শক্তি বাড়াতে উত্তেজক ওষুধ খাবেন না।

পাঁচ: ত্বক সুন্দর রাখার চেষ্টা করুন। কারণ সর্ব প্রথম বয়সের ছাপ কিন্তু ত্বকে পড়ে। তাই ত্বক সুন্দর ও মসৃণ রাখতে ত্বকের পরিচর্যা করুন। প্রতিদিন মুখের ত্বক পরিষ্কার রাখতে যেকোন ভালো ক্লিনজার ব্যবহার করুন। ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন এবং রোদে যাবার আগে যেকোন হালকা সানব্লক ব্যবহার করুন। ত্বক ভালো রাখতে প্রচুর সবজি ফল ও পানি পান করুন।

ছয়: প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে চেষ্টা করুন এবং প্রত্যুেষে ঘুম থেকে উঠে যার যার ধর্মমতে প্রার্থনা করুন। ইয়োগা, মেডিটেশনও করতে পারেন। এবং অন্যের কোন অনিষ্ট যাতে আপনার কর্ম-আচার-আচরণে না ঘটে তার প্রতি সতর্ক থাবেন। পরিবারের সদস্যদেরও সেই নিয়মানুবর্তিতার শিক্ষায় উজ্জীবীত করুন

সাত: ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, কোলেস্টেরল, অতিরিক্ত ওজন, থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে চিকিত্সা করুন এবং ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন। লবণ কম খান।

আট: ধূমপান একেবারেই পরিহার করুন। ধূমপান শারীরিক সামর্থ নষ্ট করে, ত্বক ও মনের তারুণ্য কমিয়ে দেয় এবং হূদরোগসহ নানা শারীরিক জটিলতা সৃষ্টি করে। তাই ধূমপান একেবারেই নয়। পাশাপাশি মদ্যপান পরিহার রকুন।

নয়: সব সময় পজিটিভ চিন্তা করুন এবং যে কোন সমস্যা মনের জোর দিয়ে জয় করার চেষ্টা করুন। এমনকি দাম্পত্য সমস্যাও মানসিক শক্তি দিয়ে জয় জরা যায়। ওষুধের প্রয়োজন নেই।

দশ: নিজের অনেক কঠিন সমস্যা নিজের মধ্যে না রেখে আপনজন বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন। প্রয়োজনে উপযুক্ত কাউন্সিলিং এর জন্য সংশ্লিষ্ট কোন চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

পরোক্ষ ধূমপান


ধূমপায়ী   ধূমপান  করে  শ্বাস ছাড়ার সময় বেশ  ধোঁয়া  ছেড়ে  দেন  বাতাসে।  সেই ধোঁয়ার সঙ্গে যোগ হয় সিগারেট জ্বলার সময় সিগারেট থেকে সরাসরি নির্গত ধোঁয়া। ধূমপায়ীর আশেপাশে থাকা অধূমপায়ী লোকের শরীরে এই ধোঁয়া ঢুকে যায় শ্বাসের মাধ্যমে। তাদের অনিচ্ছা সত্বেও। এটাই পরোক্ষ ধূমপান। পরোক্ষ ধূমপান হতে পারে বাসাবাড়িতে। বাবা ধূমপান করছেন, পাশে সন্তানরা। হতে পারে অফিসে বা কর্মস্থলে। আপনি ধূমপান করছেন না, কিন্তু পাশের সহকর্মী করছেন। হতে পারে রেস্টুরেন্টে, যানবাহনে, বাজারে এবং জনসমাগম হয় এরূপ অন্যান্য স্থানে। 
ধূমপায়ীর ছেড়ে দেওয়া ধোঁয়া এবং জ্বলন্ত সিগারেট থেকে সরাসরি নির্গত ধোঁয়া - এই দুই  ধোঁয়ার মাধ্যমে তামাকে থাকা সকল বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থই বাতাসে ছড়িয়ে যায়। শ্বাসের মাধ্যমে ধূমপায়ীর আশেপাশে থাকা অধূমপায়ীর শরীরে এসব রাসায়নিক পদার্থ পবেশ করে। কারণ হয়ে দাঁড়ায় অধূমপায়ীর শরীরে সমূহ ক্ষতির।
পরোক্ষ ধূমপান প্রত্যক্ষ ধূমপানের মতই ক্ষতিকর। পরোক্ষ ধূমপানের কারণে সাথে সাথেই কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাদের এলার্জি বেশি, তাদের এলার্জির লক্ষণ বেড়ে যেতে পারে। যেমন হাঁচি আসা, কাশি হওয়া, চোখ জ্বলা, চোখ দিয়ে পানি পড়া, নাক ঝরা, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব হওয়া, মাথা ঘোরা, ইত্যাদি। যাদের হাঁপানি আছে, তাঁদের হাঁপানির এটাক হতে পারে, শ্বাস কষ্ট বেড়ে যেতে পারে।
পরোক্ষ ধূমপানের জন্য দীর্ঘদিন পরেও শরীরে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এটা অবশ্য নির্ভর করবে একজন কী হারে এবং কতদিন পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছে তার উপর। দীর্ঘদিন পরোক্ষ ধূমপান করলে কী কী স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে?  হতে পারে ফুসফুসের ক্যান্সার, হূদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ব্রংকাইটিস, শ্বাসকষ্ট, শ্বাসতন্ত্রের ইনফেকশন, গর্ভপাত, বাচ্চার জন্মগত ত্রুটি, ইত্যাদি। দেখা গেছে, বসাবাড়িতে ধূমপান করলে বাড়ির অধূমপায়ী সদস্যদের পরোক্ষ ধূমপানের কারণে ফুসফুসের ক্যান্সারের সম্ভাবনা ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বেড়ে যায়। কর্মক্ষেত্রে পরোক্ষ ধূমপায়ীদের এই সম্ভাবনাও প্রায় ২০ শতাংশ। বাসাবাড়িতে পরোক্ষ ধূমপায়ী শিশুদের হাঁপানি, ব্রংকাইটিস ও ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা বেশি। অন্যান্য এলার্জি হবার আশংকাও যথেষ্ট। দুই বছরের কম বয়সী শিশুদের শ্বাস নালীর বা ফুসফুসের ইনফেকশন হবার সম্ভাবনাও বেশি। সুতরাং পরোক্ষ ধূমপানের প্রশ্নে শিশু ও গর্ভবতী মহিলাদের কথা একটু বেশিই মনে রাখতে হবে। পরোক্ষ ধূমপানের কারণে আমেরিকায় প্রতি বছর প্রায় তিন হাজার অধূমপায়ী ফুসফুসের ক্যান্সারে মারা যায় এবং প্রায় ৩ লাখ শিশু শ্বাসনালী বা ফুসফুসের রোগে ভোগে।
সুতরাং যারা সরাসরি ধূমপান করেন না, তাদেরকে পরোক্ষভাবে ধূমপান করিয়ে তাদের শরীরের ক্ষতি করা কোন মতেই কাম্য নয়।

ভিটামিন সি



পানিতে দ্রবনীয় ভিটামিনগুলির মধ্যে ভিটামিন সি অন্যতম। এর বৈজ্ঞানিক নাম এসকরবিক এসিড। মানবদেহে এই ভিটামিন সংশ্লেষিত হয় না এবং এর কার্যকারিতা ২৪ ঘন্টার বেশি থাকে না। এই কারণে প্রতিদিনই এই ভিটামিন কিছু না কিছু গ্রহণ করা প্রয়োজন। ভিটামিন সি দেহে কাজ করবার জন্য পরিপাক বা বিপাকের বিশেষ প্রয়োজন হয় না। এটা সহজেই অন্ত্র হতে শোষিত হয়ে দেহের ভিতরে শোষ কলায় পৌছে তাদের কাজ করে থাকে।

এই ভিটামিনের কাজ হলো দাঁত, হাঁড়, কোষের সংযোজনে অংশ গ্রহণ করা এবং দেহের ক্ষত বা ঘা সারাতে সাহায্য করা। এই ভিটামিন লৌহ শোষণে সাহায্য করে বলে লৌহ জাতীয় খাবারের সঙ্গে ভিটামিন সি গ্রহণ করা জরুরী। এতে রক্তস্বল্পতা রোধ করা যায়। বিভিন্ন সংক্রামক রোগ যেমন যক্ষ্মা, শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, ডিপথেরিয়া, ভাইরাস সংক্রমণ ইত্যাদিতে ভিটামিন সি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাকে সবল করে থাকে। এই ভিটামিনকে ডায়েটারী এইড বা খাদ্য নিয়ন্ত্রণের সাহায্যকারী হিসাবেও চিহ্নিত করা হয়েছে। কারণ এটি মিষ্টি খাওয়ার প্রতি আগ্রহ কমায় এবং ক্ষুধাবোধকে দমন করে। ফলে রক্তে চর্বি ও শর্করার মাত্রাকে কমাতে সাহায্য করে। ত্বকের উপর এই ভিটামিন এত ভাল কাজ করে যে বিভিন্ন চর্মরোগ সারাতে এর প্রয়োজন। ভিটামিন সি দেহে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কাজ করে। এটি শরীরের ফ্রি রেডিকেলের মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং সেল মেমজেন বা কোষ প্রাচীরে আলফা টকোফেরল অর্থাত্ ভিটামিন ই সি:সরণে সাহায্য করে।

সাধারণত: সবুজ শাক-সবজি ও টক ফলে ভিটামিন সি রয়েছে। আমলকিতে রয়েছে সবচাইতে বেশি। এছাড়া লেবু, পেয়ারা, কমলা, বেল, ধনেপাতা, কাঁচামরিচ, সজনে পাতা, ক্যাপসিকাম, বাঁধাকপি ইত্যাদিতে প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে। চাহিদামতো এই ভিটামিন গ্রহণ করা গেলে মানসিক চাপ মোকাবিলা করা যায়। পানিতে দ্রবনীয় বলে শাক-সবজি পানিতে ভিজিয়ে রেখে দিলে বা সিদ্ধ করে পানি ফেলে দিলে শতকরা ৬০-৭০ ভাগ পর্যন্ত সি ভিটামিন নষ্ট হয়। তাপে সংবেদনশীল বলে অনেকক্ষণ খোলা কড়াইতে রান্না করলে অথবা শাক-সবজি ও ফল ৫-৭ দিন ঘরে রেখে দিলেও শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত ভিটামিন ক্ষয় হয়। আবার রান্না করা তরকারি চুলায় বসিয়ে রাখলে বা বারে বারে গরম করলেও সি-ভিটামিন নষ্ট হয়।

ফ্রিজে রাখা সবজি ও ফলের ভিটামিন নষ্ট হয় খুবই কম। আবার সবজি ও ফলে সামান্য চিনি মেশালে সি-ভিটামিন অনেকটা রক্ষা পায়। এজন্য সালাদ ও নিরামিষে সামান্য চিনি দিলে এর স্বাদ যেমন বাড়ে তেমনি ভিটামিন সিও নষ্ট হয় না।

ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি নামক রোগ হয়। এতে দাঁতের মাড়ি ফুলে যায়, দাঁতের গোড়া থেকে রক্তক্ষরণ হয়, দুর্বলতা ও শিশুদের হাঁটুর জয়েন্টে ব্যথা হয় ও ফুলে যায়। অনেক সময় চামড়ার নীচে রক্তক্ষরণ হয়ে বলে চামড়ার উপরে নীলচে রঙ দেখা যায়।

সুতরাং দেখা যায় যে, মানবদেহে ভিটামিন সি এর গুরুত্ব অনেক বেশি। এখনও প্রতিদিনই কিছু না কিছু ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত।



আমরা ওজন কমাতে চাই, স্লিম থাকতে চাই। ভালো কথা। এজন্য খাদ্যের দিকে কেবল নজর, কিন্তু কী পানীয় গ্রহণ করছি সেদিকে তেমন লক্ষ্য নেই। বড় ভুল। আমেরিকানরা প্রতিদিন যে পরিমাণ ক্যালোরি গ্রহণ করেন এর এক পঞ্চমাংস আসে পানীয় থেকে। আমাদের দেশেও প্রচুর পানীয় বিশেষ করে কোমল পানীয় পান করেন লোকজন, বিশেষকরে তরুণরা। সঠিক পানীয় উদ্দীপ্ত করে বিপাক, কমায় ক্ষুধা, কমায় মোট ক্যালোরি। কিছু কিছু পানীয় তাই হিতকর আবার কোনও কোনওটি ক্ষতিকর। বিশেষ করে ওজন হ্রাসের জন্য।

সোডা জাতীয় পানীয় মোটেই হিতকর নয়:প্রতিবার এক বোতল সোডা পান মানে শত শত শূন্য ক্যালোরি গ্রহণ। অনেকে ডায়েট সোডার কথা বলেন তবে এতে লাভ হয় তেমন একটা হয় বলে মনে হয় না।

সব চেয়ে হিতকর হলো ‘পানি পান’: কার্বনেটেড কোমল পানীয়ের বদলে ‘কেবল পানি পান’ করলে প্রতি দিনে শত শত ক্যালোরি গ্রহণ থেকে বাঁচা যায়। হিত এখানেই শেষ হয় না। খাওয়ার আগে দুগ্লাস পানি পান করলে পাকস্থলী অনেক দ্রুত ভরাট বোধ করে, তাই খাওয়া হয় কম। এছাড়া নতুন গবেষণায় দেখা যায়, প্রচুর পানি পান করলে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে দেহ বিপাকের উপর।

ফলের রস:ফলের রসে ক্যালোরি বেশ বেশি থাকে ঠিক তবে তা শূন্য ক্যালোরি নয় সোডার মত। এতে আছে পুষ্টি উপকরণ। বাড়তি চিনির সঙ্গে ভিটামিনও এন্টি অক্সিডেন্টও লাভ করা হয়। একটি বিকল্প ১০০% ফলের রস। কেবল ফলের রস এর সঙ্গে বাড়তি মিষ্টি যোগ না করলে হয়। আবার ফলের রসের সঙ্গে পানি মিলিয়ে পান করলেও কিছু ক্যালোরি কমে।

সবজির রস বেশ ভালো: সবজির রস বেশ পুষ্টিকর, ফলের রসের অর্ধেক ক্যালোরি। এক কাপ টমেটো জুসে আছে ৪১ ক্যালোরি, কমলার রসে সে পরিমাণে রয়েছে ১২২ ক্যালোরি। ফলের নরম শাস বা সবজির শাস সহ জুসে আঁশও পাওয়া যায় ভালো। বাজারে ভেজিটেবল মকেটল বেরিয়েছে এগ্রোভিত্তিক, খামার যারা করেন এদের তৈরি। খেতে মন্দ লাগলো না। ক্ষুধাও কমে যায়।

স্মুথি: এক কলা, স্ট্রবেরি ও ব্লুবেরি মিশিয়ে স্মুথি তৈরি করলে মজা। এ থেকে পাওয়া যায় রোগ প্রতিরোধী ভিটামিন ও খনিজ দ্রব্যের সমাহার। ঘরে তৈরি ভালো সবচেয়ে। ননীতোলা দুধ ও তাজা বা হিমায়িত ফল। রেস্তোরার স্মুথিতে থাকে আইসক্রিম, ননী, মধু ও অন্যান্য মিষ্টক দ্রব্য যাতে ক্যালোরি মান উঠে তুঙ্গে।

লো-ফ্যাট দুধ:ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেলে শরীরের হিত হয়, তবে এতে শরীরের ওজন কমেনা। কম চর্বি দুধ, দধি ও পনির খেলে হয়।

ক্ষতিকর হলো এনার্জি ড্রিংক: সোডার মতই ক্যালোরি বোমা হলো স্ট্রোটস্ ও এনার্জি ড্রিংক। এদের মধ্যে পুষ্ট গোণ করা হলেও অনেক কম ক্যালোরি খাদ্যেও থাকে সে সব পুষ্টি। যারা ওজন কমাতে চান এবং স্লিম থাকতে চান তারা এসব পানীয় না পান করে কেবল শুধু পানি পান করবেন।

কালো কফি:ক্যাফিন চাই সামান্য। সোডা বা এনার্জি ড্রিংকের চেয়ে কফি ভালো। ব্ল্যাক কফি হলো ক্যালোরি মুক্ত এন্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর। মধ্যম পরিমাণে কফি পান (দিনে ৩-৪ কাপ) মন মেজাজ, মনোযোগ ভালো করে, টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়, এটি ক্যান্সার রোধীও বটে।

ফেনায়িত স্বাদু মনোহর কফি ভালো না: ব্লাক কফির নির্দোষ মগে যদি ভারি ক্রিম, সুবাসিত সিরাপ, হুইপড্ ক্রিম কাপ, যোগকরে তা চর্বি ও চিনির ভান্ডার হয়ে উঠে। প্রতিকাপে ৫৭০ ক্যালোরি পর্যন্ত হতে পারে এত বেশি। এক বেলার খাবারের সমান প্রায়।

সবুজ চা বড় ভালো: সামান্য ক্যাফিনের সন্ধানে থাকলে গ্রীন টি হলো ভালো উত্স। কেবল যে ক্যালোরি মুক্ত তাই নয়, কিছু গবেষণা বলে, সবুজ চা পানে ওজনও কমে। কিভাবে তা ঘটে, জানি না, তবে ক্যাফিনও ক্যাটেবিন নামে অনুপুষ্টির এতে ভূমিকা আছে। দিনে দু’বার সবুজ চা পান ভালো। ককটেল, মদ্য, কুলার সব হলো ক্ষতিকর পানীয়। হালকা বিয়ার ও ভালো না।

ভাত ও মাছ




ভাত ও মাছ আমাদের প্রধান খাদ্য। আমরা মাছে-ভাতে বাঙালী। মাছ খুবই সুস্বাদু। আমিষ, তেল, ভিটামিন ও খনিজ লবণের একটি গুরুত্বপূর্ণ উত্স হচ্ছে মাছ। মাছের প্রায় ২০ শতাংশ আমিষ। প্রথম শ্রেণীর আমিষ। এতে অত্যাবশ্যকীয় এমাইনো এসিডের সবগুলোই উপস্থিত। মাছের আমিষের প্রায় সবটুকুই হজম হয়, প্রায় ৮৫-৯৫ শতাংশ। মাছে আমিষ বেশি, তেল তুলনামূলকভাবে কম। যা আছে তার বেশীর ভাগই পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। এটি শরীরের জন্য খুবই উপকারী। মাছে আছে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ লবণ। ভিটামিন ‘এ’ আছে রেটিনল হিসাবে, যা আমাদের শরীরে সহজেই ব্যবহূত হতে পারে। কোন কোন ছোট মাছে ভিটামিন ‘এ’ এর পরিমাণ বেশি। প্রতি ১০০ গ্রাম মলা মাছে প্রায় ১৯৬০ মাইক্রোগ্রাম আর ঢেলা মাছে প্রায় ৯৩৭ মাইক্রোগ্রাম। পক্ষান্তরে, ইলিশের প্রতি ১০০ গ্রামে মাত্র ৬৯ ও রুইয়ে ২৭ মাইক্রোগ্রাম। মাছের কাটায় আছে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস নামক খনিজ লবণ। ছোট মাছ কাটা সহ খাওয়া যায় বলে আমরা এগুলো থেকে বেশি ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস পেয়ে থাকি।

আমরা মাছে-ভাতে বাঙালী বলে মাছের আমিষ আমাদের দৈনন্দিন আমিষের চাহিদা মেটাতে পারে। মাছের তেলের ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এটি হূদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, রিউম্যাটয়েড আর্থাইটিস বা বাত, আলজেইমারস ডিজিজ বা বুড়ো বয়সে ভুলো মন, ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ করতে পারে। প্রতিরোধ করতে পারে শিশুদের হাঁপানি, মহিলাদের স্তন ও পুরুষদের প্রষ্টেট গ্রন্থির ক্যান্সার। এটি রক্তের কলেস্টেরল কমায়। শরীরের বাড়তি ওজন কমাতেও সহায়ক ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। মেনুপজাল বা পঞ্চাশোর্ধ মহিলাদের মুড ভাল রাখতেও এটি কার্যকর। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড শিশুদের মস্তিস্ক ও চোখের রেটিনার কর্ম উন্নয়নে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভবতী মহিলাদের গর্ভাবস্থাকে নয় মাসের শেষ পর্যন্ত নিয়ে যেতেও ভূমিকা রাখে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। আমেরিকান হার্ট এসোসিয়েশন সপ্তাহে অন্তত দুইবার মাছ খাওয়ার পক্ষে। এতে করে শিশুর হাঁপানি থেকে শুরু করে বড়দের প্রষ্টেট গ্রন্থির ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা কমে। মায়েরা মাছ খেলে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড বুকের দুধের মাধ্যমে দুগ্ধ পোষ্য শিশুর শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এতে শিশুর দৃষ্টি শক্তি ভাল হয়, মস্তিস্কের ডেভেলপমেন্ট উন্নত হয়।

বোস্টনের হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেল্থ-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি সপ্তাহে মোটামুটি পরিমাণ মাছ খেলে হূদরোগের কারণে মৃত্যু ঝুঁকি ৩৬ শতাংশ কমে। আর যে কোন কারণে মৃত্যু ঝুঁকি কমে প্রায় ১৭ শতাংশ। গবেষণার ফলাফলটি প্রকাশিত হয় আমেরিকান মেডিক্যাল এসোসিয়েশনের অক্টোবর ২০০৬ এর জার্ণালে। গবেষণাটির মতে, সপ্তাহে অন্তত ১ থেকে ২ বার মাছ খাওয়া উচিত্ - বলেন জার্নালের গবেষক ডাঃ দারিয়ুস মোজাফ্ফারিন। মাছের ভিটামিন এ চোখ ও ত্বকের জন্য উপকারী। উপকারী এন্টি অক্সিডেন্ট হিসাবেও। আর ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস হাড় ও দাঁতের জন্য অতীব প্রয়োজনীয়।

ওজন



বাড়তি ওজন একজন মানুষের কত রকম শারীরিক ও মানসিক সমস্যা ও রোগ শোকের কারণ হতে পারে এ কথা আমরা সকলেই মোটামুটি জানি। উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হূদরোগ, কিডনিরোগ, বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার ইত্যাদির অন্যতম কারণ হল মোটা হওয়া বা বাড়তি ওজন। কিন্তু আমরা জানি কি বাড়তি ওজন আমাদের সন্তান জন্মদানের সক্ষমতার উপরও বিরূপ প্রভাব ফেলে।

আমাদের মনে এরকম প্রশ্ন আসতেই পারে যে, অনেক মোটা মহিলাইতো সন্তান জন্ম দিচ্ছেন। কিন্তু এটা সত্যি যে, যারা সন্তান জন্মদানে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন অথবা যেসব মেয়েদের মাসিক অনিয়মিত হয় তাদের মধ্যে বেশি ওজনের মেয়ে/মহিলাদের আধিক্য বেশি। অনেক গবেষণাতেই একথা প্রমাণিত হয়েছে বাড়তি ওজনের মেয়েদের মধ্যে অনিয়মিত ঋতুচক্র এবং ডিম্ব পরস্ফুিটনের হার কম হয়; যা সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এমনকি ‘পলিসিস্টিক ওভারী সিনড্রোম’ (মেয়েদের এক ধরণের রোগ) না থাকলেও শুধুমাত্র বেশি ওজনের কারণে ডিম্ব পরস্ফুিটন কম হতে পারে। এরপরও যদি একজন স্থূল মহিলা গর্ভধারণ করেন তাহলেও তার গর্ভকালীন সময়ে নানা রকম সমস্যা হতে পারে। গর্ভবতী মা’র উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, নিদ্রাহীনতা, প্রি-একল্যাম্পসিয়া, ক্ষত দেরীতে সুকানোসহ নানা রকম সমস্যার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া এসব ক্ষেত্রে সিজারিয়ান অপারেশন দ্বারা সন্তান জন্মদানের সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।

ওজন বেশি থাকলে শরীরে হরমোন ও মেটাবলিক অনেক পরিবর্তন ঘটে। এর ফলে ডিম্ব পরস্ফুিটনের সমস্যা ছাড়াও ব্রুন বেড়ে উঠায় অনেক সমস্যা হয়। এটি হয় বিভিন্ন সেক্স হরমোন নি:স্বরণ ও কার্যকারিতার পরিবর্তনের কারণে। এমনকি জরায়ুতে ব্রুন Implantation হতেও সমস্যা হয়। এছাড়াও মেয়েদের যেসব সমস্যার কারণে সন্তান হয়না তার মধ্যে একটা কারণ হল Gonadotrophin হরমোন ঠিকই নি:সৃত হচ্ছে কিন্তু ডিম্ব পরস্ফুিটন হচ্ছে না। এ অবস্থা তখনই সৃষ্টি হয় যখন ওজন বেশি থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে ডিম্ব পরস্ফুিটনের সময় ওভারিয়ান ফলিকলে যদি Human chorionic Gonadotrophin (HCG) নামক হরমোনের পরিমাণ কম থাকে তাহলে ডিম্ব নিষিক্ত হবার সম্ভাবনা কমে যায়। স্থূলকায় মহিলাদের ওভারিয়ান ফলিকলে এই হরমোন অনেক কম থাকে এবং এদের ডিম্বের মান ও গর্ভধারণ হারও অনেক কম। এছাড়াও গর্ভধারণের সাথে ওজনের সম্পর্কটা স্পষ্ট হয় যখন দেখা যায়, যেসব সুস্থ মহিলা টেস্টটিউব পদ্ধতিতে অন্যের ডিম্ব গ্রহণ করেছেন তাদের ক্ষেত্রেও গর্ভধারণের হার অনেক কম। টেস্টটিউব পদ্ধতিতে যে ওষুধগুলো ব্যবহূত হয় তা অত্যন্ত উচ্চমূল্যের। আর যাদের ওজন বেশি তাদের জন্য ওষুধও লাগে বেশি পরিমাণে। শুধু তাই নয়, তাদের ক্ষেত্রে বেশি হেজঐ agoinsl ব্যবহার করে তুলনামূলকভাবে কম ডিম্ব পাওয়া যায়। জেনে রাখা ভালো, টেস্টটিউব পদ্ধতিতে অনেকগুলো ডিম্বের প্রয়োজন হয়। সুতরাং; দেখা যাচ্ছে যে, টেস্টটিউব পদ্ধতিতেও সাফল্যের হার অনেকাংশেই নির্ভর করে নারীর ওজনের উপর। তারপর দেখা গেলো এসব স্থূল মহিলাদের ক্ষেত্রে ভ্রুন তৈরী হয়েছে ঠিকই কিন্তু এদের বিভিন্ন সমস্যা লেগেই থাকে। যেমন- স্থূল মহিলাদের ক্ষেত্রে জরায়ুতে ভ্রুনের Implantation কম হয়। প্রথম ৬ সপ্তাহে অ্যাবরশনের হারও বেশি হয় এবং তাদের জীবিত সন্তান জন্মদানের হারও কম। এছাড়াও স্থূল মহিলাদের ক্ষেত্রে টেস্টটিউব পদ্ধতিতে বিভিন্ন সমস্যা উদ্ভব হওয়ার কারণে যে চিকিত্সা চলে তা প্রায়শ; বাতিল করে দিতে হয়। এতে রোগীরা যেমন আর্থিক ক্ষতির সমুক্ষীন হয় তেমনি মানসিকভাবেও বিপর্যস্থ হয়ে থাকেন। এত কিছুর পরও কোন স্থূল মহিলা গর্ভধারণ করতে সক্ষম হলেও সন্তান ভূমিষ্ঠ হবার আগেই মিসক্যারেজ হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

ওজন কমাতে পারলে সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে যে পজিটিভ ফলাফল পাওয়া যায় তা অনেক গবেষণাতেই প্রমাণিত হয়েছে। যেমন- একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, ১০ কেজি ওজন কমানোর ফলে যাদের ডিম্ব পরস্ফুিটন হতো না তাদের মধ্যে ৮৯.৬%-এ আবার নিয়মিতভাবে ডিম্ব পরস্ফুিটন হচ্ছে ৭৭.৬% এর ক্ষেত্রে গর্ভসঞ্চার হয়েছে ৬৭% এর ক্ষেত্রে সুস্থ সন্তান জন্মলাভ হয়েছে। মিসক্যারেজ এর হার পূর্বের ৭৫% থেকে কমে ১৮% এবং প্রতি বাচ্চার জন্য খরচ পূর্বের তুলনায় ৫৫% কম হয়েছে। উক্ত গবেষণাটি করা হয়েছিল বেশি ওজনের নি:সন্তান নারীদের নিয়ে।

শুধু বেশি ওজন নয়, আদর্শ ওজনের চেয়ে কম ওজন থাকলেও (বিএমআই>১৮.৫) সমস্যা হয়। এদের ক্ষেত্রেও ওভোলেসন কম হয়, জরায়ুতে ভ্রুনের Implantation কম হয় এবং গর্ভসঞ্চারের হারও কম হয়। উভয় ক্ষেত্রে সমস্যার ধরণ এক হলেও বেশি ওজন হলে সমস্যাগুলো প্রকট হয়। তাই বেশি ওজন নিয়ে এত বেশি কথা এবং এত গবেষণা।

সুতরাং যারা স্বাভাবিক বা টেস্টটিউব পদ্ধতিতে সন্তান নিতে ইচ্ছুক তাদের জন্য পরামর্শ হল আপনার বাড়তি ওজন কমিয়ে আদর্শ সীমার মধ্যে নিয়ে আসুন- তাহলে আপনার সন্তান জন্মদানের সম্ভাবনা বেড়ে যাবে এমনিতেই। এমনকি টেস্টটিউব পদ্ধতিতেও সাফল্যের সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, নিয়মিত ব্যায়াম, জীবন যাত্রার ধরণ পরিবর্তন, সর্বোপরি আপনার একান্ত ইচ্ছাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাড়তি ওজন কমাতে সাহায্য করে। তারপরও ওজন কমাতে ব্যর্থ হলে অভিজ্ঞ কারও পরামর্শ নিতে পারেন।

স্ক্যাপুলার পেইন সিন্ড্রোম



পিঠের হাড়ে সাধারণ থেকে তীব্র ব্যথা নিয়ে রোগীরা প্রায়ই ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। কাঁধের তিনটি হাড়ের মধ্যে তিন কোনাকৃতির চেপ্টা হাড়কে “স্ক্যাপুলা” বলে। স্ক্যাপুলা হাড়টি পিঠে পাঁজরের হাড়ের উপর বসানো থাকে। এ হাড়টি বাহুর হাড়কে পাঁজরের হাড় (রিব) ও কলার বোনের সাথে যুক্ত করে। এ হাড়কে কাঁধের ব্লেড ও বলে। স্ক্যাপুলায় ব্যথা প্রায়ই হয়ে থাকে এবং সচরাচর অতিরিক্ত কাজের পর ব্যথার উদ্রেক বেশী হয়। অধিকাংশ স্ক্যাপুলার ব্যথা ঘাড়ের নীচ অংশ ও পিঠের উপর অংশ হতে উত্পত্তি হয়ে থাকে। বেশীর ভাগ সময় ব্যথা স্ক্যাপুলার ভিতর পার্শ্বে অনুভূত হয়। পেশি দুর্বলতার জন্য স্ক্যাপুলার অনিয়মিত নড়াচড়া হয়। একে স্ক্যাপুলার ডিসকাইনেসিয়া বলে। হাত সামনে তুললে স্ক্যাপুলার ভিতর পার্শ্ব উঁচু হয়ে যায়। একে স্ক্যাপুলার উইংগিং বলে। ব্যথা বাহু, হাত ও আঙুল পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। অনেক সময় ব্যথার সাথে হাত ও আঙুলের অবশভাব এবং বর্ণ পরিবর্তন হতে পারে। ব্যথার জন্য কাঁধের নড়াচড়া কমে যায় এবং কোন কিছু তুলতে গেলে তীব্র ব্যথা হয়। এ সব উপসর্গকে একত্রে “স্ক্যাপুলার পেইন সিন্ড্রোম” বলে। যে কোন বয়সে যে কেউ স্ক্যাপুলার পেইন সিন্ড্রোমে আক্রান্ত হতে পারে।

কারণ :

১. অতিরিক্ত কাজ বা খেলাধুলা।

২.দীর্ঘক্ষন এক অবসহায় কম্পিউটারে কাজ করলে।

৩.দীর্ঘসময় বালিশ ছাড়া কাত হয়ে ঘুমালে।

৪.কাঁধের জোড়া একবার বা অধিকবার সহানচ্যুতি হলে ।

৫. রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, অসটিওআর্থ্রাইটিস ও প্রদাহ আর্থ্রাইটিস।

৬. আঘাত বা রোগের কারণে জোড়ার আবরণ, লিগামেন্ট, টেনডেন ও পেশি দুর্বল হলে বা ছিঁড়ে গেলে।

৭. পেশি, টেনডেন ও বার্সার প্রদাহ।

৮. কলার বোন ভাঙলে, ছোট হয়ে জোড়া লাগলে বা স্থানচ্যুতি হলে ।

৯. ক্যালসিয়াম কমে হাড় ভঙ্গুর (অসটিওপোরোসিস) হলে ।

১০. রোগ বা আঘাতের কারণে হাড় ভাঙ্গলে ।

১১. হাড়ের ইনফেকশন ও টিউমার ।

১২. স্নায়ু পিন্চড (ইনট্রাপমেন্ট) বা ইনজুরি।

১৩.পিত্তথলি, ফুসফুস এবং হূদরোগের কারণে ও স্ক্যাপুলায় ব্যথা হয়। একে রেফার্ড পেইন বলে।

করণীয় :

চিকিত্সার শুরুতেই রোগের প্রাথমিক কারণ অনুসন্ধান করতে হবে। রোগীর শারীরিক পরীক্ষা ছাড়াও এক্স-রে, রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষা, সি টি স্ক্যান, এম আর আই, এন সি ভি এবং ই এম জি প্রয়োজন হতে পারে। প্রাথমিক রোগের নিরাময়ে স্ক্যাপুলার ব্যথা অনেকাংশে কমে আসে। অনেক সময় প্রাথমিক কারণের চিকিত্সার ক্ষেত্রে শল্যচিকিত্সার প্রয়োজন হয়। স্ক্যাপুলার পেশির স্থিতিশীলতা, ভারসাম্য ও শক্তিশালী হওয়ার ব্যায়ামের মাধ্যমে রোগ নিরাময়ে সুফল পাওয়া যায়। ব্যথা নিরাময়ের ওষুধ (এ্যানালজেসিক) ছাড়াও পেশি নমনিয় হওয়ার ওষুধ (মাস্ল রিলাক্সেন্ট) সেবন করতে হবে। প্রাথমিক কারণের চিকিত্সার আগে ও পরে ফিজিকেল থেরাপি যেমন, এস ডব্লিউ ডি, ইউ এস টি, টি ই এন এস এবং ই এম এস ব্যবহারে সুফল পাওয়া যায়।