শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০১২

* এক ক্লিক-এ আপনার ডেস্কটপের ওয়ালপেপার পরিবর্তন করে নিন !! *

>আপনার পিসি/ল্যাপটপ এর মনিটরের সামনে একটা জটিল স্ক্রীন থাকবে ,এটা কে না চায়।আমি জানি অনেক এ অনেক ভাবে এটা পরিবর্তন করতে পারেন,কিন্তু আজ এখানে আমি এমনই একটা মজার সফটওয়্যার শেয়ার করবো,সাইজ মাত্র ৮৬৭ কেবি । মাত্র এক ক্লিক এ আপনার স্ক্রীন পরিবর্তন করতে পারবেন। এটি সব ধরনের পিক কে সাপোর্ট করবে । এবং উইন্ডোজ এর সকল ভার্সন -এ কাজ করবে।

এই ছোট সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে এখানে দেখেন-http://www.pchelplinebd.com/?p=35415
আপনি যদি এইচডি ওয়ালপেপার ডাউনলোড করতে চান এখানে দেখেন-http://www.hddesktopwallpapers.com/  
* আমার প্রিয় দুটি ইউএসবি সেফলি রিমুভারের ফুল ভার্সন *

>Pendrive বা Memory card সেফলি রিমুভ করা খুব জরুরি। এ কাজটা আপনি কোন সফটওয়্যার ছড়াও আপনি করতে পারবেন , তবে আপনি যদি USB sefely Remove ইউজ করেন অনেক বেশি সুবিধা পাবেন Pendrive বা Memory Card সেফলি রিমুভ করে । যেমন “USB sefely Remove” ইনষ্টল থাকে তাহলে আপনি শুধু WIN+S চেপেই ডিসকানেক্ট করতে পারবেন, চাইলে এই Shortcut ও পরিবর্তন ও করতে পারবেন।
আমি দ্বিত...ীয় যে সফটওয়্যারটি আপনাদের সাথে শেয়ার করব এটার নাম Zentimo. এতে USB Sefely Remove এর সব ফিচারই আছে, একটা মজার জিনিস এতে বেশি আছে যেটা USB Sefely Remove এ নাই সেটা হলো USB Speed Test Meter , যা দিয়ে আপনি আপনার Pendrive বা MemoryCard এর স্পিড মাপতে পারবেন, যেমন ধরুন ছোট ফাইল, মাঝারি বা বড় সাইজের ফাইলের স্পিড আপনার Pendrive বা MemoryCard এ কেমন হবে এটা জানতে পারবেন।

ডাউনলোড লিংক পেতে এখানে ক্লিক করুন http://www.pchelplinebd.com/?p=35380
### স্বয়ংক্রিয় ভাবে আপনার কম্পিউটারে আজানের সুমধুর ধবনি ###

সকল মুসলমান ভাইদের প্রতি সালাম জানিয়ে, আজকে ইসলামিক বিষয়ের উপর একটি সফটওয়্যার নিয়ে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। যারা প্রত্যহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন এবং কম্পিউটারে অনেক ব্যস্ত সময় পার করেন। কিন্তু আজান এবং নামাজের সময় নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন এই ভেবে যে, আপনার নামাজের ওয়াক্ত শেষ হতে পারে। কোন চিন্তার কারণ নেই, কেননা স্বয়ংক্রিয় ভাবে আপনার কম্পি.........উটারে আজানের সুমধুর ধবনি, আপনার নামাজের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে। তাহলে দেরি না করে
এখান থেকে ডাউনলোড করুন http://www.pchelplinebd.com/?p=7751
মাত্র ৭ মেগাবাইটের সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে আপনার কম্পিউটারে ইন্সটল করুন।
আপনি বাংলাদেশের বাসিন্দা হলে Bangladesh সিলেক্ট করুন এবং শহর ঠিক করে নিন এবং সেভ করুন।

মূল পেজে আপনি ৪ টি আজান ধ্বনির মধ্যে একটি সিলেক্ট করতে পারেন। সবকিছু ঠিক ভাবে অর্থ্যাৎ date, time, city উল্লেখ করা হয়ে গেলে কাজ শেষ, এরপর দেখুন আপনার সিলেক্ট করা সময় অনুসারে আপনার কম্পিউটার থেকে আজানের ধ্বনি শোনা যাবে।

হ্যাঁ বন্ধুরা এখানে আরও পাবেন কেলেন্ডার, মাসিক নামাজের সময় ও কোরআন তেলোয়াত সহ অনেক কিছু।
লুফে নিন কারসারের বাহারি থিম <<<

অনেকই আমরা কম্পিউটারে কারসার এর জন্য আলাদা থিম খুজে বেড়াই। যারা নিত্য নতুন কারসার থিম পছন্দ করেন তাদের জন্য নিয়ে এলাম দারুন এক সফট। যার নাম CursorFX মাত্র ১৪.২ মেগাবাইট। ডাউনলোড করে ইন্সটল করে বেছে নিন কারসারের থিম। ইন্সটল করার পর আপনাকে যা করতে হবে তা দেখে নিন। স্টার্ট মেনু থেকে প্রোগ্রাম এ গেলে CursorFX দেখতে পাবেন তাতে ক্লিক দিলে My Coursors এ পাবেন নানা র...কম থিম, আপনার যেটি ভাল লাগবে তাতে সিলেক্ট করে Apply করুন। দেখুন কারসার পয়েন্ট কেমন পরিবর্তন হয়ে গেছে নিমিষেই। উপভোগ করুন আর আনন্দে থাকুন।

এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন http://www.pchelplinebd.com/?p=27775
@@@ দ্রুত খুজে নিন আপনার দরকারি ফাইল,ফোল্ডার @@@

আমরা কম্পিউটারে যে কোন দরকারি জিনিস হঠাৎ সময় মত হাতের কাছে পাইনা।এর জন্য MY COMPUTER এ যেয়ে SEARCH অপশন ব্যাবহার করি।যা খুবই ধীর গতির।আজ আপনাদের এই “ধীর গতির SEARCH অপশন”এর হাত থেকে একটু হলেও রেহাই দিতে একটি সফ্টওয়্যার নিয়ে এলাম।যা আপনার যে কোন দরকারি জিনিস মূহুর্তের মধ্যেই চোখের সামনে হাজির করবে।ট্রাই করেই দেখুন।ডাউনলোড করতে নিচের যে কোন একটি... ল...িন্ক এ ...ক্লিক করুন।এরপর SKIP AD এ ক্লিক করুন।আপনাদের সুবিধার্তে 4 Shared এবং
MediaFire এর লিংন্ক দেওয়া হয়েছে।
ফাইলকে
এখান থেকে ডাউনলোড করে নিতে হবে http://www.pchelplinebd.com/?p=390
‎** আমরা নতুন করে উইন্ডোজ সেট আপ না দিয়ে তাকে রিপেয়ার করতে পারি **

অনেক কারনে আপনার কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেমন ভাইরাস আক্রমণের ফলে কিংবা আপনার অজান্তে যে কেউ ভুল করে অপারেটিং সিস্টেমের কোন ফাইল ডিলেট করে দিলে, আপনি তখন নতুন করে উইন্ডোজ সেট আপ করার চিন্তা করবেন, আমরা নতুন করে উইন্ডোজ সেট আপ না দিয়ে তাকে রিপেয়ার করতে পারি। তাহলে আসুন দেখি কিভাবে এটা করা যায়, অনেক...েই জানেন এই পদ্ধতিটি, যারা জানেন না তাদের জন্য এই লেখাটি উপহার হিসেবে দিলাম। আপনাকে প্রথমে মেরামত করার জন্য Windows XP র Bootable CD দরকার হবে এবং বুট করার জন্য আপনি আপনার কম্পিউটারের Bios ঠিক করে নিন, ফার্স্ট বুট ডিভাইস সিডি রোম দেখান save করুন OK করুন কিছুক্ষনের মধ্যে নিচের মত একটি নীল পর্দা আসবে কোন কিছু না করে enter চাপুন( উল্লেখ্য আপনার অপারেটিং সিস্টেম যা থাকবে তার সিডি লাগবে )
F8 চাপুন
উইন্ডোজ রিপেয়ারের জন্য R চাপুন।
অপারেটিং সিস্টেমের মিসিং ফাইলগুলি রিকভারির জন্য আপনাকে প্রায় আধাঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে, সম্পূর্ণ হবার পর আপনার Desktop এবং My Document data র কোন পরিবর্তন হবেনা, কিন্তু কিছু উইন্ডোজে পরিবর্তন হতে পারে, তবে এটি কোন সমস্যা নয়।
চিত্র সহ দেখতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন http://www.pchelplinebd.com/?p=10523
1)বিশ্বে স্বাধীন দেশের সংখ্যা- ১৯৫ টি (সর্বশেষ: দক্ষিণ সুদান, ৯ জুলাই ২০১১)।
(2)পৃথিবীর ২টি দেশ এশিয়া ও ইউরোপ দুই মহাদেশে অবস্থিত- রাশিয়া ও তুরস্ক।
(3)পৃথিবীর কোন শহর বা নগর ২টি মহাদেশে অবস্থিত- ইস্তাম্বুল (তুরস্ক)।
(4)বিশ্বে ২টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য নয়- ভ্যাটিকান সিটি ও কসোভো।
(5)পৃথিবীর ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র- ইতালি। কারণ এর মধ্যে ভ্যাটিকান সিটি ও সানম্যারিনো অবস্থিত।
(6)পৃথিবীর একমাত্র ইহুদি রাষ্ট্র- ইসরাইল (এটি মধ্যপ্রাচ্যর ক্যান্সার নামেও পরিচিত)।
(7)নিজ ভূমিতে পরাধীন কোন দেশ- ফিলিস্তিন।
(8)বিশ্বে জাতীয় পতাকা অর্ধনিমিত নিষিদ্ধ কোন দেশে- সৌদি আরব ও ইরান।
(9)বিশ্বে কোন দেশগুলোর নাম ও রাজধানীর একই- মোনাকো, লুক্সেমবার্গ, সানম্যারিনো, ভ্যাটিকান সিটি (ইউরোপ); জিবুতি (আফ্রিকা; সিঙ্গাপুর (এশিয়া)।
(10)ইউরোপের মুসলিম দেশগুলো: বসনিয়া- হার্জেগোভিনা,তুরস্ক, আলবেনিয়া ও কসোভো।

সিগারেটে কি কি থাকে?

সিগারেটে কি কি থাকে?
জানতে চান? দেখেন এবার বিশ্বাস হয় কি না। বিশ্বাস না হলেও, এগুলো সত্যি।
Nicotine- সিগারেটের মূল আসক্তি সৃষ্টক উদাপান। মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরি করায়। দেহে রিলাক্সেশন ও উত্তেজনা দেয়।
· Acetone - নেইল পালিশ তোলার কাজে ব্যবহৃত হয় !!!!
· Ammonia - নিকোটিনের কাজে প্রভাবক।
· Tar - আলকাতরা !!!
· Benzene - তেল, রাবার, রঙ এর দ্রাবক !!!
· Cadmium - ব্যাটারি তৈরি করতে ব্যবহার হয় !! কিডনি ক্যান্সার ও লাং ক্যান্সারের আহবায়ক !
· Hydrogen cyanide - ইঁদুর মারতে ব্যবহৃত হয় !! একেবারে যদি বেশি পরিমাণে ভেতরে যায়, সাথে সাথে মৃত্যু হয়।
· Ammonia
· Carbon monoxide (CO) - শরীরের অক্সিজেন বহন ক্ষমতা কমায়।

· Nitrogen oxide

small font problem

Step 1:

Install Siyam Rupali Font  


Step 2:

Install Font fixer Application   


Step 3:

Follow These: 
BC Attached Image   

BC Attached Image 

Restart the Computer.

You can also contribute to translate Facebook to Bangla. Follow the link below:

Translation

বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১১

ধাতুকে গরম করলে সাধারণত লাল হয়ে যায় কেন ?

ধাতুকে গরম করলে সাধারণত লাল হয়ে যায় কেন ?
ধাতব বস্তুকে গরম করা হলে তার পরমাণুর ইলেকট্রনগুলি শক্তি সঞ্চয় করে উচ্চতর শক্তি সম্পন্ন কক্ষপথে চলে যায় । আবার এক জায়গায় দীর্ঘক্ষণ না থেকে নিম্নশক্তির কক্ষপথে চলে আসে । প্রথমাবস্থায় তারা ইনফ্রারেড রশ্মি বিকীরণ করতে পারে। কিন্তু উত্তাপ আরও বৃদ্ধি করলে দৃশ্যমান আলোর বর্ণালী বিকীরণ করে । যা লাল দিয়ে শুরু হয় । এইজন্য আমরা গরম ধাতব বস্তুকে লাল দেখি । এরপর যদি ঐ লাল ঊত্তপ্ত বস্তুটিকে আরও গরম করা হয় তাহলে অন্য দৃশ্যমান আলোর বর্ণালী যথা হলুদ, নীল ইত্যাদি দেখব ।

ডেড সি তে মানুষ ভাসার কারণ কি ?

ডেড সি তে মানুষ ভাসার কারণ কি ?
নামেতে সমুদ্র হলেও আসলে ডেড-সি একটি হ্রদ । এটি ইসরাইল ও জর্ডানের মাঝখানে অবস্থিত । এর পানির তল সমুদ্রপৃষ্ঠের চেয়েও ৩৯৩ মিটার নিচে । আগে কোনো দিন এটি সাগরের সঙ্গে যুক্ত ছিল, আকাবা উপসাগরের মাধ্যমে । এখন কিন্তু এটি অবরুদ্ধ হ্রদ ছাড়া আর কিছু নয় এবং এর অবস্থান আরবের শুষ্ক অঞ্চলে হওয়ার ফলে হ্রদ থেকে বাষ্পীভবন অর্থাৎ পানি থেকে বাষ্প হওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি । আর সেখানে বৃষ্টিপাতও নাম মাত্র হয় । তাই প্রতিদিনই নদীবাহিত লবণ জমে ডেড-সি এর পানিতে লবণের অনুপাত বেড়ে যাচ্ছে । বাড়তে বাড়তে এখন এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে যে এর পানির আপেক্ষিক গুরুত্ব মানুষের পুরো শরীরের আপেক্ষিক গুরুত্বের চেয়েও বেশী । ফলে কোনো মানুষই এর পানিতে ঝাঁপ দিলে এখন আর ডোবেনা, ভেসেই থাকে । শুধু ডেড-সি নয়, আমেরিকা যুক্ত্রাষ্ট্রের গ্রেট সল্ট লেকেরও এখন প্রায় একই অবস্থা ।
( উল্লেখ্যঃ ডেড-সি সম্পর্কে একটা ধারণা আছে ইসলাম ধর্মে যে, হযরত ইব্রাহীম(আঃ)এর ভ্রাতুষ্পুত্র লুত (আঃ) কে আল্লাহ তাআলা নবুয়ত দান করে জর্ডান ও বায়তুল মোকাদ্দাসের মধ্যবর্তী সাদূমের অধিবাসীদের পথ প্রদর্শনের জন্য প্রেরণ করেন। তখনকার সময়ে ঐ এলাকার মাটি অত্যন্ত উর্বর ছিল যার ফলে ঐ এলাকায় শস্য ও ফলের মাত্রাতিরিক্ত প্রাচুর্য ছিল এবং ঐ এলাকার মানুষ এতসব প্রাচুর্য পেয়ে কাম নেশায় মত্ত্ব হতে থাকে, তারা সবাই সমকামী ছিল । শুধুমাত্র লুত(আঃ)ও তার ২টি কন্যা ছাড়া কেউ মুসলমান ছিল না। । তখন আল্লাহ তাআলা গজব দেন ঐ এলাকাতে, গজবের ফল হিসেবে ঐ এলাকায় ফসল হয় নি, বৃষ্টির ফোটা পরেনি । এরপর থেকে ঐ সাগরের নাম মরা সাগর হয়ে যায়, যাকে এখন আমরা ডেড-সি বলি, অনেকে এটাকে লূত সাগরও বলে থাকে ।)

সোমবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১১

জিপি কানেকশন আর জিপি মডেম



জিপি কানেকশন আর জিপি মডেম নিয়ে অনেকই হয়তো বিপাকে পড়েছেন। কোন সময় নেট স্পিড কম আবার কোন সময় ভালো কোন প্যাকেজ নাই। এর সাথে নতুন সমস্যা যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ থেকে জিপি ইউজাররা ব্লগস্পট সাইট ওপেন করতে পাড়ছেন না। সব ব্যাপার গুলো ভেবেই অনেকে হয়তো চাচ্ছেন জিপি বাদ দিয়ে অন্য কোন অপারেটরের নেট কানেকশন চালাবেন।

কিন্তু বাধ সাধে আবার সেই জিপি মডেম। জিপি’র মডেম দিয়ে তো আর অন্য কানেকশন চালান যাবে না, আরেক টা মডেম কিনতে হবে আরও কিছু টাকার ধাক্কা। আর এতসব ভেবেই চ্যাঞ্জ করার হচ্ছেনা দুনিয়ার সবচেয়ে ফালতু কানেকশন। আজ আমি আপনাদের মাঝে যে ব্যাপারটা শেয়ার করতে যাচ্ছি টা হচ্ছে… আপনি জিপি মডেম দিয়েই অন্য যে কোন অপারেটরের নেট কানেকশন চালাতে পারবেন। এভাবে হয়তো অনেকেই চালাচ্ছেন কিন্তু আমার মনে হয় না জানা লোকের সংখ্যাই অনেকে অনেক বেশি। আর তাদের জন্যই আমার আজকের এই টিউন। চলুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে জিপি মডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের নেট চালান যায়…

প্রথমে জিপি মডেমের বাইডিফল্ট সফটওয়্যার টি ওপেন করুন। এখন উপরেরে দিকের টুলস থেকে অপশন এ ক্লিক করুন (Tools > Options)।

এখন যে পেজ টা আসবে ওখান থেকে আপনাকে প্রফাইল ম্যানেজমেন্ট এ ক্লিক করতে হবে, নিচের ছবির মতোন…

প্রফাইল নাম হিসাবে জিপি ইন্টারনেট দেয়া থাকবে কিন্তু নতুন কানেকশনটার জন্য এখানে আপনাকে একটা নতুন প্রফাইল তৈরি করতে হবে। ডান দিকে New এ ক্লিক করুন।

নিচের পেজটার মতো একটা পেজ ওপেন হবে… এখনে আপনাকে Profile Name, APN এবং Access Number দিয়ে একটা নতুন প্রফাইল করতে হবে।

আচ্ছা চলুন কোন ইন্টারনেট কানেকশন এর জন্য কিভাবে আমরা কনফিগার করবো স্ক্রিন শটের মাধ্যমে দেখে নেয়া যাক।

একটেলের জন্যঃ

Profile Name এ Aktel type করুন। APN টা Static Select করে বক্সে internet/robi লিখুন। এখানে Access Number হিসাবে *99# দেয়া থাকবে আর যদি না থাকে তবে আপনাকে *99# লিখতে হবে। এখন Save এ ক্লিক করে Profile সেভ করুন এবং OK চেপে বেড়িয়ে আসুন। নিচের ছবির মতোন…

এখন মডেমে আপনার একটেল সিম ভোরে নিন আর জিপি’র ডিফল্ট Software এর Connection পেজ থেকে GP-internet এর পরিবর্তে Aktel কে Select করে Connect এ Click করুন । ব্যস হয়ে গেলে জিপি মডেমে একটেল নেট চালু।

বাংলালিংকের জন্যঃ

Profile Name এ Banglalink type করুন। APN টা Static Select করে বক্সে blweb লিখুন। এখানে Access Number হিসাবে *99# দেয়া থাকবে আর যদি না থাকে তবে আপনাকে *99# লিখতে হবে। এখন Save এ ক্লিক করে Profile সেভ করুন এবং OK চেপে বেড়িয়ে আসুন। নিচের ছবির মতোন…

এখন মডেমে বাংলালিংক সিম ভোরে নিন আর জিপি’র ডিফল্ট Software এর Connection পেজ থেকে GP-internet এর পরিবর্তে Banglalink কে Select করে Connect এ Click করুন । ব্যস হয়ে গেলে জিপি মডেমে বাংলালিংক নেট চালু।

ওয়ারিদের জন্যঃ

Profile Name এ Warid Internet type করুন। APN টা Static Select করে বক্সে internet লিখুন। এখানে Access Number হিসাবে *99# দেয়া থাকবে আর যদি না থাকে তবে আপনাকে *99# লিখতে হবে। এখন Save এ ক্লিক করে Profile সেভ করুন এবং OK চেপে বেড়িয়ে আসুন। নিচের ছবির মতোন…

এখন মডেমে আপনার ওয়ারিদ সিম ভোরে নিন আর জিপি’র ডিফল্ট Software এর Connection পেজ থেকে GP-internet এর পরিবর্তে Warid Internet কে Select করে Connect এ Click করুন । ব্যস হয়ে গেলে জিপি মডেমে ওয়ারিদ নেট চালু।

টেলিটকের জন্যঃ

Profile Name এ Teletalk type করুন। APN টা Static Select করে বক্সে gprsunl লিখুন। এখানে Access Number হিসাবে *99# দেয়া থাকবে আর যদি না থাকে তবে আপনাকে *99# লিখতে হবে। এখন Save এ ক্লিক করে Profile সেভ করুন এবং OK চেপে বেড়িয়ে আসুন। নিচের ছবির মতোন…

এখন মডেমে আপনার টেলিটক সিম ভোরে নিন আর জিপি’র ডিফল্ট Software এর Connection পেজ থেকে GP-internet এর পরিবর্তে Teletalk কে Select করে Connect এ Click করুন । ব্যস হয়ে গেলে জিপি মডেমে টেলিটক নেট চালু।

শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১১

খুব সহজেই আপনার ফেইসবুক প্রোফাইলে ব্যানার যুক্ত করুন



এ জামানায় খুব কম ইন্টরনেট ব্যবহারকারী আছেন যিনি ফেইসবুক ব্যবহার করে নি । তো ফেইসবুকের প্রোফাইল অনেকভাবেই দৃষ্টিনন্দন করা যায় । যেমন -ব্যানার যুক্ত করে , ক্রিয়েটিভ প্রোফাইল পিকচার সেট করে, আবার বিভিন্ন রকম থিম দিয়ে । তো চলুন আজ ফেইসবুক প্রোফাইলে ব্যানার যুক্ত করি । এর একটি নমুনা দেখুন---









ব্যানার যুক্ত করার জন্য আমাদের ব্যানারের ওয়েবসাইটের সাহায্য লাগবে । ব্যানার যুক্ত করার অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে । কিন্তু সকল ওয়েবসাইটই মানসম্মত নয় । আমার পছন্দের ওয়েবসাইট হল FBANNERS । প্রথমে এই লিংকে ক্লিক করুন – http://www.fbanners.com/

ফেইসবুকে লগইন করুন । এরপর উক্ত সাইটে যান । এ সাইটের প্রথমপতায় নতুন আপলোড হওয়া কিছু ব্যানার দেয়া থাকবে । পছন্দ অনুযায়ী একটির উপর ক্লিক কুন । প্রথমপাতা থেকে পছন্দ না হলে বাম পাশের Category থেকে বিভাগ করুন । সেখান থেকে পছন্দ করে এর উপর ক্লিক করুন । এবার নিচের মত কাজ করুন-
লাল চিহ্নিত বাটনে ক্লিক করুন











2. এরপর নিচের মত একটি পেজ আসবে । Done বাটনে ক্লিক করুন ।









3. ব্যস হয়ে গেল । আপনার ফেইসবুক পোফাইলে কিছু ক্ষণের মধ্যেই ব্যানার যুক্ত হয়ে যাবে ।

*** এ ওয়েবসাইটের আরো অনেক সুবিধা রয়েছে । এখানে আপনি নিজের ছবি দিয়ে ব্যানার বানাতে পারবেন । এজন্য বামপাশের Generators থেকে Create a banner এ ক্লিক করুন । না বুঝলে নিচের ছবি দেথুন -









এরকম আরেকটি সাইট হল –http://profilegen.com/ । এ সাইটেও আপনি ক্রিয়েটিভ ব্যানার পাবেন ।

ইউএসবি পোর্ট লক এবং আনলক করার নিয়ম।





অনেকে অনেক কারনে ইউএসবি পোর্ট লক করে রাখতে চায়। তার জন্যে অনেক ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন ।কিন্তু সফটওয়্যার ছাড়াই আপনার ইউএসবি পোর্ট লক এবং আনলক করতে পারেন।

তাহলে সে জন্যে যা যা করতে হবে।

ডিসএবল করার নিয়ম:



১. Start মেনু থেকে Run এ ক্লিক করুন।

২. রান বক্সে regedit টাইপ করে OK করুন।

৩. এই ঠিকানায় প্রবেশ করুন:

HKEY_LOCAL_MACHINESYSTEMCurrentControlSetServicesUsbStor

৪. রাইট প্যান থেকে Start এ ডাবল ক্লিক করুন।

৫. ভ্যালু ডাটা বক্সে 4 টাইপ করুন, Hexadecimal এ ক্লিক করুন (যদি এটা সিলেক্ট করা না থাকে), ওকে প্রেস করুন।

৬. কাজ শেষ Registry Editor ক্যানসেল করুন।



এনাবল করার নিয়ম:

১. Start মেনু থেকে Run এ ক্লিক করুন।

২. রান বক্সে regedit টাইপ করে OK করুন।

৩. এই ঠিকানায় প্রবেশ করুন:

HKEY_LOCAL_MACHINESYSTEMCurrentControlSetServicesUsbStor

৪. রাইট প্যান থেকে Start এ ডাবল ক্লিক করুন।

৫. ভ্যালু ডাটা বক্সে 3 টাইপ করুন, Hexadecimal এ ক্লিক করুন (যদি এটা সিলেক্ট করা না থাকে), ওকে প্রেস করুন।

৬. কাজ শেষ Registry Editor ক্যানসেল করুন।

Office 2007 এর ফাইলকে পাসওয়ার্ড



আমরা সবাই কম্পোজ এর কাজ করে থাকি MS Office Word দিয়ে । অনেকেই Office Word 2007 ব্যবহার করেন । যারা MS Word 2003 থেকে MS Word 2007 এ আসে , অর্থাৎ MS Word 2007 ব্যবহার শুরু করে । তারা অনেকেই জানেন না যে কিভাবে Office 2007 এর ফাইলকে পাসওয়ার্ড দিতে হয় । কেননা আগের ভার্শন থেকে এ ভার্শনের পাসওয়ার্ড দেয়ার পদ্ধতি অন্যরকম । আজ আপনাদের দেখাব কিভাবে MS Office Word 2007 এর ফাইলকে পাসওয়ার্ড দিতে হয় ।
যেকোন .doc বা .docx ফাইল ওপেন করুন ।
উপরের রিবন থেকে Microsoft Office Button এ ক্লিক করুন । এরপর Save As এ ক্লিক করুন ।







একটি নতুন উইন্ডো আসবে । উইন্ডোটির সবার নিচে অবস্থিত Tools এ ক্লিক করুন । এরপর এখান থেকে General Options এ ক্লিক করুন ।








নতুন আরেকটি উইন্ডো আসবে। এখানে দুইটি অপশন পাবেন । একটি হল Password To Open , এটা শুধু ডকুমেন্ট ওপেন করার সময় পাসওয়ার্ড চাইবে ।
অপরটি হল Password To Modify এটাতেও পাসওয়ার্ড দি্লে ডকুমেন্ট মডিফাই করার সময়ও পাসওয়ার্ড জিজ্ঞাসা করবে।








১ম বক্সে পাসওয়ার্ড দিন ।( যদি ২য় টিতে দেয়ার প্রয়োজন হয় তাহলে দিতে পারেন ) । এবার OK তে ক্লিক করুন ।
কাজ শেষ । এবার ডকুমেন্টটি খুললে পাসওয়ার্ড চাইবে । নিচের ছবির মত:





কম্পিউটার কেনার সময় প্রথমেই কয়েকটি জিনিসের প্রতি লক্ষ্য রাখবেন:






কম্পিউটার কেনার সময় প্রথমেই কয়েকটি জিনিসের প্রতি লক্ষ্য রাখবেন:

১. যেখান থেকে কিনছেন, সেই দোকান ক্রেতাদের কীরূপ গ্রাহক সেবা দেয়। এক্ষেত্রে পরিচিতরা সাহায্য করতে পারে।

২. বাজারে অনেক সময় খোলা হার্ডওয়্যার পাওয়া যায়। কখনোই এগুলো কিনবেন না।

৩. আপনি কম্পিউটার এক্সপার্ট না হলে অন্তত:পক্ষে Processor, Mainboard, RAM, HDD, ODD, Graphics Card, Casing একই দোকান থেকে কিনবেন। তারাই এগুলো সঠিকভাবে configure করে দিবে।

এখন আমি কম্পিউটারের মূল প্রত্যেকটি আলাদা part সম্পর্কে বলবো এবং এগুলো কেনার সময় কী কী বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে, সে সম্পর্কে বলবো।

Processor (প্রসেসর):

কম্পিউটারের প্রধান জিনিস। এটিই কম্পিউটারের সকল কাজ করে থাকে। মূলত একেই CPU (Central Processing Unit) বলে। প্রসেসর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল Intel এবং AMD (Advanced Micro Device)। দুইটাই ভালো, তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং technology’র দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে Intel.

প্রসেসর যেহেতু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তাই এটি কেনার সময় বিশেষ সতর্কতা নিতে হবে।

১. প্রসেসরের clock speed কত, সেটা লক্ষ্য করতে হবে। ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, প্রসেসরের প্রসেসিং ক্ষমতাও তত বেশি হবে।

২. প্রসেসরের সিরিজ কী, সেটা খেয়াল করতে হবে। সিরিজ যত উন্নত হবে, স্পিড তত বাড়বে। Intel এর প্রথম দিককার প্রসেসর এর মধ্যে রয়েছে, Pentium Series। পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে এসেছে, Celeron series, Core Series, i Series। Pentium Series এর মধ্যে, P1 (Pentium 1) এর চাইতে P2 ভালো, P2 এর চাইতে P3 ভালো আবার, P3 এর চাইতে P4 ভালো। অর্থাৎ, same clock speed এর P1 এর চাইতে P2 এর স্পিড বেশি। আবার, একইভাবে, Pentium Series এর চাইতে Core Series এর স্পিড বেশি। core series এর প্রসেসর গুলোর মধ্যে, Core 2 Quad> Core 2 Duo> Dual Core. আবার core i series এর প্রসেসর গুলোর মধ্যে, Core i7 extreme> Core i7> Core i5> Core i3।

৩. প্রসেসরে কয়টি কোর (core) এবং কয়টি থ্রেড (thread) রয়েছে, তা খেয়াল করতে হবে। কোর এবং থ্রেড এর সংখ্যা বেশি হলে স্পিড বাড়বে। এখন পর্যন্ত সবোর্চ্চ ছয়টি কোরের প্রসেসর আবিস্কৃত হয়েছে।

৪. FSB (Front Serial Bus) এর পরিমাণ লক্ষ্য করতে হবে। FSB বেশি হলে স্পিড বেশি হবে। যদিও নতুন প্রসেসর গুলোতে FSB ব্যবহার করা হয় না। এর পরিবর্তে QPI ব্যবহৃত হয়।

৫. Cache Memory (ক্যাশ মেমরি) কত, তা লক্ষ্য করতে হবে। ক্যাশ মেমরির মধ্যে প্রকারভেদ রয়েছে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ক্যাশ মেমরি হল L3 Cache.

৬. Hyper Threading Technology রয়েছে কিনা, লক্ষ্য রাখবেন। এ প্রযুক্তি Multitasking এর ক্ষেত্রে কার্যকরী ভুমিকা রাখে।

৭. Intel Processor এর ক্ষেত্রে, Turbo Boost Technology রয়েছে কিনা, তা লক্ষ্য রাখবেন। এই প্রযুক্তি প্রয়োজনের সময় প্রসেসরের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

৮. GPU (Graphics Processing Unit) রয়েছে কিনা, দেখবেন। প্রসেসরে GPU থাকলে এবং ভালো মাদারবোর্ড ব্যবহার করলে External Graphics Card দরকার হয়না। (যদি না আপনি কম্পিউটারে খুবই উন্নত মানের গেম খেলেন অথবা গ্রাফিক্স ডিজাইনিং বা HD ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি কাজ না করেন।)

[শেষ তিনটি অপশন বিশিষ্ট প্রসেসরের দাম সাধারণত বেশি হয়। সাধারণ কাজের জন্য এই সকল অপশনের প্রয়োজন নেই।]

Mainboard or Motherboard (মেইনবোর্ড বা মাদারবোর্ড):

এই বোর্ডটিতেই কম্পিউটারের সকল যন্ত্রাংশ যুক্ত থাকে। মেইনবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হল: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি। মেইনবোর্ড অবশ্যই প্রসেসর সাপোর্টেড হতে হবে। মেইনবোর্ড এর পোর্ট দুই ধরনের হয়, IDE এবং S-ATA। তবে বর্তমানে S-ATA পোর্টের মেইনবোর্ডই দেখা যায়। প্রায় সব S-ATA পোর্টের মেইনবোর্ডে অন্তত একটি IDE পোর্ট থাকে। প্রয়োজনে IDE to S-ATA converter ব্যবহারের মাধ্যমে S-ATA পোর্টের মেইনবোর্ডে IDE device ব্যবহার করা যায়। মেইনবোর্ড কেনার সময় যে যে বিষয় লক্ষ্য রাখবেন, তা হল:

১. মেইনবোর্ড যেনো প্রসেসর সমর্থিত হয়।

২. RAM এর ধরন। মেইনবোর্ডে RAM এর স্লট যেরকম হবে, সেই ধরনেরই RAM কিনতে হবে। সর্বাধুনিক RAM টাইপ হল DDR3।

৩. USB Port এর version কত। সর্বাধুনিক হল USB 3.0। [USB 3.0 পোর্ট বিশিষ্ট মেইনবোর্ড এর দাম কিছুটা বেশি]

৪. বর্তমানে সব মেইনবোর্ডেই LAN Card (Local Area Network Card) থাকে। তাছাড়া, HD audio এবং HD Video ও লক্ষ্য করা যায়। Integrated Graphics এর মান বেশি হলে ভালো হয়।

Monitor (মনিটর):

এটাই কম্পিউটারের প্রধান আউটপুট। মনিটরের জন্য ভালো ব্র্যান্ড গুলো হচ্ছে: Samsung, Philips, LG, Asus, HP, Fujitsu ইত্যাদি। মনিটর কেনার সময় নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখবেন:

LCD (Liquid Cristal Display) /LED (Light Emitting Diode) Monitor এর ক্ষেত্রে:

১. আপনার প্রয়োজন অনুসারে স্ক্রিন সাইজ সিলেক্ট করবেন। বর্তমানে অনেক মনিটরেই Built-in TV Tuner থাকে। একই সাথে কম্পিউটারের মনিটর এবং টিভির কাজ করবে এগুলো। TV Tuner না থাকলে প্রয়োজন হলে আপনি পৃথকভাবে TV Tuner কিনতে পারবেন।

২. LCD মনিটর গুলো স্কয়ার এবং ওয়াইড স্ক্রিন এই দুই ধরনের হয়। আপনার কজের প্রয়োজন অনুসারে আপনি তা select করবেন।

৩. LCD এবং LED মনিটর এর পার্থক্য হল: LED মনিটর হল উন্নত প্রকারের LCD মনিটর। তুলনামূলক ভাবে LED মনিটরে ভালো ছবি দেখা যায়। তাছাড়া, LED মনিটরে দেখতেও সাচ্ছন্দ্য বোধ হয়।

৪. কন্ট্রাস্ট রেশিও (Contrast Ratio) লক্ষ্য করবেন। এটি যত বেশি হবে, ছবির মান তত ভালো হবে, অর্থাৎ ছবি শার্প আসবে।

৫. Response Time কম হলে ভালো হয়।

RAM- Random Access Memory (র‍্যাম):

RAMও কম্পিউটারের স্পিড বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। RAMএর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হচ্ছে: Transcend, Twinmos ইত্যাদি। RAM কেনার সময় এগুলো খেয়াল রাখবেন:

১. RAM এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে কম্পিউটারের স্পিড বাড়বে। অর্থাৎ, 1 GB RAM এর চেয়ে 2 GB RAM এর স্পিড বেশি হবে।

২. RAM এর বাস ফ্রিকোয়েন্সি বেশি হলে RAM এর ক্ষমতা বাড়বে।

৩. RAM এর ধরন উন্নত হলে তা কম্পিউটারের গতি আরও বৃদ্ধি করবে। যেমন, DDR3 RAM সমপরিমাণের DDR2 RAM এর চেয়ে শক্তিশালী। তবে মেইনবোর্ডে RAM এর স্লট যেমন হবে, সেই ধরনেরই RAM কিনতে হবে।

Hard Disk Drive (HDD) (হার্ডডিস্ক):

কম্পিউটারের তথ্য এতে জমা থাকে। এটি কম্পিউটারের Virtual RAM হিসেবেও কাজ করে। এর ভালো ব্র্যান্ড হচ্ছে, Samsung, Transcend ইত্যাদি। এটি কেনার সময় নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য করবেন:

১. সাধারণভাবেই, হার্ডডিস্ক এর স্টোরেজ ক্ষমতা বেশি হলে বেশি তথ্য জমা রাখতে পারবেন। বাজারে ১৬০ GB থেকে শুরু করে ৩ TB হার্ডডিস্ক পাওয়া যায়।

২. হার্ডডিস্ক এর RPM (Revolutions Per Minute) বেশি হলে এর ডাটা ট্রান্সফার রেট বেশি হবে।

৩. মেইনবোর্ডের পোর্ট S-ATA হলে হার্ডডিস্কও S-ATA ই কিনতে হবে।

৪. এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক এর ক্ষেত্রে, আপনার মেইনবোর্ড এ USB 3.0 থাকলে USB 3.0 হার্ডডিস্ক কেনাই ভালো। কেননা, কয়েক বছরের মধ্যেই USB 2.0 উধাও হয়ে USB 3.0 এর জায়গা নিবে। লক্ষণীয়: এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক স্হায়ী HDD এর ন্যায় ব্যবহার করা যায় না, তবে ইন্টার্নাল HDD, এক্সটার্নাল HDD এর ন্যায় ব্যবহার করা যায়।

Casing (কেসিং):

কেসিং হল Mainboard, HDD, ODD সাজিয়ে রাখার জন্য বক্স। কেসিং এর জন্য ব্র্যান্ড অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে Mercury এবং Gigabyte এর কেসিং গুলো ভালো হয়। কেসিং কেনার সময় নিচের বিষয়টি লক্ষ্য করবেন:

১. কেসিং এর দাম vary করে PSU (Power Supply Unit) এর জন্য। PSU যদি বেশি watt এর হয়, তবে PSU এর দাম বেড়ে যায়। ফলে কেসিং এর দাম বেড়ে যায়। আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী PSU select করবেন। যেমন, ভালো এবং বেশি পাওয়ারের এক্সটার্নাল গ্রাফিক্স কার্ড, বড় স্ক্রিনের মনিটর ব্যবহার করলে বেশি পাওয়ার এর পাওয়ার সাপ্লাই লাগবে।

Optical Disk Drive (ODD) (অপটিক্যাল ডিস্ক ড্রাইভ):

ODD হল সিডি/ডিভিডি প্লেয়ার/রাইটার। ODD এর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল: Samsung, Asus, Lite-On ইত্যাদি। লক্ষ্য করুন:

১. বর্তমানে সিডি প্লেয়ার এবং ডিভিডি প্লেয়ার এর মূল্যে পার্থক্য খুবই কম। CD player, DVD play করতে পারেনা, কিন্তু DVD player, CD play করতে পারে।

২. আপনি চাইলে কয়েকশ টাকা বেশি দিয়ে Combo Drive অথবা DVD writer কিনতে পারেন। Combo drive হল সেইসব ODD যেগুলো CD Play, DVD play এবং CD write করতে পারে। আর DVD writer দিয়ে আপনি CD play, DVD play, CD write, DVD write সবই করতে পারবেন।

৩. মেইনবোর্ড এর পোর্ট অনুসারে ODD কিনতে হবে। (অন্যথায় converter ব্যবহার করতে হবে)

৪. ODD এর speed বেশি হলে সিডি/ডিভিডি থেকে দ্রুত ডাটা রিড হবে এবং দ্রুত ডাটা রাইট হবে।

Graphics Card (গ্রাফিক্স কার্ড) বা AGP Card(Accelerated Graphics Port Card):

ভালো গেম খেলার জন্য বা গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর কাজের জন্য ভালো গ্রাফিক্স কার্ড অত্যন্ত প্রয়োজন। গ্রাফিক্স কার্ডের মধ্যে ভালো ব্র্যান্ড হল: Asus, Gigabyte, Sapphire ইত্যাদি। এটি কেনার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করবেন।

১. V-RAM বেশি হলে ভালো গ্রাফিক্স পাবেন।

২. সাধারণ র‍্যাম এর মতই V-RAM এর টাইপ উন্নত হলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

৩. এছাড়াও, Clock rate, Memory Bus ইত্যাদি বিভিন্ন জিনিসের জন্যও গ্রাফিক্স কার্ডের ক্ষমতার পরিবর্তন হয়।

৪. আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট গেম এর প্রতি আকৃষ্ট হন অথবা নির্দিষ্ট কোন সফটওয়্যার দিয়ে কাজ করেন, তবে সেই সফটওয়্যারের requirement অনুসারে নির্দিষ্ট চিপসেটের গ্রফিক্স কার্ড কিনবেন।

Key Board (কী-বোর্ড):

কী-বোর্ড কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুইটা ইনপুট ডিভাইস এর মধ্যে এটি একটি। কী-বোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল: A4Tech, Deluxe, Mercury ইত্যাদি। এটি কেনার সময় লক্ষ্য করবেন বাংলা অক্ষর রয়েছে কিনা। (Unijoy বা Bijoy লে আউট-এ লেখার জন্য অপরিহার্য)।

Mouse বা মাউস:

অপর গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট ডিভাইস হল এটা। এর ভালো ব্র্যান্ড হল: A4Tech, Mercury ইত্যাদি।

১. কত DPI (Dots Per Inch) লক্ষ্য করবেন। DPI বেশি হলে সূক্ষ্ণ ভাবে মাউস দিয়ে কাজ করতে পারবেন।

২. ধরতে সুবিধা হয়, এমন মাউস কিনবেন।

UPS (Uninterpretable Power Supply) ইউপিএস:

বাংলাদেশে ডেস্কটপ কম্পিউটারের জন্য UPS যে অপরিহার্য তা বলার বাইরে। UPS কেনার সময় এগুলো লক্ষ্য করবেন:

১. দুই ধরনের UPS পাওয়া যায়। Online UPS এবং Offline UPS। এদের মধ্যে পার্থক্য হল, বিদ্যুৎ চলে গেলে Online UPS on হতে কোন সময় নেয় না, কিন্তু Offline UPS সামান্য সময় নেয়। সম্ভবনা কম হলেও এই সামান্য সময়ের মধ্যে কম্পিউটারের পাওয়ার চলে গিয়ে রি-স্টার্ট হতে পারে।

২. আপনার চাহিদা অনুযায়ী UPS এর পাওয়ার select করবেন। মনিটরের স্ক্রিন বড় হলে, বেশি পাওয়ারের গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার করলে, উন্নত প্রসেসর হলে বেশি পাওয়ারের UPS প্রয়োজন। দোকানে আপনার কম্পিউটারের কনফিগারেশন বললে তারা সঠিক UPS দিতে পারবে।

৩. সাধারণত একটি UPS এর Back-up time ২০-২৫ মিনিট। এর চেয়ে বেশি Back-up time এর UPS কিনতে হলে মূল্য বেশি হবে।

TV- Tuner/ TV card:

কম্পিউটারের মনিটরকে একই সাথে টিভি দেখার কাজে ব্যবহার করতে প্রয়োজন। LCD/LED টিভির মূল্য বেশি বলে অনেকেই LCD monitor এবং TV card কিনে টিভি দেখার পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছেন। তবে টিভি দেখাই যদি হয় আপনার উদ্দেশ্য, তবে LCD/ LED TV monitor ই কিনুন। এতে ফলাফল ভালো পাবেন। TV card এর সুবিধা হল, এর মাধ্যমে আপনি শুধু টিভিই দেখতে পাবেন না, অনুষ্ঠানও রেকর্ড করে আপনার হার্ডডিস্ক এ জমা করে রাখতে পারবেন। TV tuner অবশ্যই মনিটরের রেজ্যুলেশন এর সাথে সামঞ্জস্য পূর্ণ হতে হবে। শপ এ আপনার মনিটরের রেজ্যুলেশন বা মডেল বললেই তারা সঠিক টিভি কার্ড বেছে দিতে পারবেন। TV card এর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল: Avermedia, Real view, Gadmei ইত্যাদি।





Speaker বা স্পিকার:

কম্পিউটারের আরেকটি আউটপুট ডিভাইস। গানের প্রতি আপনার আসক্তি অনুযায়ী এটি কিনবেন। ২:১ এর স্পিকার হল মোট তিনটি স্পিকারের সমষ্টি, যার মধ্যে একটি বড় এবং অন্য দুইটি ছোট। বড়টি হল উফার (woofer) এবং ছোটটি হল সাব উফার (sub-woofer)। উফারটি ব্যাস সাউন্ড এবং সাব উফারটি ট্রেবল প্রদান করে। গানে আপনার ভালো আসক্তি থাকলে এক্সটার্নাল সাউন্ড কার্ড কিনতে পারেন। তবে বর্তমান প্রায় সব মেইনবোর্ড এই ৫:১ সাউন্ড কার্ড বিল্ট-ইন থাকে। ফলে আপনি ৫:১ স্পিকার ব্যবহার করতে পারবেন। তবে আরও উন্নত সাউন্ডের জন্য ৭:২ স্পিকারও ব্যবহার করতে পারেন (এর জন্য ৭:২ সাউন্ড কার্ড লাগবে)। স্পিকারের জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল Creative, Microlab, Logitech ইত্যাদি

বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১১

পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট বা পিএসইউ(PSU)



পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট বা পিএসইউ(PSU) এর বেসিক কাজ হচ্ছে আমাদের বিদ্যুৎ লাইনের থেকে ইলেক্ট্রিসিটি সংগ্রহ করে তাকে কনভার্ট করা। আমাদের বিদ্যুৎ এর লাইনে থাকে ২২০ থেকে ২৪০ ভোল্ট (নর্থ আমেরিকা, সাউথ আমেরিকার কিছু অংশে, জাপান এবং তাইওয়ান এ কিন্তু ১১০ থেকে ১১৭ ভোল্ট ) এবং তা AC মুডে থাকে। আমাদের কম্পিউটার এর পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট টি এই বিদ্যুৎ কে ১২, ৬ এবং ৩.৩ ভোল্ট- DC, তে কনভার্ট করে।

রেটিংঃ

যদিও আমরা সবাই জানি ওয়াট (watt) কি, তার পরেও আসুন অনেক দিন আগের জানা টাকে একটু ঝালাই করে নেই;

ওয়াট = ভোল্টেজ x এম্পেয়ার (W= V x A)

সাধারনত সব ধরনের কম্পিউটার এর কাজের জন্য সব ধরনের পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট এর দরকার হয় না। যেমন;
যে সমস্ত কম্পিউটার এ শুধু মাত্র টুক টাক কাজ করা হয়, (ইন্টারনেট সার্ফিং, মুভি দেখা, খুবি ছোট গেম খেলা, মাইক্রোসফট অফিস এ কাজ করা) তাদের জন্য ৩০০ ওয়াট এর একটি পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট যথেষ্ট।
মাঝারি ধরনের একটি গেমিং পিসির জন্য পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট হওয়া উচিত, ৫০০ থেকে ৮০০ ওয়াট এর।
হাই এন্ড পিসি র জন্য দরকার ৮০০ থেকে ১৪০০ ওয়াট এর পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট।
খুবি শক্তিশালি সার্ভার (বেশির ভাগ ক্ষেত্রে গেমিং সার্ভার) এর জন্য ২ কিলো ওয়াট এর পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট লাগতে পারে।

ছোট একটি অংকঃ

ধরুন আপনি একটি পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট কিনতে বাজারে গেলেন। দোকানদার আপনার সামনে দুটি পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট রেখে বললেন, আপনি যেটা নিতে চান। একই দাম দুইটার।

আপনি পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট এর গায়ে দেখলেন, দুটোর দুই ধরনের রেটিং করা, একটি তে লিখা আছে। “peak rating of550 watts at 25°C, with 25 amps (300 W) on the 12 volt line”

অপরটিতে লিখা আছে, “ continuous rating of 450 watts at 40°C, with 33 amps (400 W) on the 12 volt line”

আপনি বলুন কোনটি নেবেন ? আমি কিন্তু দ্বিতীয় টি নিবো, কেন জানেন? দেখুন ২য় টি আপনাকে সবসময় ৪৫০ ওয়াট সাপ্লাই করতে পারে, যেখানে প্রথম টি আপনাকে সর্বোচ্চ (সব সময় নয় কিন্তু) ৫৫০ ওয়াট দিতে পারে।



কার জন্য কত ওয়াট দরকারঃ
নরমাল এজিপি কার্ডঃ ২০ থেকে ৩০ ওয়াট।
পিসিআই কার্ডঃ ৫ ওয়াট
SCSI পিসিআই কার্ডঃ ২০ থেকে ২৫ ওয়াট।
ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভঃ ৫ ওয়াট
নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ডঃ ৪ ওয়াট
সিডি রম ড্রাইভঃ ১০ থেকে ২৫ ওয়াট।
র‍্যামঃ ১০ ওয়াট (প্রতি ১২৮ মেগাবাইটের জন্য)
৫৪০০ আর পি এম হার্ড ড্রাইভঃ ৫ থেকে ১১ ওয়াট
৭২০০ আর পি এম হার্ড ড্রাইভঃ ৫ থেকে ১৫ ওয়াট
মাদারবোর্ড (সিপিউ, র‍্যাম ছাড়া)ঃ ২০ থেকে ৩০ ওয়াট।



OLYMPUS DIGITAL CAMERA



গঠনঃ

বেশির ভাগ পি এস ইউ স্কোয়ার শেপ, মেটাল বক্সের মধ্যে থাকে। সাধারনত দৈর্ঘ ৮৬ মিলিমিটার; প্রস্থ ১৫০ মিলিমিটার; এবং উচ্চতা ১৪০ মিলিমিটার;

কানেক্টরঃ









কমবেশি সাত ধরনের কানেক্টর দেখাযায় এখনকার দিনের এ টি এক্স পাওয়ার সাপ্লাই এ। এগুলো হচ্ছে,

২৪ পিন এ টি এক্স (P1)ঃ মাদারবোর্ড এ পাওয়ার সাপ্লাই করে থাকে। সবচাইতে বড় এই কানেক্টরটি তে মোট ২৪ টি পিন থাকে, আসুন দেখে নেই এই ২৪ টি পিনের কোনটি কি কাজ করে,









টিপসঃ ছোট্ট একটা টিপস বলি, আপনার পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট কাজ করছে কি না, জানার জন্য, ২৪ পিন এ টি এক্স কানেক্টর টির সবুজ এবং কালো রঙ এর পিন দুটি কে সর্ট করে দিন। এবার পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট টি চালু করে দেখুন, ফ্যান ঘুরছে ? ঘুরলে আপনার পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট টি কাজ করছে। (বিঃ দ্রঃ এটি একটি খুবি প্রাথমিক পরীক্ষা।)

৪ পিন মোলেক্স (4 pin molex): কম্পিউটার এর বিভিন্ন পেরিফেরাল কে চালাবার জন্য এই ৪ পিন এর কানেক্টর টি ব্যবহার করা হয়। যেমন, হার্ড ড্রাইভ, সিডি / ডিভিডি রম ইত্যাদি। লক্ষ্যনীয় বিষয় হচ্ছে, হলুদ রঙ এর তারে +১২ ভোল্ট, লালে +৫ ভোল্ট, এবং কালো হচ্ছে গ্রাউন্ড।

৪ পিন এফ ডি ডি কানেক্টরঃ এই কানেক্টর টী শুধু মাত্র ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ এ পাওয়ার সাপ্লাই দেয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়।একে অনেক সময়, মিনি মোলেক্স বলেও ডাকা হয়। এখানেও লক্ষ্যনীয় বিষয় হচ্ছে, হলুদ রঙ এর তারে +১২ ভোল্ট, লালে +৫ ভোল্ট, এবং কালো হচ্ছে গ্রাউন্ড।

৪ পিন, পি৪_১২ভোল্টঃ এই পিন্ টি এ টি এক্স পি এস ইউ এর নতুন সংযোজন।একে পি৪ পাওয়ার কানেক্টর বলেও ডাকা হয়। পেন্টিয়াম ৪ প্রসেসর থেকে এর যাত্রা শুরু। পেন্টিয়াম ৪ প্রসেসর এর জন্য আলাদা ভাবে ১২ ভোল্ট বিদ্যুৎ প্রদান করাই এর কাজ।

সিরিয়াল এ টি এ পাওয়ার কানেক্টরসঃ আমাদের কম্পিউটার এর সাটা হার্ড ড্রাইভ এবং সাতা সিডি/ ডিভিডি রমের জন্য একটি স্পেশাল ধরনের ১৫ পিনের পাওয়ার কানেক্টর। এই ১৫ পিনের মধ্যে, ৩.৩ , ৫ এবং ১২ ভোল্ট সাপ্লাই হয়।

৬ পিন পিসিআই এক্সপ্রেস পাওয়ার কানেক্টরঃ আধুনিক যুগের গ্রাফিক্স কার্ড গুলো যে অনেক বেশি পরিমান বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, তাতো আমরা আগেই জেনে গেছি।আধুনিক বেশ কিছু গ্রাফিক্স কার্ড এর জন্য এই ৬ পিন পিসিআই এক্সপ্রেস পাওয়ার কানেক্টর, যা গ্রাফিক্স কার্ড কে আলাদা ৭৫ ওয়াট পর্যন্ত পাওয়ার দিতে সক্ষম।

৬ পিন আউক্স পাওয়ার কানেক্টরঃ এই পাওয়ার কানেক্টর টির, সাধারন কম্পিউটার এ তেমন একটা কাজে না লাগলেও বিভিন্ন ধরনের এক্সপেনশন কার্ড এ এই ধরনের পাওয়ার কানেক্টর ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

কিছু তথ্যঃ
আপনি জানেন কি, একটি পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট এর গড় আয়ু কত ? খুব বেশি না, মাত্র ১ লক্ষ্য ঘন্টা বা ১১ বছর (প্রায়)। তবে এটা নির্ভর করে, আপনি আপনার কম্পিউটার এর পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট এর কিভাবে যত্ন নিচ্ছেন। পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট টি কি বেশি গরম করে ফেলছেন ? ঠিক মতন এর গরম বাতাস যেন বের হয়ে যায়, সে দিকে লক্ষ্য রাখছেন ? এর ফ্যানে যেন ধুলা বালি না জমে তা দেখছেন তো ? ইত্যাদি।
যে কম্পিউটার সিস্টেম এ ঠান্ডা বাতাস চলাচলের সব রকমের ব্যবস্থা আছে, সেই কম্পিউটার এর পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট টি ততো ভালো থাকে।
আধুনিক পাওয়ার সাপ্লাই গুলো এমন ভাবে তৈরী যে, আপনার কম্পিউটার কে সাট ডাউন করে রাখলেও আপনার কী বোর্ড এর কী বোর্ড পাওয়ার অন (Key Board Power ON – KBPO), Wake- On- LAN, Wake-On- Ring , পদ্ধতিতে চালু করে ফেলতে পারবেন।

যে ৪টি উপায়ে আপনার ফেইসবুক পাসওয়ার্ড চুরি হতে পারে



বর্তমান যুগে ফেসবুক যেন প্রত্যেকের নিত্যদিনের সঙ্গী। প্রতিদিন অন্তত একবার করে ফেসবুক না দেখলে যেন চলেই না। আবার অনেকে তো প্রতি মুহুর্তেই মোবাইল ও বিভিন্ন উপায়ে ফেসবুকে থাকছেন। অর্থাৎ, প্রতিদিনের একটি অপরিহার্য্য অংশ হয়ে গেছে ফেসবুক। তারচেয়েও বড় ব্যাপার হলো, ফেসবুকে ব্যক্তিগত অনেক তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এছাড়াও আপনার ফেসবুকের নিরাপত্তা এতোটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, কেউ তা হাতে পেয়ে গেলে এর মাধ্যমে কেবল আপনার সম্পর্কে তথ্য চুরিই নয়, বরং আপনার চিত্রটাকেই সবার সামনে নষ্ট করে ফেলতে পারে।

ফেসবুকের পাসওয়ার্ড চুরি হয়ে গেলে কী হবে তা নিশ্চয়ই বিস্তারিত বলার প্রয়োজন নেই। আসুন জেনে নিই কীভাবে আপনি নিজের অজান্তেই ফেসবুকের পাসওয়ার্ড দিয়ে দিতে পারেন অন্যের হাতে।

ফেসবুক অ্যাপ্লিকেশন, কজ এবং বিজ্ঞাপন

এ কথা বারবারই বলা হয় যে, ফেসবুকের অসংখ্য অ্যাপ্লিকেশনের অধিকাংশই নিরাপদ নয়। কিছুদিন আগে ফার্মভিলের মতো সর্বাধিক জনপ্রিয় কিছু অ্যাপ্লিকেশন ও গেমও ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুসারে স্বীকার করেছে যে, তারা বিজ্ঞাপনের স্বার্থে তাদের ব্যবহারকারীদের কিছু তথ্য দিয়েছে। এছাড়াও অসংখ্যা অ্যাপ্লিকেশনের ভাণ্ডারে হঠাৎই হয়তো এমন কোনো অ্যাপ্লিকেশন থেকে আপনাকে রিকোয়েস্ট বা ইনভাইট পাঠানো হলো যেটা এমন পাসওয়ার্ড চুরি করে এবং এখন পর্যন্ত ধরা পড়েনি।









আসল কথা হলো, এসব অজানা-অচেনা কজ, অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদি থেকে যত দূরে থাকা যায় ততই ভালো। অন্যথায় এসবের মাধ্যমে আপনার পাসওয়ার্ড বা অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্যাদি হ্যাকারদের হাতে চলে যাওয়াসহ আপনার অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণই চলে যেতে পারে।

ফেসবুক ইমেইল ফিশিং

ইমেইলের মাধ্যমেও আবার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড চুরির শিকার হতে পারেন একটু অসতর্ক হলেই। অনেক চালাক হ্যাকাররা ঠিক ফেসবুক নোটিফিকেশনের মতো করে ইমেইল তৈরি করে এবং তা ফেসবুকের মতোই কাছাকাছি কোনো ডোমেইন থেকে ইমেইল আকারে পাঠায়। এসব ইমেইলে থাকা লিংকগুলো ক্লিক করলে যে সাইটটি ওপেন হবে সেটাও অবিকল ফেসবুকের মতোই হবে। কিন্তু মূলত এটি ফিশিং সাইট। এর ফলে, আপনার ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড নিশ্চিন্তে হ্যাকার মশাইরা পেয়ে যাচ্ছে।









এসব আক্রমণ থেকে বাঁচতে সবসময় ইমেইলের লিংকে ক্লিক করার আগে দেখে নেয়া উচিৎ তা facebook.com ঠিকানাতেই যাচ্ছে কি না। কারণ, যত যা-ই হোক। ফেসবুকের ঠিকানা ঠিক থাকলে লগইন করতে আর কোনো ঝামেলা নেই।

ফেসবুক শেয়ার বাটন

থার্ড পার্টি সাইটের বিভিন্ন কন্টেন্ট যেমন পোস্ট, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি ফেসবুকে শেয়ার করার জন্য শেয়ার বাটন যুক্ত করা থাকে। মূলত ব্যবহারকারীর সুবিধার্থেই এই ফেসবুক শেয়ার বাটনগুলো যুক্ত করা হয়। কিন্তু এই শেয়ার বাটনও কিন্তু আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড চুরির কারণ হতে পারে।

অনেক হ্যাকাররা তাদের সাইটে শেয়ার বাটন নিজেরা যোগ করে এবং সেখানে ক্লিক করলে যেই সাইট ওপেন হয়, সেটা ফেসবুকের মতো দেখতে হলেও তা আসলে ফিশিং সাইট। আপনি ফেসবুক মনে করে লগইন করার চেষ্টা করতে গেলেই আপনার পাসওয়ার্ড চলে যাবে তাদের হাতে।









এক্ষেত্রেও আপনি যদি সতর্ক থাকেন তাহলে ফিশিং সাইট এড়াতে পারবেন। কেবল খেয়াল রাখবেন যেই লিংকে ক্লিক করছেন, তা facebook.com কি না।

পাবলিক কম্পিউটারে লগইন

সাইবার ক্যাফে বা এ জাতীয় পাবলিক কম্পিউটারে লগইন করার সময়ও সতর্ক থাকতে হবে। সাইবার ক্যাফে থেকে লগইন করার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হচ্ছে কি-লগার। অনেক সফটওয়্যার আছে যেগুলো কম্পিউটারে থাকলে আপনি ব্রাউজিং করার সময় ব্যবহৃত সব পাসওয়ার্ড সেইভ করে ফেলে। তবে ফায়ারফক্স বা ক্রোম ব্যবহার করলে এই ঝুঁকি থাকে না বলেই জানা গেছে। তবে আরেকটি সাধারণ ভুল অনেকেই করেন তা হলো remember me/keep me logged in বক্সে টিক দিয়ে লগইন করেন। অথবা পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করার অনুমতি চাইলে অনেকে না বুঝেই বা তাড়াহুড়োয় সেইভ করে ফেলেন। এতে করে আপনার অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড চুরি না হলেও আপনার অ্যকাউন্টে অন্য কেউ অ্যাক্সেস পেয়ে যাচ্ছে যা সমানভাবেই ক্ষতিকর।









অতএব, আমাদের সবারই উচিৎ কেবল ফেসবুকই নয়, বরং ইমেইলসহ যাবতীয় সব পাসওয়ার্ড নিরাপদ রাখার ব্যাপারে সতর্ক হওয়া এবং বিশেষ করে কোনো সাইটে লগইন করার আগে বা পাসওয়ার্ড দেয়ার আগে এবং ইমেইলে আসা লিংকে ক্লিক করার আগে নিশ্চিত হয়ে নেয়া যে ইমেইলটি বা ওয়েবসাইটটি ফিশিং সাইট নয়। তাহলে ফেসবুকসহ যাবতীয় সব পাসওয়ার্ড নিরাপদ রাখা সম্ভব হবে।

মাইক্রোওয়েভ ওভেন যেভাবে কাজ করে



প্রথম প্রথম খুব অবাক লাগত যে, আমি প্লেটে করে খাবার দিচ্ছি ওভেনে। খাবার গরম হচ্ছে, কিন্তু প্লেট গরম হচ্ছে না। কিন্তু এটা কিভাবে সম্ভব? কারণ ওভেন থেকে যে গরম বাতাস খাবারকে গরম করার কথা, তা তো একই সাথে প্লেটটিকেও গরম করার কথা! কিন্তু সেরকম তো হচ্ছে না!



যারা যন্ত্রটি সম্পর্কে সামান্য জানেন তারা ইতিমধ্যে বুঝতে পেরেছেন আমার উপরের ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল! ওভেনে আসলে এরকম কোনই যন্ত্র নেই যা থেকে কোন গরম বাতাস বের হয়ে খাবারকে গরম করে।

আসলে ‘মাইক্রোওভেন’ এই নামটিতেই অনেকটা এর কাজের মূলনীতি লুকানো আছে। কি? ধরতে পারলেন না? ইংরেজিতে ব্যাপারটি পরিস্কার বুঝতে পারবেন।

Micro + wave + oven = Microwave oven (যাকে আমরা সচরাচর ‘মাইক্রোওভেন’ নামে ডেকে থাকি)।

মাইক্রোওভেন এ আসলে মাইক্রোওয়েভস এর মাধ্যমে খাবার গরম করা হয়। সাধারণত 2500 মেগা হার্জ বা 2.5 গিগা হার্জ এর তরঙ্গ ব্যবহার করা হয় এসব যন্ত্রে। এই কম্পাঙ্কের তরঙ্গের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে। তা হল এই কম্পাঙ্কের তরঙ্গ কেবলমাত্র পানি, চর্বি এবং চিনি জাতীয় বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। আর শোষিত হওয়া মাত্রই তরঙ্গটি আনবিক তাপগতিতে পরিণত হয় এবং বস্তুটিকে গরম করে। সিরামিক, গ্লাস এবং অধিকাংশ প্লাস্টিক এই তরঙ্গ শোষণ করতে পারে না, আর এই জন্যই ওভেনে পাত্র গরম হয় না এবং শক্তিরও অপচয় হয় না। এক ঢিলে দুই পাখি মারা আর কি।

মাইক্রোওভেনে কখনও ধাতব পাত্র ব্যবহার করা উচিত নয়। এটি বলা হয়ে থাকে কারণ ধাতব পাত্র মাইক্রো ওয়েবকে প্রতিফলিত করে এবং খাবার কে গরম হতে বাধা দেয়।

বায়োস সেটিং বা পাসওয়ার্ড ভাঙ্গার ৫ টি উপায়



বায়োস পাসওয়ার্ড দেওয়া হয় সাধারনত কিছু অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য। অনেকেই এটা ইউজ করেন বায়োস সেটিং রোধে বা বুটিং রোধে। কিন্তু মাঝে মাঝে এই অতিরিক্ত নিরাপত্তাই বিরক্তির কারন হতে পারে যদি আপনি পাশওয়ার্ড ভুলে যান বা কেউ উদ্দেশ্য প্রনীতভাবে এটা পরিবর্তন করে ফেলে। কিন্তু ত্যাতে ভয় পাবার কোন কারন নেই।

যে সকল উপায়ে বায়সের পাশওয়ার্ড রেসেট/রিমোভ বা বাইপাশ করা যায় তা হলঃ



* CMOS খুলে

* মাদারবোর্ড এর jumper ব্যবহার করে

* MS DOS কমান্ড ব্যবহার করে

* সফটওয়ার ব্যবহার করে

* ব্যকডোর BIOS পাশওয়ার্ড ব্যবহার করে

বিঃদ্রঃ এই পোষ্টটটি অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীদের জন্য। এটা সাধারন ব্যবহারকারী/হ্যাকারদের জন্য প্রযোজ্য নহে। অনুগ্রহ করে এটা প্রয়োগ করবেননা যদি আপনি হার্ডওয়ার এর কাজের সাথে পরিচিত না হন। কোন ধরনের সমস্যা বা ক্ষয়ক্ষতির জন্য লেখক দায়ী নন। তাই এটা অনুসরন করুন নিজ দায়িত্বে।

১. CMOS ব্যটারিঃ




প্রথমে পিসির পাওয়ার আন-প্লাগ বা বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করুন
তারপর স্বযত্নে সিপিইউ এর কেসিং খুলুন
ভিতরে খুব ভাল ভাবে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন যে ভিতরে মাদার বোর্ডের মধ্যে একটা পাতলা সিলভার কালারের CmoS ব্যাটারি আছে।
সেখান থেকে সিমস ব্যাটারিটি খুলে আনুন, এবং ১৫-২৫ মিনিট এটাকে অন্যত্র রেখে দিন।
এরপর আবার একই ভাবে সিমস ব্যাটারিটি আগের যায়গায় সেট করে দিন।
আশা করি আপনার বায়োসের পাশওয়ার্ড রিসেট হয়ে গেছে। যদি না হয় সেক্ষেত্রে এটাকে ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত ও রাখাওতে হয় কোম্পানি ও কেইস ভেদে।



২. মাদারবোর্ডের Jumper ব্যবহার করেঃ

কম বেশি সব মাদারবোর্ড এরই জাম্পার আছে যা সিমসের সব সেটিংস ক্লিয়ার করতে পারে বায়োস পাশওয়ার্ড সহ। মাদারবোর্ডের ব্র্যান্ডের উপর নির্ভর করে এই জাম্পারের অবস্থান নির্ভর করে। মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল পড়ে আপনি এটা জানতে পারেন বা নেটে সার্চ দিয়ে। আর ম্যানুয়াল না থাকলে আপনি ফিজিকালি দেখেতে পারেন সিমোস ব্যাটারির আশে পাশে। অধিকাংশ ম্যানুফেকচারার এরই CLR, CLEAR, CLEAR CMOS, ইত্যাদি দ্বারা লেভেল করে থাকে। জাম্পার খুজে পেলে সাবধানে এবং ভাল ভাবে খেয়াল করে দেখুন জাম্পারটি ৩ পিন বিশিষ্ট একটা সেটের মাঝের পিনের সাথে অন্য ডানের বা বামের পিনের সাথে কানেক্ট করা।







আপনাকে যা করতে হবে জাম্পারটি খুলে নিয়ে ঠিক মাঝের পিনের সাথে বিপরীত পিন কানেক্ট করিয়ে দিন।যেমন ১ ২ ৩ টি পিন হয়, এবং প্রথমে যদি ১ ২ কানেক্টেড থাকে পরে খুলে আপনাকে ২ ৩ কানেক্ট করিয়ে দিতে হবে। এখন কিচুক্ষন(মিনিট খানেক) অপেক্ষা করুন। তারপর আবার আগের মত লাগিয়ে দিন। তবে অবশ্যই খেয়াল করবেন যেপিসি খোলার পুর্বে এবং জাম্পার পরিবর্তনের সময় যেন পিসির পাওয়ায় সাপ্লাই ইউনিট বন্ধ থাকে।

৩. MS DOS কমান্ড ব্যবাহার করেঃ

এই পদ্ধতি কাজ করবে তখনই যখন আপনার সিষ্টেম চালু থাকবে, কারন এটা কাজ করতে হয় MS DOS এ। কমান্ড প্রম্পট ওপেন করুন ষ্টার্ট করুন START>>RUN>>cmd>>Enter। তারপর একে একে নিচের কমান্ড গুলো দিন।




debug

o 70 2E

o 71 FFquit




লক্ষ্য করুনঃ এখানে প্রথম লেটারটি ইংরেজি o কেউ ভুলেও এটাকে অংক 0 মানে শূন্য মনে করবেন না। উপরের কমান্ড গুলো দেবার পরে আপনার সিষ্টেম রিষ্টার্ট দিন। কাওরন এই কমান্ডগুলো আপনার সিমোস সেটিং রেসেট করে দিবে সাথে সাথে পাশওয়ার্ড ও। আপনি যদি জানতে চান কিভাবে এটা কাজ করছে তাহলে শুনুন।

এই পদ্ধতিতে আমরা MS DOS এর ডিবাগ টুলস ইউজ করি। o ক্যরেক্টারটি কমান্ডগুলোর প্রথমে বসে IO পোর্টের আউটপুট ভেলু বুঝায়। ৭০ ও ৭১ বুঝায় পোর্ট নাম্বার যা সিমোস মেমরিতে প্রবেশে ব্যবহৃত হয়। FF দ্বারা আমরা সিমোসকে বলি যে অখানে ইনভেলিড চেকসাম আছে, আর এই কমান্ডের সাথে এটাকে রেসেত করে যা বায়স পাশওয়ার্ডকেও রেসেট করে।

৪. সফটওয়ার ব্যবহার করেঃ

অনেক সফটওয়ার আছে যেগুলো সিমোসের সেটিংস বা পাশওয়ার্ড অথবা দুইটাই করতে পারে মুহুর্তের মধ্যেই। কিন্তু ঐ যে উপরে উল্লেখ করেছি, এটা করতে হলে আপনাকে পিসির এডমিন একাউন্টে ঢুকে থাকতে হবে যেখান থেকে এটা উইন্ডোজের ডসে কাজ করবে।

CmosPwd [http://www.facebook.com/topic.php?uid=84918604377&topic=16150]

৫. ব্যাকডোর বায়োস পাশওয়ার্ড দিয়েঃ

অনেক মাদারবোর্ড প্রস্তুতকারী কোম্পানি একটা পাশওয়ার্ড দিয়ে রাখে যা মাষ্টার পাশওয়ার্ড হিসেবে পরিচিত। এই মাষ্টার পাশওয়ার্ড শুধু মাত্র টেষ্ট ও ট্রাবলশুট করার জন্য তৈরী করা হয়। চলুন নিচে থেকে জেনে নিই বেশ কিছু কোম্পানির পাশওয়ার্ড।

AMI এর বায়োস পাশওয়ার্ডঃ




A.M.I.

AAAMMMIII

AMI?SW

AMI_SW

AMI

BIOS

CONDO

HEWITT RAND

LKWPETER

MI

OderPASSWORD

AWARD এর বায়োস পাশওয়ার্ড




01322222

589589

589721

595595

598598

ALFAROME

ALLy

aLLy

aLLY

ALLY

aPAf

_award

award

AWARD_SW

AWARD?SW

AWARD SW

AWARD PW

AWKWARD

awkward

BIOSTAR

CONCAT

CONDO

Condo

d8on

djonet

HLT

J64

J256

J262

j332

j322

KDD

Lkwpeter

LKWPETER

PINT

pint

SER

SKY_FOX

SYXZ

syxz

shift + syxz

TTPTHA

ZAAADA

ZBAAACAZJAAADC

PHOENIX এর বায়োস পাশওয়ার্ডঃ




BIOS

CMOS

phoenixPHOENIX

Misc এর কমন পাশওয়ার্ডঃ




ALFAROME

BIOSTAR

biostar

biosstar

CMOS

cmos

LKWPETER

lkwpeter

setup

SETUP

Syxz
Wodj


অন্যান্য ম্যানুফেকচারারের BIOS পাশওয়ার্ডঃ




Biostar – Biostar

Compaq – Compaq

Dell – Dell

Enox – xo11nE

Epox – central

Freetech – Posterie

IWill – iwill

Jetway – spooml

Packard Bell – bell9

QDI – QDI

Siemens – SKY_FOX

TMC – BIGO

Toshiba – Toshiba

VOBIS & IBM – merlin
আজকালকার অভিনেতা অভিনেত্রীদের মূল্যবোধে যেন মরিচা ধরে গেছে।৫ বছর আগেও অভিনেতা অভিনেত্রীদের অভিনয় পরিবারের সবাইকে মুগ্ধ করতো... Cast:(কাস্ট):অভিনেতা অভিনেত্রীবূন্দ Rust(রাস্ট):লোহার গায়ে যে মরিচা পড়ে

আমার এক আত্নীয়ের বিয়ের অনুসঠানে bride(কন্যা) বসে ছিল তখন bridegroom(বর) ঝড়ের বেগে ঘোড়ার গাড়ীতে এসে হাজির,যেন মনে হল তাদের ঘোড়ার লাগাম(Bridle) ছুটে গেছে...তাই জেনে রাখুন... Bridle(ব্রাইডল):ঘোড়ার লাগাম...। ২)ক্ষীণ দেহের man কে বামন বলা হয়... man-ক্ষীণ আর manikin এর মধ্যে মিলটা খুঁজে পেলেই আপনার word টা আত্মস্থ হয়ে যাবে... #Manikin[ম্যানিকিন]n: বামন ।
বাংলাদেশেই এ মুহূর্তে ২১ লাখের বেশি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে। এত যে জনপ্রিয়তা, সে কারণেই ফেসবুক শুধু ব্যক্তিগত যোগাযোগের গণ্ডিতে আর আবদ্ধ নেই। সামাজিক, রাজনৈতিন আন্দোলন বা জনমত গড়ে তোলার হাতিয়ার হয়ে উঠেছে অনলাইনের এই মাধ্যমটি। ফেসবুকের এমন ব্যবহারই সবার কাম্য।
আবার যে কথা খোলা ময়দানে বলা যাচ্ছে না, কিন্তু তা দেশ-সমাজ ও সংস্কৃতির সংস্কারে বা উন্নতিতে প্রয়োজন—সে বিষয়ে সহজেই ব্লগে একটি লেখা সম্ভব। চাইলেই নিজের স্বাধীন মত প্রকাশ করা সম্ভব। অনলাইন, সামাজিক যোগাযোগ, ব্লগ—এ বিষয়গুলো আমাদের দেশে নতুনই বলা যায়। তবে এসবের অপব্যবহারও ইদানীং দেখা যায়। সাম্প্রতিক কালে দেখা গেছে, একটি মেয়ের পারিবারিক অ্যালবাম থেকে ছবি সরিয়ে ফেসবুকে ও ব্লগে প্রকাশ করা হয়েছে। এরপর তাতে নানা ধরনের অরুচিকর মন্তব্য লেখা হয়েছে। কয়েকজন ব্লগার এর ওপর ভিত্তি করে এমন সব ব্লগ লিখেছে, যা রীতিমতো তাদের বিকৃত মানসিকতার প্রকাশ ঘটায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বললেন, ‘হঠাৎ একদিন দেখলাম, আমার ছবিতে অশ্লীল শব্দ ট্যাগ করা। লজ্জায় মাথা নুয়ে এল। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিলাম।’
নাদিয়া (ছদ্মনাম) বললেন, ‘অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের আপত্তিকর ছবি বা ভিডিও আমার ফেসবুকের ওয়ালে দেখা যায়। এসবের কারণে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়। ব্লগগুলোতে মাঝেমধ্যে এমন সব ভাষা ব্যবহার করা হয়, যা রুচির পরিচয় দেয় না। এসব দেখলে মনে হয় না ভালো কিছু লিখি। আর স্বভাবতই মানুষের এসব পড়ার প্রতি আকর্ষণ বেশি। নারীসংক্রান্ত কিছু হলে তো কথাই নেই, অনেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ে। যেন এসব মন্তব্য করলেই সমাজ শুদ্ধ হবে। এতে যে আরেকজনকে হেয় করা হচ্ছে, সেটি তারা ভাবে না। তাৎক্ষণিক একটা বিকৃত উল্লাসে তারা মেতে ওঠে। ভাবে, এই নারীকে হেয় করতে পারলেই সমাজের নারীকুলকে উদ্ধার করা সম্ভব।’
দেশের স্বনামধন্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন সেরিন (ছদ্মনাম)। পাশাপাশি শখের মডেলিংও করেন। বললেন, ‘এক বন্ধুর কাছে ফটোসেশন করেছিলাম। ছবিগুলো তার ফেসবুকের অ্যালবামেই ছিল। সেখান থেকে কে বা কারা বেশ কয়েকটি পর্নোসাইটে আমার ছবি দিয়ে দেয়। এরপর কী হয়েছিল, সেটি আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এতে একদিকে যেমন ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হচ্ছে, অন্যদিকে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে তারা। শখের মডেলিং বন্ধ হয়ে গেল। বাসা থেকে সবকিছুতে নিষেধাজ্ঞা জারি হলো। মরে যেতে ইচ্ছে হলো আমার। এ কেমন সমাজে বাস করছি।
‘কিন্তু মেয়ে দেখলেই এমন করতে হবে কেন? এর কি সত্যিই কোনো সমাধান নেই?’
এ বিষয়ে রায়ানস আর্কাইভস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী আহমেদ হাসান বলেন, ‘ব্লগ, ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে আমরা যা দেখি, তা আমাদের সমাজের প্রতিচ্ছবি। অনেক সময় মুখোশের আড়ালে আসল মানুষটা বেরিয়ে আসে। স্বচ্ছভাবে তাকে দেখতে পাওয়া যায়। সমাজের বৈকল্য স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। অনেকে মেয়েদের ছবি বিকৃত করে। বিভিন্ন পর্নোসাইটে তার অনুমতি ছাড়া ছবি দিয়ে দেয়। এসব বিকৃত মানসিকতার প্রকাশ। আবার কোনো মেয়েকে কেন্দ্র করে কিছু ঘটলে সব পুরুষ সেখানে ঝাঁপিয়ে পড়ে, মানুষ হিসেবে তাকে দেখে না। এটা নারীকে পণ্য হিসেবে দেখার যে প্রবণতা, এটি তার আরেকটি বহিঃপ্রকাশ। ওয়েব প্রতিবাদ-প্রতিরোধ ও প্রতিক্রিয়াশীলদের মুক্ত বিচরণভূমি। ফলে যাঁরা শুদ্ধচিন্তা করেন এবং প্রগতিশীল, তাঁদের দায়িত্ব সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সক্রিয় হয়ে ওঠা। অনলাইনে তৈরি হওয়া এই সমাজকেও শুদ্ধ করার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতে হবে বিশিষ্টজনদের। তাঁদের ব্লগসাইটে অনেক বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। তাহলেই এই বিকৃত মানসিকতার লোকেরা অবদমিত হবে।
‘মুক্তচিন্তার প্রকাশের মাধ্যম হলেও অন্যকে হেয় করবে, এমন কোনো লেখা প্রকাশ করা যাবে না। কর্তৃপক্ষকে যথাযথ সঞ্চালক বা মডারেটরের মাধ্যমে এসব ব্লগ বিবেচনায় নিতে হবে। এ ছাড়া ফেসবুকে নিজের মডারেটর নিজেকেই হতে হবে। যাতে ওয়ালে কোনো আজেবাজে লেখা না থাকে। অন্যরা দেখতে না পায়। কারও এ ধরনের প্রবণতা থাকলে শুরুতে সতর্ক করে দিতে পারেন। তাতে কাজ না হলে বন্ধুতালিকা থেকে বাতিল করে দেন।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মোশাহিদা সুলতানা বলেন, শুধু ভার্চুয়াল জগতে নয়, বাস্তব জীবনেও এসব পুরুষের বিকৃত মানসিকতার শিকার হন নারীরা। নারীর প্রতি পুরুষের আকর্ষণ থাকবে। এটি খুব স্বাভাবিক। কিন্তু সীমা ছাড়িয়ে গেলে তা নারীর জন্য লাঞ্ছনার শামিল হয়। যেসব পুরুষ প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে বা নিপীড়ক হিসেবে নারীকে হেনস্তা করে, তাদের কাউন্সেলিং করা প্রয়োজন। তবে পরিবার থেকেই এর শুরু হতে হবে। এর জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকতে হবে। দেখতে হবে, এসব সামাজিক যোগাযোগের সাইটে কোন পর্যায়ে গেলে তা নারীর নির্যাতন হয়। যথাযথ আইন প্রণয়ন করতে হবে, সে সম্পর্কে সবাইকে জানাতে হবে। অন্য কোনো নির্যাতন বা হুমকির সম্মুখীন হলে থানায় গিয়ে জিডি করা যায়। কিন্তু এসব মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার হলে জিডি করার কোনো নিয়ম আছে কি না, তা জনগণকে জানাতে হবে। সাইবার ক্রাইম নিয়ে আইন থাকলেও সে সম্পর্কে সাধারণ মানুষের তেমন সচেতনতা নেই। আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, আইন হলেও এর যেন কোনো অপব্যবহার না হয়। নারীকে অপদস্থ করে তারা আনন্দ পায়। এটা কোনো কোনো পুরুষের নৈতিক অবক্ষয়ের আরেকটি প্রকাশ। মনে রাখতে হবে, এর মাধ্যমে কোনো কিছু অর্জন করা যায় না। তবে আইনের সঠিক ব্যবহার হলে শাস্তির ভয় থাকে।
পাইল্যাবস বাংলাদেশ লিমিটেডের মাহমুদুল হাসান বলেন, এই সমস্যা এক দিনে সমাধান করা যাবে না। মানুষের মানসিকতা, মূল্যবোধ ও আচার আচরণ সংযত করতে হবে। পরিবার থেকে যদি এসব শিখে আসে, তাহলে তার পক্ষে এ ধরনের কাজ করা সম্ভব নয়। সেখানেই নারীকে সম্মান দিতে শেখাতে হবে।
অন্যকে শ্রদ্ধা করার বিষয়টি শেখানো যাবে না। এ নিয়ে ফেসবুক ব্লগে ইতিবাচক পোস্ট লিখতে হবে। এ ধরনের জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালাতে হবে। এ ছাড়া অনলাইন মানববন্ধন করা যেতে পারে। এতে সৃজনশীলতার প্রকাশ ঘটবে।
১)অতন্দ্র প্রহরী কোথায় অবস্থিত? ক)পাবনা ২)বীর বাংগালী কোথায় অবস্থিত? ঘ)খুলনা ৩)রক্তসোপান কোথায় অবস্থিত? গ)গাজিপুর ৪)চেতনা-৭১ কোথায় অবস্থিত? খ)কুস্টিয়া ... ৫)সংসপ্তক এর স্থপতি কে? খ)হামিদুজ্জামান খান ৬)স্বাধীনতা এর স্থপতি কে? খ)হামিদুজ্জামান খান ৭)ক্যাকটাস এর স্থপতি কে? খ)হামিদুজ্জামান খান ৮)অমর একুশে এর স্থপতি কে? ক)জাহানারা পারভিন ৯)শাপলা চত্বর এর স্থপতি কে? গ)আজিজুল জলিল পাশা ১০)সাম্পান ও কদম ফোয়ারা এর স্থপতি কে? ঘ)নিতুন কুন্ডু
#গত কুরবানি ঈদে এক কসাই এসেছিল...যে নিজেকে খুব চালাক(Clever-ক্লেভার) বলে দাবি করে কিন্তু দেখা গেল সে ছুরি(Cleaver-ক্লীভার) আনতে ভুলে গেছে Clever-(ক্লেভার)-চালাক Cleaver-(ক্লীভার)-কসাইয়ের ছুরি #গুরু আজম খানের গানটা মনে আছে নিশ্চয়..."আলাল ও দুলাল সাইকেল চড়ে ওর মেরে পৌছে বাড়ী" একটু খটকা লাগছে...Oar(ওর)=Paddle(প্যাডল)=বৈঠা
আমাদের দেশে শীতকাল বড় হ্রস্ব; তবু বাইরে ঠান্ডা পড়ে, মাঝেমধ্যে বেশ পড়ে, হিমশীতল। সে জন্য শীতকাল স্বাস্থ্যকর হবে না কেন? শরীর যখন লুকিয়ে ঢুকতে যায় ওম গরমে; আবহাওয়া যা-ই হোক, সুস্থ ও সবল থাকা চাই।

ঘুম যেন হয় ঠিকমতো
স্লিপ কাউন্সিলের মুখপাত্র জেসিকা আলেক্সান্ডার বলেন, সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমের পরামর্শ থাকলেও আমরা সাড়ে ছয় ঘণ্টার বেশি ঘুমাই না তেমন। শরীর ও স্বাস্থ্যের জন্য রাতে সুনিদ্রা বড় প্রয়োজন। শীতকালে আমরা স্বাভাবিকভাবে বেশি ঘুমাই—রাতও লম্বা। এ সময় নিদ্রাকাল বাড়লেই ভালো।

দুধ খাবেন বেশি
শীতের সময় ঠান্ডা-সর্দি লাগার আশঙ্কা অনেক বেশি। তাই দেহ প্রতিরোধব্যবস্থা যাতে টিপটপ থাকে, তা নিশ্চিত করা চাই। দুধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্য যেমন—দই, পনির এসব খাওয়া ভালো। প্রোটিন, ভিটামিন ‘এ’ ও ‘বি১২’-এর ভালো উৎস। ক্যালসিয়ামেরও ভালো উৎস। হাড়ও থাকে মজবুত। ননি তোলা দুধ, লো-ফ্যাট দই বেছে নিতে হয়।

বেশি বেশি খাবেন ফল-সবজি
বাইরে বেশ ঠান্ডা ও অন্ধকার, তখন অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত ফাস্টফুড খেতে যেন মন চায়; কিন্তু মনে রাখতে হবে, স্বাস্থ্যকর খাবার খেতেই হবে। প্রতিদিন প্রচুর ফল-সবজি খাওয়া চাই। খুব মিষ্টি কিছু খেতে যদি মন চায়, তাহলে মিষ্টি শুকনো ফল খেজুর নয় কেন?
শীতের সবজি—ফুলকপি, বাঁধাকপি, স্কোয়াস, শিম, বরবটি, গাজর, ওলকপি ও মুলা কতভাবেই খাওয়া যায়—ভাপে সেদ্ধ, ঝোল, স্যুপ, নিরামিষ। বাহারি ফল খাবেন।

পরিবারের জন্য নতুন সব আউটডোর কাজকর্ম
শীতের দিন-রাত অলস জীবনযাপনের জন্য নয়। লেপমুড়ি দিয়ে বসে থাকা চলবে কেন? বরং পরিবারের সবাইকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন না—বেড়িয়ে আসুন দূরে কোথাও। শীতের সময় ভ্রমণেও মজা। নতুন কোনো খেলা বা সমুদ্রতীরে হাঁটুন, দৌড়ান। দড়িলাফ দিন। পাহাড় বেয়ে ওঠা। নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীরের ওজন ঠিকঠাক থাকে। দেহ প্রতিরোধব্যবস্থা হয় উজ্জীবিত।
ঘরের ভেতরে থাকতে থাকতে মন কেন হাঁপিয়ে উঠবে? বেরিয়ে পড়ি, টেনশন যাবে উবে।

চাই স্বাস্থ্যকর প্রাতরাশ
সকালে পরিজ বেশ মজা হবে খেতে। শীতের সকালে এক বাটি পরিজ। দুধ-মুড়ি, খই-দুধ, মুড়ির নাড়ু বেশ মজা। সঙ্গে ফল, ফলের রস। রুটি, ডিম, ভাজিও চলে মাঝেমধ্যে। প্রাতরাশে শর্করা ও প্রোটিন থাকা চাই। শ্বেতসার ও আঁশ। সবজিও পাওয়া যায়—পেট ভরা থাকে দীর্ঘক্ষণ। মধ্য সকালে ভরপেট নাশতার লোভ চলে যায় ভরপেট প্রাতরাশ খেলে। ওটমিলও বেশ ভালো প্রাতরাশ। ভিটামিন ও খনিজের ভালো উৎস।
পরিজ: কোয়াকার ওটস ও ননি তোলা দুধ দিয়ে সঙ্গে যোগ হোক শুষ্ক ফল—চাকচাক করে কাটা কলা, চিনি বা নুন যোগ করা নয়।

মজায় মজায় ইংরেজী শিখাঃ 2

#আপনাদের মধ্যে অনেকেই হয়ত বাইক চালান।যাই হোক একবার বড়মামার সাথে বাইকে ঘুরতে গিয়েছিলাম।মামা সচরাচর হেলমেট পরেন না...কিন্তু মাঝপথে উঠল (ঝড়), মামা তাড়াতাড়ি হেলমেট পড়ে (ভাইঝর) নামিয়ে দিলেন... Visor-(ভাইঝর)-হেলমেটের যে অংশ চেহারা ঢেকে রাখে #জাল(পাকিস্তান) এবং স্নেয়ার(ফিনল্যান্ড) ব্যান্ডের নাম শুনেছেন নিশ্চয় Snare(স্নেয়ার)-জাল/ফাঁদ
১)কোথায় স্বাধীনতার ইশতেহার ঘোষণা করা হয়? গ)পল্টন ময়দান ২)কখন স্বাধীনতার ইশতেহার ঘোষণা করা হয়? ক)৩ মার্চ ১৯৭১ ৩)প্রথম অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন? খ)সৈয়দ নজরুল ... ৪)বীরউত্তম কতজন? ঘ)৬৮ ৫)বীরবিক্রম কতজন? ঘ)১৭৫ ৬)বীরপ্রতীক কতজন? ক)৪২৬ ৭)অস্থায়ী সরকারেরে সচিবালয় কোথায় ছিল? খ)কল্কতা ৮)বাংলাদেশকে স্বীক্রতি প্রদানকারী প্রথম আরব দেশ কোনটি? গ)ইরান

মজায় মজায় ইংরেজী শিখাঃ 1

#Butter=মাখন আমরা সবাই জানি।Batter মানে জানেন কি?প্রায় একই... Batter-(ব্যাটার)=ময়দা,মাখন,ডিম,দূধ দিয়ে তৈরি মন্ড যা দিয়ে কেক তৈরী হয়। #টিভিতে Surf Excel এর advertisemenet টা দেখেছেন নিশ্চয়... "-গেট আউট এভরিবডি,কি করছো এখানে? -মিস,কাল স্যাক রেস(বস্তা দৌড়) আছে তো তাই.... ........দাগ থেকে যদি ভাল কিছু হয় তাহলে দাগ ভাল।" তাহলে Sack(স্যাক)=বস্তা ****Knapsack(ন্যাপস্যাক)=প্রয়োজনীয় জিনিস বহন করার জন্য পিঠে যে থলি নেয়া হয়
1. সুলতানি যুগের অপর নাম কি? B. গৌড়ীয় যুগ 2. পারস্য কবি হাফিজকে কে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল? A. গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ 3. বিমল ঘোষ এর ছদ্ম নাম কি? D. মৌমাছি 4. মহাকাব্য "মহাশ্মশান" পানিপথের কোন যুদ্ধ অবলম্বনে রচিত? C. তৃতীয়
5. দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম নাটিক কোন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়? A. বাংলা প্রেস
6. দীনবন্ধু মিত্র রচিত নাটক কোনটি? C. নীল দর্পণ
7. বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট রচিয়তা কে? B. কায়কোবাদ
8. শওকত ওসমান রচিত নাটক কোনটি? B. কাকর মনি
9. কোন বাক্যে নাম পুরুষের ব্যবহার করা হয়েছে? A. ওরা কি করে?
10. আগার অর্থ কি? B. ঘর
11. "ত্রিশম্ক অবস্থা" বাগধারার অর্থ কি? D. মধ্যাবস্থা
12. "মৃগাম্ক" এর সমার্থক শব্দঃ C. চাঁদ
13. থামার প্রয়োজন নেই কোন যতি চিহ্নে? A. হাইফেন
14. "গলায়গামছা" কি সমাস? D. অলুক বহুব্রীহি
15. বাঙালীর লেখা বঙ্গাক্ষরে মুদ্রিত প্রথম মৌলিক গ্রন্থঃ C. রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র

কিছু ভৌগলিক উপনামঃ

# নিশিত সূর্যের দেশঃ নরওয়ে # প্রাচীরের দেশঃ চীন # মন্দিরের শহরঃ বেনারস # মরুভূমির দেশঃ আফ্রিকা
# মার্বেলের দীপঃ ইতালি
# মুক্তার দ্বীপঃ বাহরাইন
# মুক্তার দেশঃ কিউবা
# সম্মেলনের শহরঃ জেনেভা
# স্বর্ণ নাগরীঃ জোহান্সবার্গ।
# পৃথিবীর ছাদঃ পামির মালভূমি
# ইউরোপের ক্রীড়াঙ্গনঃ সুইজারল্যান্ড
# উত্তরের ভেনিসঃ স্টকহোম
# দক্ষিণের রানীঃ সিডনি
# দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেনঃ নিউজিল্যান্ড
# আগুনের দ্বীপঃ আইসল্যান্ড
# ট্যাক্সির নগরীঃ মেক্সিকো
# শ্বে্ত হাতীর দেশঃ থাইল্যান্ড
# বজ্রপাতের দেশঃ ভুটান
# হাজার হ্রদের দেশঃ ফিনল্যান্ড
# ম্যাপল পাতার দেশ, লিলি ফুলের দেশঃ কানাডা
# সূর্য উদয়ের দেশ, প্রাচ্যের গ্রেট ব্রিটেন, ভূমিকম্পের দেশঃ জাপান
# পোপের শহর, নীরব শহর, চির শান্তির শহর, সাত পাহাড়ের দেশঃ রোম
# দ্বীপের নগরী, নিশ্চুপ সড়ক শহর, শান্ত সড়ক, আদ্রিয়াটিকের রানীঃ ভেনিস